kalerkantho


ভ্রমণ

সাগর আর পাহাড় একান্তে যেখানে

২৭ আগস্ট, ২০১৭ ০০:০০



সাগর আর পাহাড় একান্তে যেখানে

যেখানে সাগর ও পাহাড়—এ দুইয়ের দেখা একসঙ্গে পাওয়া যায়, সেখানে স্বর্গীয় সৌন্দর্য ধরা পড়ে। তেমনই কয়েকটি ভ্রমণ গন্তব্যের কথা এখানে তুলে ধরা হলো।

ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন। জানালেন সৈয়দ আখতারুজ্জামান

 

বালি দ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া

বালি ইন্দোনেশিয়ার ৩৩টি প্রদেশের একটি। স্বচ্ছ নীল পানি। হু হু বাতাস আর সাদা বালুর সৈকতে আছড়ে পড়া ভারত মহাসাগরের ঢেউ। অপূর্ব সুন্দর তার রূপ! দূর দিগন্তে দৃশ্যমান মাউন্ট আগুং। পাহাড় আর সাগর এসে একাকার হয়ে গেছে এখানে। সাধারণত সাগরের তীরবর্তী পাহাড়গুলো খুব বেশি উঁচু হয় না। খাড়া পাহাড়ের অংশটুকু ছাড়া পুরো দ্বীপের চারপাশটাই সৈকত। তবে এর নানা অংশের নানা নাম আছে।

যেমন—সানুর বিচ, কুতা বিচ, উলুয়াটু বিচ, নুসা ডুয়া বিচ ইত্যাদি। বালির অন্যতম সুন্দর বিচের নাম কুতা। পৃথিবীতে সূর্যাস্ত দেখার যে কয়েকটি বিখ্যাত বিচ আছে কুতা তার একটি। শীতেই এই দ্বীপ ভ্রমণের সবচেয়ে ভালো সময়।

বালি দ্বীপে দেখার মতো জায়গা অনেক। সব কিছু ভালো করে দেখতে অন্তত চার দিন বালিতে থাকা উচিত। পর্যটকদের তথ্য সরবরাহ করতে হাজার হাজার তথ্যকণিকা সাজানো আছে বিভিন্ন তথ্যকেন্দ্রে। এ রকম শত শত বুথ ও কাউন্টার ছড়িয়ে আছে বালির সব রাস্তাঘাট থেকে শপিং মল, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বাসস্ট্যান্ড, বিমানবন্দর এবং দোকানে।

ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত কাঠ ও পাথর খোদাই শিল্পের দেখা মিলবে বাটু বুলানে। এই সব কাঠ ও পাথরের ওপর শৈল্পিক কাজ চোখ ফেরানো কষ্টকর। কিনতামানি পাহাড়ি এলাকা। বালি দ্বীপের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় মাউন্ট আগুং আর জীবন্ত আগ্নেয়গিরি মাউন্ট বাটু আছে এখানে। তবে বালিতে সবচেয়ে বেশি আছে ওয়াটার রাইড এবং সমুদ্রের পানিতে মাছ, নানা রকম প্রাণী ও উদ্ভিদজগৎ নিয়ে এই সব আয়োজন সাজানো হয়েছে। আছে আন্ডারওয়াটার মেরিন গার্ডেন। পানির নিচের এই বাগানে ডুবুরির পোশাক পরে ডুব দেবেন। সঙ্গে থাকবে দক্ষ ডাইভার। পানির নিচে ঘুরে ঘুরে দেখবেন বাহারি কোরাল, প্রবাল, পাথর, জলজ উদ্ভিদ, লতাপাতা—আরো কত কী!

 

স্কাই ব্রিজ

 

কোথায় থাকবেন

বালিতে ডেনপাসার ও কুতা বিচের কাছাকাছি হোটেলে থাকাই ভালো। বিচের পাশের রাস্তায় অনেক হোটেল আছে, যাদের ভাড়া রাতপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা থেকে শুরু। এর চেয়েও কম ভাড়ার হোটেল পাওয়া যাবে পপিস লাইন ১ ও ২-এ। এখানে রাতপ্রতি ভাড়া ১৫০০ টাকা থেকে শুরু। তবে শীতের সময় (নভেম্বর, ডিসেম্বর, জানুয়ারি) ভাড়া বেড়ে যায়। আগে থেকে বেড়ানোর পরিকল্পনা করলে অর্ধেক খরচে থাকা যাবে।

 

কী কী দেখবেন

কুতা বিচের সূর্যাস্ত কোনোভাবেই মিস করা যাবে না।   কিনতামানি থেকে ফেরার পথে পূর্ণাতীর্থ এম্পুল মন্দির। সানুর বিচের দিকে যাওয়ার পথে গোয়া গাজাহ ও বালি চিড়িয়াখানা দেখা উচিত। উবুদ প্রাসাদ, উবুদের কাঠ ও পাথর খোদাইয়ের কাজ, বার্ড পার্ক, হাতির পিঠে চড়ে বেড়ানো খুবই মজার। সমুদ্রের পাড়ে অসাধারণ ঐতিহাসিক মহিমা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে তানালথ মন্দির। এখানেও সূর্যাস্ত দেখতে পারেন। নুসা ডুয়া, উলুয়াটু—এই দুটি বিচও খুব নামকরা। কুতা বিচ থেকে কাছেই বালির ঐতিহ্যবাহী নাচ উপভোগ করা যায়। জলজ ক্রীড়াসম্ভারের শেষ নেই। স্কুবা ডাইভ, স্নোরকেলিং, বানানা বোট রাইড, সার্ফিং—এ রকম বিনোদনব্যবস্থা। লেগিয়াং ক্লাব এলাকার নাইট ক্লাবগুলোও ঘুরে দেখতে পারেন। শপিংয়ে যেতে পারেন কুতা বিচের তীরবর্তী শপিং মলগুলোতে।

 

লম্বক, ইন্দোনেশিয়া

লম্বক ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম নুসা তেঙ্গারার একটি দ্বীপের নাম। সাগর আর পাহাড় একসঙ্গে দেখার এক আদর্শ জায়গা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, বাংলাদেশের অনেকেই এই জায়গার নাম শোনেননি। যাঁরা ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে গেছেন, তাঁরা হয়তো আফসোস করবেন। বালি দ্বীপ থেকে খুব কাছে লম্বক। স্পিডবোটে তিন ঘণ্টা আর প্লেনে আধাঘণ্টার মতো লাগে। অসাধারণ স্বপ্নময় সুন্দর এই দ্বীপ!

লম্বকে পর্যটক এলে সেঙ্গেগিতেই প্রথম আস্তানা গাড়েন। দ্বীপের চারপাশটা পাহাড়ে ঘেরা। পাহাড়ের পরই সমুদ্র। ফলে রাস্তাগুলো দিয়ে চলার সময় এক দিকে পাহাড়, আরেক দিকে সমুদ্রের আদিগন্ত বিস্তৃত নীল জলরাশি, সৈকতে আছড়ে পড়া ঢেউ নজরে আসে। পাহাড়ের গায়ে আর সৈকতের তীর ঘেঁষে হাজার হাজার নারিকেলগাছ। গাঙচিল আর নাম-না-জানা পাখিদের ডাকে মন হারিয়ে যায়!

বাটু বুলং টেম্পল ঠিক সাগরের পাড়ে। একটা পাথুরে পাহাড়ের ওপর। মন্দিরের নিচে পাহাড়ের ভেতর দিয়ে একটি গুহামুখ সাগরে মিশেছে। এখান থেকেই মন্দিরের নাম। বাটু বুলং মানে ‘গর্তসমেত পাথর’। লম্বকে যে দুটি বিচ থেকে সবচেয়ে ভালো সূর্যাস্ত দেখা যায় তার একটি কুতা, আরেকটি সেঙ্গেগি বিচ।

লম্বকের মাতারাম থেকে ১০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত ঐতিহাসিক নারমাডা পার্ক ১৭২৭ সালে তৈরি। লম্বকের রাজা আনাক আগুং এটি তৈরি করেন। দুই হেক্টরের বিশাল পার্কে আছে যমজ লেক, অনেক বিশ্রামাগার। এখানে বিভিন্ন ঋতুতে ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। সুইমিং পুল, লেক নৌকাভ্রমণ, নানা বাহারি গাছ আর আধুনিক স্থাপত্যশৈলীতে পার্কটি অসাধারণ।

লম্বকের সবেচেয়ে সুন্দর ও বড় দ্বীপ গিলি ত্রাভাঙ্গান। পাশাপাশি মোট তিনটি প্রবালদ্বীপ। অন্য দুটি গিলি মেনো আর গিলি এয়ার। এই দুটি ছোট। স্পিডবোটে মাত্র ২০ মিনিটে গিলি ত্রাভাঙ্গানে পৌঁছে যাওয়া যায়।   দ্বীপের প্রায় অর্ধেক জুড়ে এক বিশাল রিসোর্ট। একটা রাত এখানে অবশ্যই থাকা উচিত।

লম্বকে কুমারপল্লী, তাঁতশিল্প আর স্থানীয় বাড়িঘরের স্থাপত্য নিদর্শন নজর কাড়বে। বালির মতো এখানেও আছে এক কুতা বিচ। সূর্যাস্ত দেখার জন্য খুবই নামকরা এটি। চারপাশে পাহাড় আর সামনে বিশাল সমুদ্র। ঘোড়ার খুরের মতো বাঁকানো সৈকতের তীর। পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্যে মহাসাগরে কিছুটা অংশ ঢুকে পড়েছে। স্বচ্ছ নীল পানি। সাদা বালু। সৈকতের সৌন্দর্য ব্যাখ্যাতীত। এখানে সূর্যাস্ত দেখে সবাই যেন ধ্যানমগ্ন হয়ে যায়। সময় থাকলে লম্বকের সবচেয়ে উঁচু পর্বত রিনজানি ট্রেকিংয়ে যেতে পারেন।

কুতা বিচ

 

যেভাবে যাবেন

বিমানে যেতে হবে। অনেক রুট আছে। ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়া। সেখান থেকে বালি হয়ে বা সরাসরি লম্বকে যাওয়া যায়। ভাড়া ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যে। অথবা সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়া থেকে জাকার্তা এবং জাকার্তা থেকে সরাসরি লম্বকে যাওয়া যেতে পারে। কিংবা জাকার্তা থেকে বালি এবং বালি থেকে বিমানে বা স্পিডবোটে লম্বক। সিদ্ধান্ত আপনার।

 

কোথায় থাকবেন

লম্বকে থাকার জন্য সেঙ্গেগি ভালো জায়গা। এখানে সমুদ্রের একেবারে তীর ঘেঁষে শেরাটন হোটেল থেকে শুরু করে রাতপ্রতি ১৫০০ টাকার হোটেলও আছে।

 

কী কী দেখবেন

বাটু বুলং টেম্পল, পুরা লিংসার টেম্পল, নারমাডা পার্ক, ঐতিহ্যবাহী সাসাক পল্লী, মাসবাগিক হয়ে প্রিঙ্গাসেলার পটারি ও তাঁতশিল্প, সেঙ্গকল, পুজুত আর রামবিতানের স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী বাড়িঘর, সেঙ্গেগি ও কুতা সৈকত, ময়ূরা পার্ক, গিলি ত্রাভাঙ্গান দ্বীপ, লম্বকের সবচেয়ে উঁচু রিনজানি পর্বতসহ আরো অনেক কিছু। সেঙ্গেগির হস্তশিল্পের দোকানগুলো থেকে স্যুভেনির কিনতে ভুলবেন না।

 

কো সামুই, থাইল্যান্ড

কো সামুই থাইল্যান্ডের সবচেয়ে পর্যটকপ্রিয় দ্বীপের অন্যতম। ব্যাংকক থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে থাইল্যান্ডের দক্ষিণে গালফ অব থাইল্যান্ডে অবস্থিত এই দ্বীপ। আয়তনে ফুকেটের পরই এর অবস্থান। থাইল্যান্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। এই দ্বীপের অনেক সৈকতের মধ্যে চাওয়েং ও লামাই সবচেয়ে বিখ্যাত ও জমজমাট। ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল। উত্তরের সৈকতগুলো তুলনামূলকভাবে কম জনবহুল এবং পশ্চিমের কোস্টলাইন বলতে গেলে নীরব। প্রায় ৫০ হাজার বাসিন্দা আছে এই দ্বীপে। কায়াকিং ও স্নোরকেলিংয়ের জন্য এই দ্বীপ অত্যন্ত বিখ্যাত। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় পর্যটকরা ২১ কিলোমিটার চওড়া আর ২৫ কিলোমিটার লম্বা এই দ্বীপটি মোটরবাইকে বা গাড়িতে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে ঘুরেফিরে দেখে নিতে পারেন।

এখানে সাধারণ থাকার হোটেল থেকে শুরু করে বিলাসবহুল পাঁচতারা রিসোর্ট, বাংলো ও ভিলা পাওয়া যায়। নানা উৎসব আয়োজনের জন্যও এই দ্বীপ বিখ্যাত। বিশেষ করে বাফেলো ফাইটিং উৎসব, টেন স্টারস সামুই আর্ট পার্টি, স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প, পোশাক, স্যুভেনির, খাবার ইত্যাদি সংক্রান্ত মেলা তো লেগেই থাকে। বার্ষিক ট্রায়াথলন আয়োজনের পাশাপাশি এখানে অনেক আন্তর্জাতিক জলক্রীড়ার আয়োজনও হয়। ক্রীড়াবিদদের আনাগোনায় দ্বীপটি তখন উৎসবের আনন্দে জেগে ওঠে। ব্যাংকক থেকে প্লেনে বা বাসে কো সামুই যাওয়া যায়। কো সামুই দ্বীপে বিমানবন্দর আছে। আর দ্বীপ ঘুরে দেখার জন্য ট্যাক্সি, গাড়ি, মোটরবাইক ইত্যাদির অভাব নেই। আছে নানা জলক্রীড়া আর সাইট সিয়িংয়ের প্যাকেজ অফারও।

 

ল্যাংকাউয়ি, মালয়েশিয়া

ল্যাংকাউয়ি দ্বীপের নাম অনেকেই শুনেছেন। দ্বীপটি মালয়েশিয়ায়। এখানেও সমুদ্র আর পাহাড় একসঙ্গে পাবেন। সবচেয়ে নামকরা বিচ এখানে দুটি—সেনাং ও তেঙ্গাহ। এ ছাড়া আছে কক, তেনজুং, দাতাই, বুরাও বিচ। এখানে আইল্যান্ড হপিং ট্যুর, ম্যনগ্রোভ ট্যুর, দ্বীপ শহরে আন্ডারওয়াটার ওয়ার্ল্ড, স্কাই ব্রিজ, কেবল কারসহ অনেক কিছু দেখার আছে। অন্তত দুই রাতের জন্য এখানে থাকা উচিত।

কুয়ালালামপুরের পরে ল্যাংকাউয়ি দ্বীপই সবচেয়ে নামকরা। এখানে প্লেনে যাওয়াই ভালো। দুই মাস আগে টিকিট কাটলে দামও অনেক কম পাওয়া যায়। এ ছাড়া কুয়ালালামপুর থেকে বাসে কুয়ালাপার্সি গিয়ে ফেরিতে ল্যাংকাউয়ি যাওয়া যায়। বাসগুলো প্রায় সবই বিলাসবহুল। কুয়ালাপার্সি পর্যন্ত যেতে সময় লাগে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা। বাসভাড়া মাত্র ৮০০ থেকে ১২৫০ টাকার মধ্যে। আর সেখান থেকে ফেরিতে ল্যাংকাউয়ি যেতে আরো হাজারখানেক টাকা খরচ পড়বে। সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ আড়াই হাজার টাকা খরচে আপনি কুয়ালালামপুর থেকে ল্যাংকাউয়ি যেতে পারবেন। ল্যাংকাউয়িতে থাকার জন্য পাঁচতারা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাজেটের হোটেল আছে। মাঝারি মানের হোটেলে রুমপ্রতি খরচ চার থেকে সাত হাজার টাকা পড়বে।

 

গোয়া, ভারত

ভারতের গোয়ায় পাহাড় আর সমুদ্র একেবারে পাশাপাশি না থাকলেও কিছুটা দূরেই পাহাড়ের দিগন্তসীমা দেখতে পাবেন। এখানে বেড়ানোর উপযুক্ত সময় শীতকাল। গোয়াকে অঞ্চলভেদে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। উত্তর গোয়া, দক্ষিণ গোয়া আর ওল্ড গোয়া। মূলত উত্তর গোয়ার পানজি শহরেই পর্যটকরা বেশি ভিড় করেন। কারণ উত্তর গোয়া তুলনামূলকভাবে জমজমাট। পানজির কাছেই দোনাপাওলা, মিরামার বিচ। দক্ষিণ গোয়ার বিচগুলো অনেক শান্ত আর নিরিবিলি। ফুরফুরে বাতাসে এখানকার বিচগুলো অবকাশযাপনের জন্য আদর্শ। এর মধ্যে অন্যতম সেরা বিচ আগোন্ডা আর পালোলেম। এ ছাড়া আছে বেনুলিম, কোলভা, কালাঙ্গুটে, মাজোরডা, বগমালো, ভাগাটোর ইত্যাদি বিচ।

গোয়া

 

লম্বক বালি দ্বীপ থেকে খুব কাছে। স্পিডবোটে তিন ঘণ্টা আর প্লেনে আধাঘণ্টার মতো লাগে। অসাধারণ স্বপ্নময় সুন্দর এই দ্বীপ! শান্ত আর নিরিবিলি। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দরজা খুলে রাখা হয়েছে এই দ্বীপরাজ্য লম্বকে

 

কোথায় থাকবেন

উত্তর গোয়ায় পানজিতে এবং দক্ষিণ গোয়ায় থাকুন আগোন্ডায়। আছে পাঁচতারা থেকে শুরু করে তাঁবু পর্যন্ত। মাঝারি মানের হোটেল-রিসোর্টগুলোতে তিন হাজার টাকা থেকে শুরু করে রাতপ্রতি ছয় হাজার টাকায় থাকতে পারবেন। সমুদ্রের তীরে তাঁবুতেও থাকতে পারেন রুমপ্রতি হাজার দুয়েক টাকার মধ্যে।

 

কী কী দেখবেন

গোয়ায় জাদুঘর, চার্চ, লোকাল মার্কেট, পর্তুগিজ নিদর্শনসহ অনেক কিছু দেখার আছে এখানে। জলক্রীড়ার প্রায় সব কিছুই উপভোগ করার সুযোগ আছে।

 

কিভাবে যাবেন

সবচেয়ে ভালো হয় ঢাকা থেকে কানেক্টিং ফ্লাইটে কলকাতা হয়ে গোয়া গেলে। দিনে দিনে পৌঁছে যাওয়া যায়। অথবা ঢাকা থেকে কলকাতা হয়ে ট্রেনে মুম্বাই গিয়ে সেখান থেকে বাসে গোয়া যেতে পারেন। এতে সময় বেশি লাগলেও খরচ অনেক কম পড়ে।


মন্তব্য