kalerkantho

ফ্যাক্টস

১২ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



ফ্যাক্টস

‘২০০১ : আ স্পেস অডিসি’র পোস্টার

❏ চাঁদে মানুষের অবতরণ নিয়ে সমকালের শেষ ছবি। এ ছবি মুক্তির বছরখানেক পরেই মানুষ সত্যি সত্যি চাঁদে অবতরণ করে; যা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন নিল আর্মস্ট্রংয়ের চাঁদে অবতরণের অনেক ফুটেজ এই ছবি থেকেই নেওয়া!

❏ কুব্রিক এ সিনেমায় চাঁদের ভূপৃষ্ঠতলের দৃশ্যগুলো দেখাতে কয়েক টন বালু রং করেছিলেন।

❏ কুব্রিক সিনেমার বীমা করার জন্য আবেদন জানান। তাঁর ভয় ছিল, এ সিনেমা মুক্তি পাওয়ার আগে যদি পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া যায় তাহলে তাঁকে বেশ বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

❏ এ সিনেমায় সংলাপ খুবই স্বল্প। শুরুর ২৫ মিনিট এবং শেষের ২৩ মিনিটে কোনো রকম সংলাপই নেই। সব মিলিয়ে পুরো ছবির ৮৮ মিনিট কোনো সংলাপই নেই। 

❏ এ সিনেমার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকে কাজ করার কথা ছিল বিখ্যাত পিংক ফ্লয়েডের। শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি।

❏ এই ছবি নির্মাণের পেছনে পরিচালকের প্রেরণা ১৯৬০ সালে নির্মিত ‘ইউনিভার্স’ নামের একটি তথ্যচিত্র।

❏ প্রায় পুরো সিনেমাটিই করা হয়েছে স্টুডিওর ভেতরে। ইংল্যান্ড এর শেপারটন স্টুডিও আর এমজিএম ব্রিটিশ স্টুডিওতে। প্রায় ৩০ টন আকৃতির এক বিশাল সেট বানানো হয়। প্রধান সেটটি বানাতে খরচ হয়েছিল সাত লাখ ৫০ হাজার ডলার!

❏ সিনেমায় দেখানো গরিলাগুলোর কস্টিউম, মেকআপ আর ভাবভঙ্গি এতটা নিখুঁত ছিল  যে দর্শকরা ভেবেছিল সত্যিকার গরিলা! আসলে তারা ছিল লন্ডনের এক থিয়েটারের মাইম আর্টিস্ট।

❏ সিনেমার প্রতিটা প্রপ যাতে সম্পূর্ণ বাস্তব আর যুক্তিসিদ্ধ মনে হয় এ জন্য কুব্রিক নাসার অনেক বিজ্ঞানীর সঙ্গে তাঁর সিনেমা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

❏ পরিচালক চেয়েছিলেন সিনেমার প্রতিটা ইফেক্ট  যেন একদম সত্যি মনে হয়। এ জন্য সিনেমার দৈর্ঘ্যের প্রায় ২০০ গুণ বেশি ফুটেজ ধারণ করা হয়!

❏ পুরো সিনেমায় ২০৫টি স্পেশাল ইফেক্টস ব্যবহার করা হয়েছে।

❏ এই ছবির স্পেশাল ইফেক্টসের কাজ ১৮ মাস ধরে চলেছে। খরচ হয়েছে ছবির মোট বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি।

❏ কুব্রিকের এক কাছের বন্ধু বলেছেন, সিনেমার কাজ শেষ হওয়ার পর পরিচালক সিনেমার অনেক অতিরিক্ত ফুটেজ পুড়িয়ে ফেলেছিলেন।

❏ এই সিনেমা ও বইকে সম্মান জানাতে নাসার বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের একটি নভোযানের নাম রাখেন ‘২০০১- মার্স অডিসি’।

❏ ১৯৬৩ সালে ‘অ্যাস্ট্রোবয়’ দেখার পর ছবির শিল্প নির্দেশনার কাজ ওসামু তেজুকাকে দিয়ে করাতে চেয়েছিলেন কুব্রিক; কিন্তু তিনি জাপান থেকে যুক্তরাজ্যে আসার ঝক্কি পোহাতে চাননি, প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেন।

❏ এই ছবির অনুপ্রেরণাতেই ব্রিটিশ গায়ক ডেভিড বোওয়ি তাঁর বিখ্যাত ‘স্পেস অডিসি’ গান তৈরি করেছিলেন।

❏ আগাগোড়া ছবির পুরো কাজের সঙ্গেই কুব্রিক নিজে জড়িত ছিলেন। অভিনেতাদের পোশাকের সুতা থেকে সেটে ব্যবহৃত আসবাব—সব নিজেই দেখভাল করেছেন।

►মামুনুর রশীদ


মন্তব্য