kalerkantho

ধারাবাহিক উপন্যাস

পিছন

ইমদাদুল হক মিলন

১০ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



পিছন

ষোলো

আমার এমন হচ্ছে কেন? যখন-তখন সাধুর ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাচ্ছি চোখের সামনে। তার চোখ জিব নাকের ফুটোয় রক্ত—এসব কেন যাচ্ছে না চোখ থেকে? সঙ্গে মরা মানুষের গন্ধটাই বা কেন পাচ্ছি? গলায় দড়ি দেওয়া মানুষ দেখলে কি এমন হয় আমার বয়সী ছেলেমেয়েদের? এ জন্যই কি মা চমকেছিলেন? আব্বা অবাক হয়েছিলেন? আলীরও কি এমন হচ্ছে? কথাটা কি আলীকে জিজ্ঞেস করব?

আলী মুগ্ধ হয়ে আরসির সাইকেল চালানো দেখছে।

চারপাশের মানুষজন দেখছে, পোলাপানের হৈচৈ আমোদ-আহ্লাদ দেখছে। ঘাড় ঘুরিয়ে দেখছে বাড়িঘরের সামনে, বারান্দায় আর ছাদে দাঁড়ানো মহিলাদের, যুবতী মেয়েদের। আলীর বেশ একটা পাকনা ভাব আছে।

মাইকের ঘোষণা চলছেই। দ্রুত নরম হচ্ছে রোদ। চারটা বেজে আসছে। লোকজনের উত্তেজনা বাড়ছে।

একফাঁকে আলীকে আমি ডাকলাম। আলী।

দুহাতে রশি ধরে দাঁড়ানো আলী আমার মুখের দিকে তাকাল। কী?

একখান কথা কমু?

কও।

তার পরই আলী যেন আমার মুখটা খেয়াল করল। কী অইছে তোমার? মুকহান এমুন দেহা যাইতাছে ক্যা?

কেমুন?

মনে অয় জ্বর আইছে তোমার।

আলী আমার কপালে হাত দিল। না তো! জ্বর তো আহে নাই। তয় চেহারা এমুন দেহা যাইতাছে ক্যান তোমার?

আমার খালি সাদুর কথা মনে অয়।

কথাটা বুঝতে পারল না আলী। কার কথা মনে অয়?

সাদুর কথা।

কোন সাদু?

আরে ওই যে কাইল যেই সাদু গলায় দড়ি দিছে...

বুজছি বুজছি। তার কথা ক্যান মনে অইব তোমার?

কইতে পারি না। সাদুর গলায় দড়ি দেওয়া দেহনের পর থিকা আমার খালি সাদুর কথা মনে অয়। খালি দেহি সাদু গলায় দড়ি দিয়া ঝুলতাছে। তার চক্কু দেহি, জিবলা দেহি, রক্ত দেহি। রাইত্রে ঘুম আহে নাই। খালি সাদুরে স্বপ্নে দেকছি। আর...

আর?

খালি মরা মাইনশের গন্দ পাই। বাতাস আইলেই সেই বাতাসে খালি মরা মাইনশের গন্দ।

আলী হেসে ফেলল। তুমি একটা আজিব পোলা। ডর বেশি তোমার। এর লেইগাই খালি সাদুর লাছ দেকতাছ। আর বাতাসে পাইতাছ মরা মাইনশের গন্দ। ধুরো মিয়া।

তোমারও কি আমার লাহান অইছে?

তোমার লাহান কী অইব? সাদুর লাছ, মরা মাইনশের গন্দ? আমার এই সব অয় না। আমার ডরভয় কম। গলায় দড়ি দেওয়া সাদু দেকছি হেই কথা আমার মনেই নাই। বাতাসে মরা মাইনশের গন্দ পাইলেও আমার কিচ্ছু হয় না।

আলী আবার নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেল। অন্য পোলাপানের সঙ্গে গলা মিলিয়ে হৈচৈ করতে লাগল। আনন্দে একেবারে ফেটে পড়ছে সে। পাশে দাঁড়িয়ে আমি আছি আনমনা হয়ে। আমার কিছুই ভালো লাগছে না। চোখে ভাসে সাধুর লাশ। হাওয়ায় পাই মরা মানুষের গন্ধ। চৈত্র মাসের বিকালবেলার রোদেও তাপ অনেক। সেই তাপ যেন টের পাই না।

চারটা বাজার মাত্র পাঁচ মিনিট বাকি। সর্দারদের ওদিকে বসে স্পিকার হাতে ঘোষণার পর ঘোষণা দিচ্ছে ঘোষক। এখন উত্তেজনায় উঠে দাঁড়াল সে। হাতে কালো বেল্টের ঘড়ি। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে গলা ফাটিয়ে বলতে লাগল, ‘ভাইসব, ভাইসব! আর মাত্র পাঁচ মিনিট বাকি। মাত্র পাঁচ মিনিট। পাঁচ মিনিট পরই শেষ হবে পাকিস্তানের স্বনামধন্য সাইকেলচালক জনাব মোখতার আহাম্মেদ আরসির একটানা তিন দিন, অর্থাত্ বাহাত্তর ঘণ্টা সাইকেল চালানো। তার পরই তাঁকে দেওয়া হবে রুপার কাপ। দশ ভরি ওজনের সোনার মেডেল। টাকার মালা পরানো হবে আরো। অপেক্ষা করুন। আর মাত্র...’

লোকের বিপুল উত্তেজনা। আরসি ক্লান্ত বিধ্বস্ত মুখে সাইকেলে পেডেল মারছে। কোলাহলে মুখর হয়েছে চারদিক। পোলাপানের সঙ্গে সমানে চিল্লাচ্ছে আলী। কে যেন একটা স্লোগান ধরেছে। ‘শাবাশ শাবাশ’। অন্যরা গলা মিলিয়ে বলছে, ‘আরসি আরসি’।

এই আনন্দের মধ্যেও আমার মনে শান্তি নেই। এত মানুষের মধ্যে থেকেও আমি যেন আছি একলা হয়ে। আমার চোখ এই উত্সবের মধ্যে থাকছেই না। আমার চোখ চলে যাচ্ছে মাঠ পেরিয়ে দক্ষিণ দিকে। সাধুর আখড়ার দিকে। চৈত্রের রোদ ভেঙে ওদিক থেকে আসছে হাওয়া। হাওয়ায় মরা মানুষের গন্ধ।

চোখের পলকে ফুরিয়ে গেল পাঁচ মিনিট। পারলে মাইক ফাটিয়ে ফেলে ঘোষক। হাবিব সাঈদ আর মোটা শরিফের সঙ্গে আরো কয়েকজন উঠতি যুবক রশির বেড়া গলিয়ে ঢুকে গেল মাঠে। ছুটে গিয়ে ঘিরে ধরল আরসিকে। সবাই মিলে কোলে করে নামাল সাইকেল থেকে। ভিড়ের মধ্যে আরসিকে কয়েক পলক দেখতেই পেলাম না। তারপর দেখি সে আছে তাগড়া জোয়ান এক যুবকের কাঁধে। নাচানাচি চলছে মাঠে। জিন্দাবাদ ধ্বনিতে মুখর চারদিক। বাড়ির মহিলা যুবতীরাও আনন্দে ফেটে পড়ছে। পোলাপানের হৈচৈয়ে কান বয়রা হয়ে যাওয়ার অবস্থা।

আমার মুখে শব্দ নেই। আমি যেন আছি বাক্রুদ্ধ হয়ে। দেখছি সবই আবার কিছুই যেন দেখছি না। শুনছি সবই আবার কিছুই যেন শুনছি না। আলী আমার দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না। সে আছে তাকে নিয়ে।

কাঁধে করে আরসিকে নিয়ে আসা হয়েছে সর্দাররা যেখানে বলেছিল সেই জায়গায়। বেশ একটা জটলা ওখানে। হাবিব সাঈদরা জটলা সরাচ্ছে। মাইকে গণ্ডগোল হৈচৈ না করার ঘোষণা হচ্ছে। জটলা সাফ করার ঘোষণা হচ্ছে। কারণ আরসিকে এখন পুরস্কৃত করা হবে। বাড়ির বউঝিরাও যাতে পুরস্কার দেওয়া দেখতে পারে সে জন্য লোকজনকে শৃঙ্খলাবদ্ধ হয়ে দাঁড়াতে বলা হচ্ছে।

ধীরে ধীরে তা-ই হলো। সর্দারদের মাঝখানে বিনীত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছে আরসি। ওই অবস্থায়ই দু-তিনবার শরীর মোচড়াল সে। হাত-পা এদিক-ওদিক করল। শরীরের আরষ্টতা কাটাচ্ছে।

তিন সর্দার পর্যায়ক্রমে তিনটা টাকার মালা পরাল আরসির গলায়। মাইকে ঘোষণা চলছে। এবার দেওয়া হবে রুপার কাপ।

কাপ তুলে দেওয়া হলো। সব শেষে গলায় পরানো হলো দশ ভরির সোনার মেডেল। আমি তাকিয়ে আছি লোকটার মুখের দিকে। সে নির্বিকার। যেন এসবে কিছুই যাচ্ছে আসছে না তার। এসবের ফাঁকেও সে শরীর মোচড়ানোর চেষ্টা করছে।

আমি তখন অন্য একটা হিসাবে পড়েছি। ছয়টা টাকার মালা পেয়েছে আরসি। ছয় মালায় কত টাকা হবে? রুপার কাপটার দাম কত? দশ ভরি ওজনের সোনার মেডেলটার?

বাপ রে! তিন দিন সাইকেল চালিয়েই তো ধনী হয়ে গেল আরসি। আমি কি বড় হয়ে আরসির মতো সাইকেলচালক হব? তাহলে অনেক টাকা হবে আমার। অনেক সোনা-রুপা হবে।

তখন আবার সেই অবস্থা। চোখে ভাসে সাধুর লাশ। হাওয়ায় আসে মরা মানুষের গন্ধ। আমার কিছু ভাল্লাগে না। ভিড়ের মধ্যে ঢুকে আলী খুবই আমোদফুর্তি করছে। আমি করছি না কিছুই। এখানে দাঁড়িয়ে থাকতেই আমার ভালো লাগছে না।

কী করি? কী করি?

আলীকে কিছু না বলে নিঃশব্দে ভিড় থেকে বেরিয়ে এলাম। বাসায় চলে যাব? বাসায় গিয়ে কী করব? ভাই-বোনরা কেউ এ সময় বাসায় থাকবে না। মনি পলি চলে গেছে মনোরাদের বাসায়। ওদের সঙ্গে গল্পগুজব করছে। হাসি মজা করছে। বাদল ডলি মুকুল হয়তো পুকুরপাড়ের ওদিকটায় গিয়ে খেলছে। মা আছেন সংসারের কাজ নিয়ে। আমি বাসায় গিয়ে কী করব?

সেরুদার বাসায় গেলে কেমন হয়? এবার ঢাকায় এসে তো তার বাসায় যাওয়াই হয়নি। সেরুদার সঙ্গে দেখা হয়নি, ভাবির সঙ্গে দেখা হয়নি। ওই বাসায় যাওয়ার কোনো উত্সাহও ছিল না। লুত্ফন নেই। ওই বাসায় গিয়ে কী করব?

একবার জামাল মিয়ার বাসায় ঢুকব? যে বাসায় আমরা ছিলাম? জহুরা খালা কি ফিরেছে? ফিরলে আমাদের বাসায় যায় না কেন? একবার খবর নেব?

আস্তেধীরে হেঁটে আমি পশ্চিম দিককার গলিতে ঢুকি। জামাল মিয়ার বাড়ির সামনে এসে দাঁড়াই। গেটটা খোলা। গেটের সঙ্গের যে ঘরে আমাদের বাসা ছিল, সেই ঘরের জানালাও খোলা। জানালায় কেউ নেই। জানালা আমার চেয়ে অনেক বেশি উঁচু। তাকালে দক্ষিণ দিককার সাদা দেয়াল দেখা যায়। একবার সেই দেয়ালটা আমি দেখি। খোলা গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকে যাই। সার ধরা পায়খানাঘরগুলো দেখি, কুয়ার পাড়টা দেখি। এক মহিলা লোটা হাতে পায়খানা থেকে বেরোল। কুয়ার পাড়ে বেশ কয়েকজন মহিলা, দুটি কিশোরী মেয়ে ধোয়াপাকলার কাজ করছে। ত্যানা ত্যানা একখানা গামছা পরে একটা লোক মহিলাদের সামনে, কিশোরী মেয়ে দুটোর সামনে দাঁড়িয়ে কুয়া থেকে বালতি ভরে পানি তুলছে আর শরীরে ঢালছে। পুরনো পাতলা গামছার ফাঁক দিয়ে তার শরীরের নিচের দিককার বিশ্রী অংশ দেখা যায়। একবার তাকিয়ে সেদিকে আমি আর তাকাতে পারি না।

আমরা যে ঘরটায় ছিলাম তার পাশের ঘরে নতুন ভাড়াটে এসেছে। অল্পবয়সী একটা বউ। বারান্দায় বসে হাত আয়না মুখের সামনে ধরে মুখে পাউডার ঘষছে সে। মাথার চুল বেণি করা। ঠোঁটে লাগিয়েছে ঠোঁট পালিশ। চেহারা ভালোই। ফরসা গায়ের রং। নাকটা বোঁচা। পরনে কমলা রঙের শাড়ি। বোধ হয় সে কোথাও বেড়াতে যাবে।

এই যুবতীকে দেখে আমার নিয়াসার কথা মনে পড়ে। নিয়াসা, জিন্দাবাহারের নিয়াসা। সারাক্ষণ হাসি আনন্দে মেতে থাকা মেয়ে। একাই মাতিয়ে রাখত সারা বাড়ি। আমাকে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল তার আত্মীয়বাড়ি। ছোট কাটারা না বড় কাটারায় যেন সেই বাড়ি। ঢাকাইয়া কুট্টি নাকি বিহারিবাড়ি? ভারি মিষ্টি চেহারার একটা বউ দেখেছিলাম সেই বাড়িতে।

রাতে মাঝে মাঝে নিয়াসা আমাকে নিয়ে তার কাছে রাখত। স্বামী লোকটা কোথায় কোথায় যে থাকত! দশ পনেরো দিনে একবার হয়তো আসত। আসত গভীর রাতে। বাড়ির কেউ তাকে দেখত না। স্বামীকে নিয়ে নিয়াসা তার খালা না চাচির কাছে খুব কেঁদেছিল সেদিন। আর অনেক কথা বলেছিল। সেসব কথার বেশির ভাগই আমি বুঝিনি। শুধু বুঝেছিলাম, লোকটা তাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। বিয়ে না করে একঘরে তারা থাকে কী করে? এসব রহস্য বুঝিনি। আজও বুঝি না। তবে ওসব কথা আমি কাউকে বলিনি। নিয়াসার জন্য কেন যে আমার খুব মায়া লাগত!

বাড়ির ভাড়াটেরা কেউ কেউ আমাকে দেখে ভিড় করল। এই প্রশ্ন, ওই প্রশ্ন। এক আধবুড়ো মহিলা টিটকিরি দিয়ে বলল, অরা বড়লোক মানুছ। অরা অহন একলা এক বাইতে থাকে। ওই ছেড়া, এই বাইতে আইছস ক্যালা?

আরেকজন বলল, মনে অয় জহুরারে বিচড়াইবার আইছে। ওই ছেড়া, হাচা না? জহুরারে বিচড়াইবার আইছচ না?

আমি কথা বলি না। মাথা নাড়ি।

জহুরা তো এই বাইতে আর থাকে না। ঘর ছাইড়া দিছে। তিন চাইর দিন আগে অর দামাদ আইয়া জিনিছপত্র বেবাক লইয়া গেছে। অগো গেরামের বাজারে বলে দোকান দিব।

আমি আর কারো সঙ্গে কোনো কথা বলি না। জামাল মিয়ার বাড়িতে আর দাঁড়াইও না। রাস্তায় বেরিয়ে মনে হয়, সেরুদার বাসায় যাব না। বাসায়ই চলে যাই।

আবার মনে হয়, এত তাড়াতাড়ি বাসায় গিয়ে কী করব? এখনো সন্ধ্যা হয়নি। আকাশ ভরা বিকালবেলার রোদ। মাঠের দিকে এখনো হৈচৈ। মাইকে আর ঘোষণা নেই, গান বাজছে। উর্দু গান। কেমন এলানো ধরনের নারীকণ্ঠের গান। কে গায়? নূরজাহান?

বাসায় এ সময় সেরুদার থাকার কথা না। সে সারা দিন কোথায় কোথায় থাকে, কী করে না করে কেউ জানে না। মা আব্বা দুজনেই তাকে বলে ‘ভাদাইম্মা’। রুজি রোজগার করতে পারে না। চলে ধার উধার করে। বাসাভাড়া বাকি পড়ে। মাঝে মাঝে দেশে গিয়ে টাকা পয়সা নিয়ে আসে মা-বাবার কাছ থেকে। পাওনাদারদের ভয়ে বাসায় থেকেও বউকে দিয়ে না করিয়ে দেয়। সে বাসায় নাই। পরে আইয়েন।

আশ্চর্যজনকভাবে সেই ভাদাইম্মা লোকটা আজ বাসায়। বারান্দায় বসে আনমনা ভঙ্গিতে লাল আটার রুটি আর এক টুকরা হলুদ রঙের আখিগুড় খাচ্ছে। এক কামড় রুটি খায়, এক কামড় গুড়। মুখটা চিন্তিত, শুকনা। ভাবি বসে আছেন ভিতর দিককার দরজার সামনে। তাঁর কালো মুখ আরো কালো হয়ে আছে। খুবই বিষণ্ন চেহারা।

এই অবস্থায়ও আমাকে দেখে হাসল সেরুদা। আরে মিলুকর্তা? তুমি আইলা কই থিকা?

মাডে গেছিলাম।

ওই বেডার সাইকেল চালান দেকতে?

হ। তয় ভাল্লাগে নাই। এর লেইগা আপনের বাসায় আইলাম।

ভাবি বললেন, আহো, ঘরে আহো।

আমি ঘরে ঢুকলাম না। পরিবেশটা কেমন থমথমে। আমার ভালো লাগল না। ভিতরে কেমন যেন একটা অস্থিরতা। মিনিট দুয়েক দাঁড়িয়ে থেকে বললাম, যাইগা। আবার আমু নে।

না সেরুদা, না ভাবি, কেউ আর কোনো কথা বলল না। আমি সেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাম।

রাতদুপুরে আমাকে নিয়ে বাসায় ভালো রকম ঝামেলা হয়ে গেল।

চলবে..


মন্তব্য