logo
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২১:৩০
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা : পলাতক দণ্ডিত আসামির আত্মসমর্পণ

প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা : পলাতক দণ্ডিত আসামির আত্মসমর্পণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া দুই মামলার মধ্যে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার রায়ে দণ্ডিত পলাতক আসামি সারোয়ার হোসেন মিয়া আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া মুফতি আবদুল হান্নানের ছোট ভগ্নিপতি।

১৭ বছর আগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর জনসভার কাছে বোমা পুঁতে রাখার ঘটনায় দায়ের হওয়া ওই মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ঢাকার ২ নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল আসাামিকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছর কারাদণ্ড প্রদান করেন।

গত ২০ আগস্ট মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়। আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট  ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের পর ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক আবদুর রহমান সরদার আসামিকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামির আইনজীবী লুৎফর রহমান বলেন, আইনের ১৫ (১) ধারার বিধান মতে ১০ আসামিকে অভিযুক্ত করে ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং সারোয়ার হোসেনসহ তিনজনকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন ট্রাইব্যুনাল।

লুৎফর রহমান আরো বলেন, সারোয়ার হোসেন মিয়া মুফতি হান্নানের ছোট ভগ্নিপতি, আর ওই কারণেই তিনি মামলার আসামি। চার্জশিটভুক্ত আসামি হলেও এতদিন মামলা সম্পর্কে কিছুই জানতেন না তিনি। গণমাধ্যমে দণ্ডিত হওয়ার সংবাদ জানতে পেরে স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন সারোয়ার হোসেন মিয়া।

২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার শেখ লুৎফর রহমান সরকারি আদর্শ কলেজ মাঠে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশ করার কথা ছিল। এর দুই দিন আগে ২০ জুলাই জনসভার প্যান্ডেল তৈরির সময়ে ওই কলেজের পাশ থেকে ৭৬ কেজি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। ওইদিনই গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

ঘটনার তদন্ত শেষে ২০০১ সালের ৮ এপ্রিল ওই ঘটনার মামলায় সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মুন্সী আতিকুর রহমান ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে। পরবর্তীকালে রমনা বটমূলে বোমা হামলার মামলায় হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নান স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, তিনি নিজে ও অন্য সহযোগীরা এ ঘটনায় জড়িত।

পরে অধিকতর তদন্ত শেষে ২০০৯ সালের ২৯ জুন মামলায়  মুফতি হান্নানসহ ২৫ জনকে আসামি করে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, একই ট্রাইব্যুনালে একইদিন বিস্ফোরক আইনের আরেকটি মামলায় ৯ আসামিকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বেকসুর খালাস পান চারজন। তবে সেখানে এ আসামির কোনো নাম নেই। 

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com