kalerkantho

facebook থেকে

৭ জুন, ২০১৮ ০০:০০



facebook থেকে

দ্য ফাইভ

দ্য ফাইভ

♦          সাল ১৯৯৫। চার বন্ধু মার্ক, পরু, ড্যানি আর স্লেড বনে ঘুরতে যায়। সঙ্গে মার্কের ছোট ভাই জেসি। ছোট হওয়ায় কেউই জেসিকে বিশেষ পাত্তা দিচ্ছিল না। বরং তার উপস্থিতি সবাইকে বিরক্ত করছিল। একপর্যায়ে একা একাই জেসিকে বাড়ি চলে যেতে বলে মার্ক। সেটাই জেসির সঙ্গে মার্কের শেষ দেখা। জেসির নিখোঁজের ঘটনার কিছুদিন পর ভয়ংকর পেডোফাইল সিরিয়াল কিলার জ্যাকব মারোসি গ্রেপ্তার হয়। আর জেসিকে খুন করার কথাও সে স্বীকার করে। এর প্রমাণও পাওয়া যায়। সেই থেকে চার বন্ধু বিশেষ করে মার্ক ভাইয়ের মৃত্যুর দায় বয়ে বেড়াচ্ছে। ওই ঘটনার পর তাঁদের বন্ধুত্বেও ফাটল ধরে। ২০ বছর পর। ড্যানি এখন বেশ সম্ভাবনাময় পুলিশ অফিসার। বর্তমানে সে একজন মহিলার খুনের তদন্তের দায়িত্বে আছে। মহিলার মৃতদেহ এক মোটেলে পাওয়া গিয়েছিল। হঠাৎ মৃতদেহের পাশে থেকে পাওয়া ডিএনএ রিপোর্ট দেখে সে চমকে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান আইনজীবী মার্ককে খবরটা জানায়। মার্কও অবিশ্বাস্য খবর শুনে থ হয়ে যায়। ডিএনএটা জেসির! এদিকে তাদের আরেক বন্ধু ছিন্নমূল শিশুদের আশ্রয়দাতা স্লেড এক রক্তাক্ত মেয়েকে খুঁজে পায়। পাঁচ বছর যাবৎ মেয়েটা নিখোঁজ। কিন্তু তাকে অনেক অনুরোধ করেও পুলিশের কাছে নেওয়া যায় না। মার্ক, ড্যানি, স্লেড নিজেদের মতো তদন্ত করতে থাকে। তদন্তে আরো তথ্য বের হয়ে আসতে থাকে। এর মধ্যেই আরো একটা হোমিসাইড ক্রাইম সিনে জেসির ডিএনএ পাওয়া যায়। জেসি কি তাহলে বেঁচে আছে? সেকি সিরিয়াল কিলার হয়ে উঠেছে? নাকি অন্য কেউ চার বন্ধুকে নিয়ে খেলছে? বিশ বছর আগে বনে কী ঘটেছিল? জানতে হলে দেখতে হবে মিনি সিরিজ ‘দ্য ফাইভ’। হারলান কোবেনের উপন্যাস অবলম্বনে ব্রিটিশ ক্রাইম মিস্ট্রি ড্রামা বেশির ভাগ সময়ই আকৃষ্ট করে রাখে। এটাও ব্যতিক্রম নয়। ব্রিটিশ অন্যান্য সিরিজের তুলনায় বেশ গতিময়। আর অভাবনীয় টুইস্ট তো আছেই।

তাজিম রহমান নিশীথ

সিরিয়ারখোর গ্রুপের পোস্ট


মন্তব্য