kalerkantho


টিপস

উৎসবের ষোলো আনা

বৈশাখ দোরগোড়ায়। কিন্তু কিভাবে আদায় করবে প্রাণের এ উৎসবের ষোলো আনা আনন্দ? গুটিকয় টিপস জানাচ্ছেন নূসরাত জাহান

৮ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



উৎসবের ষোলো আনা

ঢোল পেটাও, গাও হেঁড়ে গলায়

প্রতিজ্ঞা করে ফেলো, এবারের বৈশাখে আর যা-ই হোক, ভুভুজেলা থেকে এক শ হাত দূরে থাকবে। গান-বাজনার জন্য ঢাকঢোল, বাঁশের বাঁশি, একতারাসহ আরো অনেক কিছু আছে। বন্ধুরা মিলে প্ল্যান করে বৈশাখের দিন একটা ব্যান্ড বানিয়ে ফেলতে পারো। প্রয়োজনে দুই দিন আগে প্র্যাকটিসও করে নিতে পারো। উৎসব-আনন্দের কোনো ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি গান বেছে নিয়ে গাও কোরাস। একজনকে দায়িত্ব দাও ঢোল পেটানোর। আরেকজন বাঁশি বাজাবে। তোমাদের গান শুনতেই দেখবে ভিড় জমিয়েছে অন্যরা।

 

ঘর সাজাও, রান্নাটাও..?

বৈশাখে শুধু বাইরে টো টো করবে না নিশ্চয়ই। ঘরে ঢুকতেই যেন বৈশাখী রং উবে না যায়, সে জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নাও। কাগজ কেটে বানাও দারুণ সব দেশি নকশা কিংবা রং দিয়ে বানাতে পারো আলপনা। এতে দুই কাজ হবে। বৈশাখ তো ভালোই কাটবে, সঙ্গে উৎসবের আমেজটাও থেকে যাবে অনেক দিন। আর বৈশাখের দিন বন্ধুদের ভোজের নিমন্ত্রণ করে থাকলে আগের রাতেই ঠিক করে নাও মেন্যু। সারপ্রাইজ দিতে চাইলে নিজের হাতে বানানো একটা ভর্তা কিংবা ভাজি অন্তত যেন থাকে।

 

মেলায় যাও রে

ঢাকায় যারা থাকো, তাদের বৈশাখ মানেই টিএসসি, চারুকলা আর রমনা। এর বাইরেও নানা আয়োজন হয় পুরান ঢাকা ও ধানমণ্ডি লেকে। ভোরে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে থাকলে দুপুরটা জিরিয়ে নেবে। বিকেলে পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠের মেলাটা কিছুতেই বাদ দেওয়া চলবে না। পুরনো দিনের অনেক মজার খেলনা ও ঘর সাজানোর জিনিসপত্র পাবে সেখানে। সন্ধ্যার দিকে গান শুনতে বা নানা আয়োজন দেখতে চলে যেতে পারো ধানমণ্ডি লেকে।

 

টুকিটাকি

♦   বৈশাখের দাবদাহ যাতে সহজে ক্লান্ত বা বিধ্বস্ত করতে না পারে, এ জন্য সঙ্গে সাদা ছাতা, টিস্যু—এসব রাখবে।

♦   ব্যাকপ্যাকে বড় দেখে পানির বোতল রাখবে। বৈশাখের উত্তাপে ঘন ঘন তেষ্টা পাবেই। পিঠে ব্যাগ থাকলে মেলা থেকে কেনা পছন্দের এটা-ওটা হাতে বয়ে বেড়াতে হবে না।

♦   বন্ধুরা মিলে আগের রাতে কিছু মজার প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা করতে পারো। সঙ্গে চাঁদা দিয়ে কিনে নিতে পারো বিজয়ীর পুরস্কার। প্রতিযোগিতার মধ্যে থাকতে পারে তীর ছোড়া, ঘুড়ি ওড়ানো, ডাংগুলি—এসব। 


মন্তব্য