kalerkantho


ক্যাম্পাস সংবাদ

ক্লাসে মনোযোগ আছে তো!

ফয়সল আবদুল্লাহ   

১৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



ক্লাসে মনোযোগ

আছে তো!

ক্লাসে গিয়ে টুকটাক দুষ্টুমি, জানালা দিয়ে বাইরে হাঁ করে তাকিয়ে থাকা কিংবা খাতায় ডুডল আঁকা—এসব সামলাতে বেশ ধকল যায় ক্লাসটিচারদের। কিন্তু চীনে গিয়েছ তো মরেছ। ঘাড়টা একটু এদিক-ওদিক হলেই বেজে উঠবে অ্যালার্ম। শ্রেণিশিক্ষকও মুহূর্তের মধ্যে জেনে যাবেন কে করেছে দুষ্টুমি। কারণ, স্যারের চোখ ফাঁকি দেওয়া গেলেও অত্যাধুনিক সিসিটিভি ক্যামেরাকে তো আর এড়ানো যায় না।

প্রতি ৩০ সেকেন্ড পরপর ছাত্র-ছাত্রীদের চেহারা স্ক্যান করবে ব্ল্যাকবোর্ডের পেছনে থাকা একটি ক্যামেরা। শিক্ষার্থীদের মুখের অঙ্গভঙ্গি ও নড়াচড়ার সব ডাটা চলে যাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ভরপুর এক সফটওয়্যারে। আনন্দ, দুঃখ, অবাক, রাগসহ মোট সাত ধরনের অনুভূতি শনাক্ত করতে পারবে ওটা। আর সেই তথ্য মুহূর্তের মধ্যে চলে যাবে শিক্ষকের সামনে রাখা মনিটরে। শিক্ষক তখন নাম ধরে ধরে জানতে চাইবেন, কার কী হয়েছে, কেন সে ক্লাসে অমনোযোগী।

আপাতত চীনের হ্যাংজু শহরের ১১ নম্বর মিডল স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে এ ধরনের তিনটি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। বিতর্ক উঠতেও সময় লাগেনি। ক্লাসরুমে এমন হাইটেক ক্যামেরাকে রীতিমতো স্বৈরাচারী বলেছে অনেকে। কারণ এতে যে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ আরো বাড়বে তাতে সন্দেহ নেই। প্রশ্ন হলো, ওই মানসিক চাপটা ক্যামেরায় ধরা পড়বে তো?

 

 


মন্তব্য