kalerkantho


হুতোমের পাঠশালা

১০ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



হুতোমের পাঠশালা

১১৭৮ সালের ১৮ জুন। সন্ধ্যার পরপর পাঁচ ইংরেজ সন্ন্যাসীর চোখে ধরা পড়ে চাঁদে এক অতিকায় বিস্ফোরণ।

তাঁরা ওই ঘটনার কথা লিখে রাখেন। নাকি খালি চোখেই দেখেছেন চাঁদের নিচের দিকের একটা বড় অংশ বিস্ফোরণের ধাক্কায় ছিন্নভিন্ন হতে। এমনকি তাঁরা আস্ত চাঁদটাকে কেঁপে উঠতেও দেখেছেন। এখনকার বিজ্ঞানীদের ধারণা, ওটা হতে পারে একটা বড়সড় গ্রহাণু। পৃথিবীর দিকেই ছুটে আসছিল ওটা। মাঝে চাঁদটা থাকায় রক্ষা। তা না হলে অত বড় বস্তুটা পৃথিবীতে আছড়ে পড়লে মহাদুর্যোগে পড়ত ওই সময়কার মানুষ।
পৃথিবীতে বসে শক্তিশালী টেলিস্কোপেও আকাশের তারাগুলোকে মনে হবে মিটমিটে সাদা বিন্দু। কিন্তু নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপের কথা আলাদা। ওটা আমাদের গ্যালাক্সির একটা তারার ছবি তুলেছে। নাম তার বিটলগুজ। ওটাই এ পর্যন্ত তোলা কোনো তারার সবচেয়ে বড় ছবি। উপরের কমলা রঙের যে বস্তুটা দেখতে পাচ্ছ, ওটা কিন্তু বিটলগুজের আসল ছবি।
কল্পনা করো, পৃথিবীর যত সাগর ও মহাসাগর আছে, সব ভরাট করে দেওয়া হলো। পৃথিবীটা হয়ে গেল ফুটবলের মতোই মসৃণ গোলক। পৃথিবীর পানি ছড়িয়ে পড়ল এর ওপর। তাহলে কী ঘটত? পানির প্রায় দুই মাইল নিচে চাপা পড়ত সব কিছু!


মন্তব্য