kalerkantho


ইন্টেরিয়র

খাবারঘরে উৎসব

১১ জুন, ২০১৮ ০০:০০



খাবারঘরে উৎসব

মডার্ন ইন্টেরিয়রে সাদার জয়জয়কার এখন। খাবারঘরের বেইজ রং ধরে নিতে পারেন সেটিকেই। সে ক্ষেত্রে খাবার টেবিল যদি হয় শ্বেত পাথরের, তবে তো কথাই নেই। যেকোনো এক দেয়ালে ওয়ালপেপার লাগিয়ে ঘরটিকেই করে তুলতে পারেন নজরকাড়া

অতিথি আপ্যায়নে মজার খাবারের সঙ্গে যদি খাবারঘরের সাজেও আনা যায় নতুনত্ব, তাহলে ঈদ আনন্দের ষোলোকলা পূর্ণ হয়। অ্যাস্থেটিক ইন্টেরিয়রের ডিজাইনার সাবিহা কুমুর সঙ্গে কথা বলে ঈদের খাবারঘরের সাজ বিষয়ে জানাচ্ছেন মারজান ইমু 

 

ঘরের সাজে উৎসবের ছোঁয়া আনা যেতে পারে বিভিন্নভাবে। বাজেট নিয়ে ভাবনা না থাকলে দেয়ালে নতুন রং করে নিতে পারেন। সব দেয়াল রং করা সম্ভব না হলে একটি দেয়ালে ভিন্ন রং খাবারঘরে বৈচিত্র্য আনবে। অন্য দেয়াল সাদা বা অফহোয়াইট হলে একটি দেয়ালে হলুদ বা কমলা রঙের যেকোনো শেড বেছে নিতে পারেন। কিংবা একই রঙের হালকা শেড তিন দেয়ালে আর বাকি দেয়ালটিতে ওই রঙের গাঢ় শেড দিলে ভালো দেখাবে। কম খরচে দেয়াল সাজাতে ব্যবহার করতে পারেন ওয়ালপেপার। স্যান্ডস্টোন, রাস্টিক টাইলস, টেরাকোটা বা প্রাকৃতিক দৃশ্য—সব ধরনের ওয়ালপেপার পাবেন বাজারে। ঘরের যেকোনো একটি দেয়ালে পছন্দমতো ওয়ালপেপার লাগিয়ে নিন।

এরপর খাবারঘরের ফ্যাব্রিকস যেমন—জানালার পর্দা, টেবিল ম্যাট ও রানার বদলে নিন। জানালার পর্দার জন্য হালকা ও গাঢ় যেকোনো রং বেছে নিন। একরঙা চাইলে দুই পাশে হালকা রঙের মাঝে গাঢ় রঙের পর্দা দিন। প্রিন্টের পর্দার ক্ষেত্রে একই প্রিন্টের দুই রঙের কাপড়ের পর্দা বানালে বৈচিত্র্য আসবে। দুই পাশে হালকা রং দিয়ে মাঝে গাঢ় রং দিন। হালকা রংটির সঙ্গে মিলিয়ে টেবিলের রানার ও ম্যাট বেছে নিন। অনেকে আবার পরিবেশন পাত্রের সঙ্গে মিলিয়ে টেবিল ম্যাট ও রানার বাছাই করেন। এতে খাবার পরিবেশনের পর টেবিলের সঙ্গে পুরো ঘরেই বেশ উৎসবের আবহ আসবে। খাবার টেবিলে হরেক পদের রান্নার মধ্যে আলাদা করে শোপিস সাজানোর জায়গা থাকে না। লম্বাটে টেবিলে এক পাশে একটি সুদৃশ্য মোমদানি, অন্য পাশে একটি ফুলদানিতে কয়েকটি তাজা ফুল রাখুন। গোলাকার টেবিলে যেকোনো একটি রাখা ভালো। চাইলে সন্ধ্যার পর একটি কাচের জারে রঙিন জ্বলন্ত মরিচবাতি রাখতে পারেন টেবিলে। বেশ সুন্দর দেখাবে।

ঘর বড় হলে কিছুটা বৈচিত্র্য আনতে একটি কর্নার সাজাতে পারেন গাছ, পটারি আর ল্যাম্পশেড দিয়ে। একটি কর্নারে মাটির পটারিতে ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতির ইনডোর প্লান্ট রাখুন। না হয় এক দিনের জন্য বারান্দায় রাখা গাছ নিয়ে আসুন খাবারঘরের কোণে। গাছের ফাঁকে ফাঁকে মাটির শোপিস দিন। একটি মাটির চাড়িতে পানি দিয়ে তাতে কিছু কচুরিপানা আর অ্যাকোয়ারিয়ামের মাছ ছেড়ে দিন। আর একটি স্পটলাইট। ঘরটা নিজের কাছেই অচেনা মনে হবে।


মন্তব্য