kalerkantho


গ ল্প

বোবা মিরুর স্ত্রী দর্শন

বুলবুল চৌধুরী

২৫ জুন, ২০১৭ ০০:০০



বোবা মিরুর স্ত্রী দর্শন

অঙ্কন : মাহবুবুল হক

গতকাল তালেব বাগমার গিয়েছিল ছেলে সেকান্দরের কর্মস্থল নরসিংদীর ব্রাহ্মণদী এলাকায়। সেখানে তার পাওয়া সরকারি কোয়ার্টারে রাত কাটিয়ে সকালে বাড়ির পথ ধরল সে।

রেলস্টেশনে পৌঁছে গন্তব্যস্থল আড়িখোলার টিকিট কাটার পর্ব সারা হলো। শেষে ট্রেন আসতে খানিক দেরি বুঝে প্ল্যাটফর্ম লাগোয়া একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকে চেয়ারে আসীন হলো বৃদ্ধ। এ সময় রাস্তার উল্টো দিকে পিঠে বসতে বসা মেয়েমানুষটা ধরা পড়ল তার দৃষ্টিতে। শীতসকালের কুয়াশা এবং দুটো লাকড়ি-চুলা থেকে নির্গত ধোঁয়ার মিশেলে ওই মুখখানা আবছা মতন দেখায়। তা-ও সে চিনতে পারে, এ নির্ঘাত ভাতিজা বোবা মিরুর বউ আনতারা বেগম। মাস দশেক আগে মামাতো ভাই খালেকের বগলদাবা হয়ে ও স্বামীর ঘর ছেড়েছিল। আজ তার সাক্ষাৎ পেয়ে বিস্ময়, উত্তেজনা, রাগ ইত্যাকার যা আছে, সবই ঝেঁপে আসে তালেব বাগমারের দিকে। ওই অবস্থায় রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে মেয়েমানুষটার মুখোমুখি হয়ে সে বলে ওঠে, বোবার হেই বউডায় যেমুন গো?

আনতারা বেগমের বানানো ভাঁপা ও চিতই পিঠা খেতে বসে দুজন গ্রাহক বৃদ্ধের প্রশ্নে কৌতূহলী চোখ করল। মা-বাবাকে হারিয়ে মামা সিরাজ শেখের আদরে লালিত-পালিত মেয়ে এ জীবনে মামাতো ভাই খালেককে পেতে চেয়েছিল।

কিন্তু যৌবনে দুজনের ফষ্টিনষ্টির কারণে যেন বা আনতারা বেগমকে তুলে দেওয়া হয়েছিল বোবা জামাইয়ের হাতে। বিয়ের পর এক রাতে দুজনকে রান্নাঘরে পেয়ে বেদম পিটুনি লাগিয়েছিল বোবা মিরু। সেই ঘটনায় খালেক তাকে নিয়ে গিয়ে ঘর বাঁধল নরসিংদীর বুয়াকুর এলাকায়। তার রিকশা বওয়ার পয়সায় চলছিল সংসার। কিন্তু সাত মাসের মাথায় সে এক রিকশাওয়ালার বউকে নিয়ে লাপাত্তা হলো। বাঁচতে গিয়ে পথের পাশে বসে পিঠা বেচার কাজটা ধরার সময় ও বুঝে নিয়েছিল, একদিন পরিচিত কারো চোখের সামনে পড়তেই হবে। এখন চাচাশ্বশুরের উপস্থিতিতে সেই সত্য বুঝে আনতারা বেগম বিপদ অনুধাবন করল। সেই সঙ্গে নিজেকে নিরুপায় ভেবে ও মনে মনে বলে উঠল, আমি কি বাগমারবাড়ির বউ আছি আর! তাহলে বিলক্ষণ তুমি যাও তো বুড়ো, যাও।

আপন জিজ্ঞাসায় জবাব পায়নি তালেব বাগমার। তবে সে আন্দাজ করে, কলঙ্কিনীর কি মাথা তোলার উপায় আছে। মানতেই হয়, রূপের দেমাগ করতেই পারত আনতারা বেগম। তবে জামাইয়ের ঘরে এসে মাথার আঁচল তুলে চলাফেরা ছিল তার। কলঙ্কিনী হওয়ার পর মেয়েমানুষটার কমনীয় মুখশ্রী আর ফরসা বরনে পড়েছে কালচেপনা অনেকগুলো ছাপ। তার দুখানা গভীর চোখের ভরানো অতীতের কাজলকালোতেও নেমেছে ভাটা। এসব দেখে নিয়েই সে প্রশ্ন করল, চুপ মাইরা রইলা যেমুন?

এবারে তালেব বাগমারের প্রশ্নে পিঠা খেতে বসা দুজন গ্রাহকের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দুজনকেই দেখে নিল। এই দৃশ্যে আনতারা বেগমের বুঝতে বাকি থাকে না যে বুড়োর প্রশ্নের জবাব দিলে গ্রাহক নিশ্চিতভাবেই এদিকে ঝুঁকবে। তাই বিপদে উদ্ধার পেতে গিয়ে চাচাশ্বশুরকে তাড়ানোর প্রয়াসে সে বলল, পিঠা খাইবেন?

সঙ্গে সঙ্গে তালেব বাগমার ক্ষিপ্ত স্বরে জবাব ফেরাল, কিয়ের কি! তোমারে সামনে পাওনেই আমি খাড়াইলাম। শেষতক এমুনের দশাই হইল নিহি তোমার?

নিজেকে বড়ই নিরুপায় করে নিয়ে আনতারা বেগম মিনতির স্বরে বলে, অহন আমার পিঠা বেচনের কাম। হেইলে যান তো আপনে, যান।

হ, যাইতে গিয়াই না তোমারে সামনে পাইয়া থামলাম। অহন কও এমুন ভালা জামাই ফালাইয়া খালেকরে লইয়া যে পলাইলা, হেয় কই?

অমন জিজ্ঞাসায় পিঠে খেতে বসা দুই গ্রাহকের একজন আনতারা বেগমের দিকে প্রশ্ন ছুড়ে দিল—বইনে, কেডা গো বুইড়ায়?

বিপদে পিঠ ঠেকে যাওয়ার বাঁচোয়া ফিরে পেতে অন্ধ-শূন্য হয়ে উঠল আনতারা বেগম। তাই কর্কশ স্বরে বলে উঠল, কেডা আবার! এই বুইড়ার শইতানিতেই আমি রাস্তায় পড়লাম।

ও, এই নিহি কারবার?

তালেব বাগমার বুঝতে পারে, ওই গ্রাহক আনতারা বেগমের পক্ষ নিয়েছে। তার চেয়ে বড় চিন্তা হলো, নষ্টা মেয়েমানুষ মুহূর্তে মুহূর্তে রূপ বদলাতে পারে। বলল কিনা, তার দোষে ওকে ঘরছাড়া হতে হয়েছে! তাই বিপদ অনুমান করে সে পিছু নিল। প্ল্যাটফর্মে ফিরে তার মনে প্রশ্ন জাগল, মেয়েমানুষ এত খারাপও হতে পারে! বাড়ি ফিরে আনুপূর্বিক বর্ণনা দিলেও তাতে আপনজন কি সায় দেবে, হ্যাঁ তাই।

ট্রেন আসার ঘণ্টা বাজল। বগিতে উঠে বসার জায়গা না পাওয়ায় দাঁড়ানো যাত্রী হতে হলো তাকে। ট্রেন চলতে শুরু করলে প্রথমেই তালেব বাগমার ভাবল, বাড়ি ফিরে এই বয়ান দিলে কি বোবা মিরু সেই হদিস পাবে! ফের ঘর দেওয়ার চেষ্টা চালানো হলেও বোবা এতে কোনো সম্মতি দিচ্ছে না। মুখ ফুটে ভাতিজা সেই অনুভব ব্যক্ত করতে না পারলে কী হবে, মূলের বেদনাটুকু ঠিকই আপনজনদের জ্ঞাতে আছে।

ট্রেন ধেয়ে যায় সুমুখ পেরিয়ে আরো সুমুখে। সেই সঙ্গে ধাওয়া লাগে ভাবনায়ও। নিশ্চয়ই খালেকের কারণে রাস্তায় বসতে হয়েছে আনতারা বেগমকে। পরমুহূর্তে তার মনে হয়, ধ্যাত! পালিয়ে যাওয়ার পর যাদের খোঁজ নিতে যায়নি কেউ, তাকে নিয়ে এই খুনসুটি কেন তার।

ট্রেন থেকে আড়িখোলা নেমে রিকশায় চেপে নিজের বাড়ির পথ ধরল তালেব বাগমার। মন থেকে আনতারা বেগমের ভাবনা সরাতে চাইলেও এখনই তা সম্ভব নয়। কেননা আপনজনদের গিয়ে এই বিবরণ দেওয়ার অপেক্ষায় আছে সে। বাড়িতে ঢোকার মুখে কুনিজাল আর খালুই হাতে পুকুরে মাছ ধরতে যাওয়া বোবা ভাতিজার সাক্ষাৎ পেল তালেব বাগমার। তার হাতে ধরে নিয়ে সে ইশারায় জানাল—আয়, খবর আছে।

কিছু একটা ব্যাপার আছে বুঝে চাচার পেছন পেছন বাড়িতে ঢুকল সে। তালেব বাগমার দেখল, বড় ভাই সুরত বাগমার পুব ঘরের বারান্দায় বসে হুঁকো টানছে। বোবাকে নিয়ে ভাইয়ের সামনে এসে সে প্রশ্ন করল,

ভাবিসাবে কই?

হে আর তর বউ তালের উসি তুলতাছে। হেইগুলার লইয়া পোলায় হাটে যাইব। ক্যান, তাগোর খোঁজ পারস ক্যান?

সেই জবাবে না গিয়ে তালেব বাগমার ডেকে উঠল, কই গো ভাবি? কই গো সেকান্দরের মা? এফি আমি জব্বর খবর লইয়া পড়ছি।

অমন ডাকে সুরত বাগমারের বউ আকলিমা বেগম এবং তালেব বাগমারের বউ ছমিরন বেগম মাচানের সিং তোলা ফেলে এসে জড়ো হলো তাদের মাঝে। স্বামীর দিকে বড় চোখ করে ছমিরন বেগম প্রশ্ন করল—কি গো. কিয়ের এত আমদাম তোমার?

বড় ভাইয়ের হাত থেকে হুঁকো নিয়ে তাতে কষে দুটান মেরে সে বলল, আইজ বোবার ঘর পলাইনা বউডার মোলাকাত পাইছিলাম।

সুরত বাগমার জিজ্ঞেস করল, কই আছে ছিনালডায়?

গেলে পাইবা নরসিংদী রেলস্টেশনের লগদা বইয়া পিঠা বেচতাছে।

সেই জবাব শুনে বুঝি পায়ে ঝিম ধরার মতো ঝিম নীরবতায় পড়ল সুরত বাগমার, আকলিমা বেগম ও ছমিরন বেগম। ওই ফাঁকে তালেব বাগমারের দৃষ্টি গেল ভাতিজার ওপর। তার নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস বইছে ঠিকই, তবে দেহে বা মুখাবয়বে বিন্দুমাত্র নড়াচড়া নেই। তার কানেও কোনো শব্দ পসে না। কিন্তু অনেক সময়ই অন্যের কথোপকথনের ধরন দিয়ে ব্যাপারটা আঁচ করতে পারে। এক্ষণে তেমন আলাপে থই না মিললেও মাঝে কোনো রহস্য আছে—এমনটাই অনুভব করে বোবা। তার দিকে তাকিয়ে আকুতি ঢালার মতো করে তালেব বাগমার বলে ওঠে, তর নষ্টা বউডার দেহা পাইছিলাম রে বাহে। হেইডাই আমরা কওয়াকওয়ি করতাছিলাম।

ওই কথার তালেব বাগমার অভিনয়ের দুহাত তুলে নিজের মাথায় ঘোমটা জড়িয়ে সত্যটুকু অবহিত করার কৌশল খাটাল। এতে বোবা মাথা নেড়ে কুনিজাল ও খালুই নিয়ে পা বাড়াল পুকুরের দিকে। দলে থাকা ছমিরন বেগম আপত্তি জানাল, কেরে তুমি এইতান বুঝাইতে গেলা পোলাডারে?

সঙ্গে সঙ্গে সুরত বাগমার কথা ধরল, থাহুক দে রে তালেবের বউ। আমি কই কি, পোলায় এইতান বুঝলেই ভালা। বোবা হওনে দুনিয়ার হাচা জানন বাদ যাইব ক্যান তার!

মিরুর মা প্রশ্ন করল—কিগো, বউডারে কি জিগাইছলা হেমুনের কী দশা হওনে পিঠা বেচতে বইল?

না, ভাবিসাব।

ক্যান?

মাগিটা হেই জবাব দিব কি, আমারে উল্ডা খেদানি লাগাইল।

সঙ্গে সঙ্গে সুরত বাগমার চমকে জানতে চাইল, এইটা কী কইলি তুই?

হ ভাইয়ে, হাছা কইলাম। আমি জিগাইছিলাম, তোমার লগেরডার কী খবর। অমনি হাপের লাহান ফোঁস কইরা কইল, আমি নিহি হগল নষ্টের গোড়া। হেই কথা শুইনা পিঠা খাইতে বসা দুই বেডার চোখ-রাঙানিতে পলাইয়া আইলাম, ভাইয়ে। বুঝলা তো, ঠেহায় পড়লে ছিনাল মাগি কিসিম লাগাইতে পারে।

সুরত বাগমার জবাব দিল—সাবধান, নরসিংদী গিয়া পোলারে দেওনের কালে হেই মাগির সামনে যাবি না।

ছমিরন বেগম ওই মত দিল—হ ভাইসাব, আমিও কই কি, কী কামে যাও বিপদের সামনে।

আকলিমা বেগম বলল, বাদ দেও এই ছিনালডারে। পোলার কি এমনে দিন চলব? হে বউ আননের বিহিত কী হেইডা ভাইবা ভাইবা আমার খাওয়া-লওয়া-ঘুম হগল কমছে।

তালেব বাগমার জবাব দেয়—ভাবিসাব, এই দুখ তো আমগোও। নিজেই তো ভাইবা পাই না ভাতিজা এইডা কোন রোখ লইল!

তারপর তালেব বাগমার বলল—যাই যাই, পিন্দনের গোসলটা সারি।

স্বামীর পেছন পেছন স্ত্রীও ঢুকল ঘরে। কিছুক্ষণ আগের অভিযোগটাই উঠে এলো তার মুখে। বলল, ক্যান ওত্তটান বুঝাইয়া পোলাডার মন তুমি কালা কইরা দিলা?

তালেব বাগমার ভাবছিল, এ নিয়ে ভাতিজাকে ইঙ্গিত না দিলে উচিত কাজ হতো। কিন্তু ‘চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে’র মতো অবস্থা হয়েছিল তার। তাই অনুচ্চ স্বরে জবাব দিল, যা হওনের হইছে। তয় দেইহো, এইতান বুঝলেও মাথা ঘামানের না ভাতিজা।

তবে কার্যতও ঘটনাগুলো অন্য রকম রূপ পায়। কেননা দুপুরের খাওয়াদাওয়া সেরে রোজকার মতো খানিক ভাতঘুম থেকে উঠে বারান্দায় হুঁকো নিয়ে বসতেই বোবা মিরু এলো। চাচাকে হাত ইশারায় ওঠার তাগাদা দিল। এতে তালেব বাগমারও ইশারায় জানতে চাইল—কেন? সঙ্গে সঙ্গে তালেব বাগমার অভিনয় দিয়ে যেমন মাথায় ঘোমটা তুলে নিয়েছিল, নিজের দুহাত তুলেও তেমন করে দেখাল মিরু। পাশে বসা ছমিরন বেগম বলল, পোলা বেবাক বুজছে। অহন যহন চাইতাছে, তহন হেরে লইয়া গিয়া দেহাইয়া আনো ছিনাল বউডারে।

বোবাকে নিয়ে ভাই আর ভাইবউয়ের সামনাসামনি হলো তালেব বাগমার। বলল, হেয় নরসিংদী যাইতে চাইতাছে।

সুরত বাগমার জবাব দিল, পোলার কহন কী ইচ্ছা বুঝনের না আমগোর। তয় আইজ যহন বুঝলাম তহন হের খাইসে আমার মানা নাই।

আকলিমা বেগম বলল—হ, তাইলে লইয়া যাও তারে।

দুপুরের সূর্য দক্ষিণের বাঁক ছেড়ে পশ্চিমের যাত্রা ধরেছে। সেই আলোয় রিকশা চড়ে চাচা-ভাতিজা পৌঁছল আড়িখোলা স্টেশনে। কথা নেই তালেব বাগমারের মুখে। ঘটনার ঘটঘটায় তার মধ্যে অথইপনা লেগেছে। ভাতিজার দিকে তাকিয়ে অনড় মুখখানাই শুধু দেখতে পায় সে। অমন দেখালেও নিশ্চয় বোবার অন্তরে ভাবনার ঘটা ঠিকই কাজ করছে। টিকিট কাটার পর তালেব বাগমার ইশারায় জানতে চাইল—কি রে, কিছু খাবি?

জবাবে মাথা নেড়েছিল মিরু। মিষ্টির দোকানে বসে দই-মিষ্টি খেল দুজনে। ট্রেন এলে তাতে চড়েও বসল তারা। পরন্ত বিকেলে নরসিংদী স্টেশনে পৌঁছে আনতারা বেগমের মুখোমুখি হলো তারা। সকালে তালেব বাগমার ছিল একা। ভাতিজাকে সঙ্গে এনে তাকে সামনে ঠেলে দিয়ে সে দাঁড়াল পেছন দিকটায়। প্রথমবারে তেড়ে এলেও এখন বসার জন্য দুজনের দিকে দুটো প্লাস্টিকের মোড়া এগিয়ে দিল বউটা। বসল না তারা।

নিজের নিরুপায় অবস্থা বুঝে আনতারা বেগম দুই বাসনে পিঠা সাজিয়ে দুজনের দিকে বাড়িয়ে দিল দুহাত। বোবা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, কখনো বউকে সামনে পেলে উচিত জবাব দেবে। আজ সেই সময় এলো। তা বুঝে একগাদা থুতু পিঠার বাসনে ছিটিয়ে দিয়ে সে ছুটতে লাগল। তালেব বাগমার তার পিছু নিয়ে হদিস করতে পারল না। প্ল্যাটফর্মের সিমেন্টে বাঁধানো চেয়ারে বসা ভাতিজাকে দেখতে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল সে। তবে বোবার অনড় মুখের দিকে তাকিয়ে তার অজানিতেই দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো।


মন্তব্য