kalerkantho


ভুল সবই ভুল

ফুটবল ইংল্যান্ডের দান

সবাই সত্যি জানে—এমন অনেক কথা পরে যাচাই করে দেখা গেছে, সেগুলো মিথ্যা। লিখছেন আসমা নুসরাত

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ফুটবল ইংল্যান্ডের দান

প্রাচীন চীনে ফুটবল খেলা

খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দেও মানুষ ফুটবল খেলত। গবেষকরা জাপানে ফুটবল খেলার নমুনা খুঁজে পেয়েছেন ১০০৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।

চীন নমুনা দেখিয়েছে ৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের। যখন রোমান সাম্রাজ্যের দোর্দণ্ড প্রতাপ ছিল, তখন তারা যে অলিম্পিক আয়োজন করত তাতে ফুটবল খেলাও যুক্ত ছিল। প্রাচীন গ্রিক আর মিসরীয়রাও খেলত ফুটবল। আজকে পর্যন্ত চালু আছে এমন অনেক আইন তখনো ছিল।

তবে ফুটবল শব্দটি ইংরেজ ভূমিতে তৈরি। সম্ভবত ১২৮০ সালে। অক্সফোর্ড ডিকশনারি বলছে, ফুটবল শব্দটি (খেলা হিসেবে) প্রথম লিখিতরূপে পাওয়া গেছে ১৪২৪ সালে। তখন খেলাটির ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। উল্লেখ্য, ১৩৬৩ সালেই ইংল্যান্ডের রাজা এডওয়ার্ড থ্রি ফুটবলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে ফরমান জারি করেন।

গোলটা বেধেছিল ২০১২ সালে। এফএ প্রিমিয়ার লিগের চেয়ারম্যান স্যার ডেভ রিচার্ডস বলে ফেলেন, ‘ইংল্যান্ডে ডাকাতি হয়েছে। ইংল্যান্ড পৃথিবীকে দিয়েছে ফুটবল। আমরাই ফুটবলের নিয়ম লিখেছি। আমরাই অ্যাসোসিয়েশন তৈরি করেছি। এই ফুটবলই ইংল্যান্ড থেকে চুরি গেছে। ’

এ কথা শোনার পর বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকী শিরোনাম করল, না, ইংল্যান্ড ফুটবল আবিষ্কার করেনি। হ্যাঁ, উনিশ শতকের মধ্যভাগে (১৮৬৩) ইংল্যান্ডেই অ্যাসোসিয়েশন তৈরি হয়েছে। আর অ্যাসোসিয়েশন শব্দটি উল্টেপাল্টেই এসেছে সকার। কিন্তু তার মানে এই নয় যে ইংল্যান্ডের ফুটবলই এখন দুনিয়া খেলছে। বার্সেলোনা ফুটবলকে এখনো অনেক দিচ্ছে। ব্রাজিল দিয়েছে অনেক। ডাচম্যান ইয়োহান ক্রুইফও দিয়েছেন অনেক ফুটবলকে। ফুটবল এগোচ্ছে আর অবদান যুক্ত হচ্ছে অনেকেরই।

আর ফুটবলের আদি ইতিহাস তো জাপান, গ্রিস, চিন লিখে গেছেই। চীনে হান রাজাদের আমলে (খ্রিস্টপূর্ব ২০৬ থেকে ২২০ খ্রিস্টাব্দ) ফুটবল খেলার পরিষ্কার রেকর্ড পাওয়া যায়। চীনা ভাষায় এর নাম সু চু (ইংরেজিতে কিকিং দ্য বল)।


মন্তব্য