kalerkantho

ফুটবল জোকস

সংগ্রহ : রনী মাহমুদ

১০ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



♦ স্কুলের ফুটবল খেলোয়াড়দের জার্সি বারবার চুরি হয়ে যাচ্ছে দেখে মহা চিন্তায় পড়ে গেলেন দলের কোচ। অনেক চিন্তাভাবনা করে চুরি রোধ করতে জার্সির পেছনে লিখলেন ‘মডেল স্কুলের জার্সি’। কিন্তু তার পরও জার্সি চুরি থামল না। তাই কোচ আবারও চিন্তাভাবনা করে নতুন জার্সি তৈরি করলেন। জার্সির পেছনে লিখলেন, ‘মডেল স্কুল থেকে চুরি করা জার্সি’। এবার চুরি বন্ধ হয়ে গেল।

 

♦ শামীম আজকে তার প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়তে এসেছে। আর যায় কোথায়, স্যার ওকে পাকড়াও করলেন। জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী ব্যাপার শামীম, এত দেরি করে এলে কেন? বাড়িতে অন্য কাজ করছিলে বুঝি!’

শামীম গোবেচারার মতো মুখ করে বলল—‘না ,স্যার। আমি তো ঘুমাতে ঘুমাতে স্বপ্ন দেখছিলাম। দেখছিলাম কী, আমি ফুটবল ম্যাচ খেলছি। তো ৯০ মিনিট শেষ হয়ে গেল, কেনো দলই কোনো গোল দিতে পারল না। খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়াল। তাতেও কোনো গোল হলো না। এরপর হলো টাইব্রেকার। তাতে অবশ্য আমরাই জিতলাম। কিন্তু এই অতিরিক্ত সময়ও তো আমাকে ঘুমাতে হলো। নইলে যে খেলাটাই পণ্ড হয়ে যায়। আর তাতেই দেরি হয়ে গেল! কী করব, পুরো খেলা তো নষ্ট হতে দেওয়া যায় না, তাই না, স্যার?’

 

♦ মোকলেস বহু সাধ্য-সাধনা করে রাশিয়া এসেছে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখতে।

অনেকক্ষণ ধরে স্টেডিয়ামে বসে থাকা দেখে এক নিরাপত্তাকর্মী মোকলেসকে বললেন, ‘কী ভাই, ম্যাচ তো অনেক আগেই শেষ হয়েছে। আপনি খালি খালি স্টেডিয়ামে বসে আছেন কেন?’

মোকলেস বলল, ‘আমি তো খেলার হাইলাইটস দেখতে বসে আছি।’

 

♦ পাবনার পাগলদের এক বছর ভালোভাবে ট্রিটমেন্ট করার পর তাদের মানসিক উন্নতি হলো কি না দেখার জন্য একটি পরীক্ষা নেওয়ার আয়োজন করা হলো। একটি পাথরের ফুটবল দিয়ে মাঠে সব পাগলকে ছেড়ে দেওয়া হলো খেলার জন্য। কারণ যার মানসিক উন্নতি হবে, সে কখনো পাথরের বল দিয়ে ফুটবল খেলবে না।

সব পাগল পাথরের বলটিতে আঘাত করতে শুরু করল। শুধু একজন বাদে। চিকিত্সকরা মনে করল যে তার মানসিক উন্নতি হয়েছে। তাই তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল—‘এই, তুমি খেলবে না? সবাই বল দিয়ে খেলা করছে। তার মানে নিশ্চয়ই তুমি ভালো হয়ে গেছ?’

পাগল : না, আমি ভাবছি বলটি কখন ওপরে উঠবে আর আমি হেড নেব!



মন্তব্য