kalerkantho


ফেসবুক থেকে পাওয়া

চা, মুড়ি আর বৃষ্টির শব্দ

১২ মে, ২০১৮ ০০:০০



চা, মুড়ি আর বৃষ্টির শব্দ

যখন আমি তৃতীয় কিংবা চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ি, তখন থেকে আমার বৃষ্টির শব্দ খুব পছন্দ।

শুনেছি হুমায়ূন আহমেদের নুহাশপল্লীতে ‘বৃষ্টি বিলাস’ নামে একটা ঘর আছে। টিনের ছাউনি দেওয়া। হুমায়ূন আহমেদ বৃষ্টি পড়লে ওখানে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনতেন। বৃষ্টির শব্দ নাকি তাঁরও খুব পছন্দের ছিল। তাঁর সঙ্গে আমার এ দিকটা কাকতালীয়ভাবেই মিলে গেছে। আমি তখনো হুমায়ূন আহমেদের কোনো বই পড়িনি, তাঁকে চিনতাম না। বড় হওয়ার পর তাঁর সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়ে ভালো লাগল। আমার খুব শখ টিনের ছাউনি দেওয়া কোনো ঘরে কোনো এক বর্ষার সন্ধ্যায় গরম গরম চায়ের মধ্যে একমুঠো মুড়ি দিয়ে চায়ের মধ্যে মুড়িগুলোর চুপসে যাওয়ার শব্দ শুনব। মুড়িগুলো চুপসে গেলে কেমন যেন একটা সুগন্ধি ছড়িয়ে যায় চারপাশে। আর কোনো এক বর্ষার রাতে কাঁথা মুড়ি দিয়ে ফুল স্পিডে ফ্যান ছেড়ে ঘুমাব। আহ্...কী শান্তি। কংক্রিটের এই উঁচু দালানে বৃষ্টি উপভোগ করা যায় না। ওই তো শুধু জানালা দিয়ে হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বৃষ্টির পানি ছোঁয়া যায়। আর ভাগ্য একটু বেশি ভালো হলে হয়তো ছাদে গিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা যায়, কিন্তু আম্মু তা করতে দেবেন না। বন্ধ কাচের জানালার ওপর বেয়ে পড়া বৃষ্টির পানি তেমন আহামরি সুন্দর কিছু না।

 

সানজিদা চৌধুরী আলভী

পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম।


মন্তব্য