logo
আপডেট : ১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:১০
সাইফকে গড়তে এসেছেন হল

সাইফকে গড়তে এসেছেন হল

ইউরোপের একাডেমি, ভারত ও আফ্রিকার ক্লাব ফুটবলে যথেষ্ট অভিজ্ঞ উয়েফার এই কোচিং ইনস্ট্রাকটর সাইফের ডাগআউটেই শুধু থাকবেন না, বরং একটি ফুটবল ক্লাব হিসেবেই এটিকে গড়ে তুলবেন—এ ভাবনা কোচের যেমন তেমনি সাইফের ম্যানেজমেন্টেরও।

ক্রীড়া প্রতিবেদক : সাইফ স্পোর্টিং ফুটবলে এসেছে বড় স্বপ্ন নিয়ে। এক বছর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে খেলেই তারা প্রিমিয়ারে উঠেছে। গত বছর সেই প্রিমিয়ারের অভিজ্ঞতায় এ বছর দলটিকে ঢেলে সাজাচ্ছে তারা। তারকা খেলোয়াড় গতবার ছিল মূলমন্ত্র। এবার তারা ঝুঁকেছে তারুণ্যে। তবে জোর দিয়েছে অভিজ্ঞ কোচে। তাতে স্টুয়ার্ট হলকেই আদর্শ মনে হয়েছে তাদের।

ইউরোপের একাডেমি, ভারত ও আফ্রিকার ক্লাব ফুটবলে যথেষ্ট অভিজ্ঞ উয়েফার এই কোচিং ইনস্ট্রাকটর সাইফের ডাগআউটেই শুধু থাকবেন না, বরং একটি ফুটবল ক্লাব হিসেবেই এটিকে গড়ে তুলবেন—এ ভাবনা কোচের যেমন তেমনি সাইফের ম্যানেজমেন্টেরও। কাল ক্লাব কার্যালয়ে হলের পরিচিতি অনুষ্ঠানেই এটা পরিষ্কার হয়েছে। হল বলেছেন, ‘আমি পুনে এএফসিকে গড়ে তুলেছি। একটা নতুন ক্লাবকে আই লিগে তুলে দিয়েছি। আফ্রিকার তানজানিয়ার ছোট্ট একটি ক্লাবকে তাদের ইতিহাসের প্রথম শিরোপা জিতিয়েছি, তাদের আফ্রিকান কনফেডারেশনস কাপে তুলেছি। এটা শুধু দলের ২৫ জন খেলোয়াড় নিয়ে হয়নি। পুরো ক্লাবটিকেই আমাকে গড়ে তুলতে হয়েছে। এই চ্যালেঞ্জটা নিয়েই আমি সাইফে এসেছি।’ জানজিবার, তানজানিয়া, কেনিয়ায় আট বছর কাটিয়ে গত এক মৌসুম ছিলেন তিনি কানাডায়। মেজর লিগ সকারের জন্য নতুন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে কাজ করছিলেন। সেটির কার্যক্রম বছরখানেকের জন্য স্থগিত হয়ে যাওয়াতেই সাইফের ডাকে নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে তিনি এসেছেন।

ক্লাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিরউদ্দিন চৌধুরী বলছিলেন, ‘আমাদের মৌসুম শুরু হতে এখনো কিন্তু অনেক দেরি। এর পরও হলকে নিয়ে এসে নিয়োগ দিয়ে দেওয়াতেই বুঝতে পারছেন আমাদের পরিকল্পনাটা অন্যদের চেয়ে ভিন্ন। আমরা হলকে দিয়েই আমাদের ক্লাবের ফুটবল কাঠামোটা দাঁড় করাতে চাই। উনি আমাদের বয়সভিত্তিক দলগুলোকে নিয়েও কাজ করবেন, সেই দলগুলোর কোচদের নিয়ে কাজ করবেন। আমাদের মূল দলটা এখন বিকেএসপিতে আছে, জানেন যে এবার আমরা একটা তারুণ্যনির্ভর দল করেছি। এই খেলোয়াড়দের নিয়ে তাই প্রচুর কাজ আছে, হল সেটা করবেন।’ হলকে লন্ডনে কোচিং ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে পেয়েছে উয়েফা লাইসেন্স করা মারুফুল হক, বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলির সঙ্গেও তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। হল অকপটে বলেছেন, তাঁদের কাছ থেকে বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে খুব ভালো ধারণা পাননি তিনি, ‘ওরা বলেছে এ দেশের ফুটবলাররা অলস। তার জন্যও কিন্তু দাওয়াই আছে। আমাকে বেত ব্যবহার করতে হবে অথবা অন্যভাবেও অনুপ্রাণিত করা যায়। এসব অভিজ্ঞতা আমার আছে।’ কোচিং ক্যারিয়ারের শুরুতে বার্মিংহাম সিটির একাডেমিতে কাজ করেছেন, সেন্ট ভিনসেন্ট জাতীয় দলের কোচ হিসেবে তাদের অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-২০ দলেরও দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সাইফ গত মৌসুমের দল থেকে একমাত্র জামাল ভূইয়া বাদে বাকি সিনিয়র খেলোয়াড়দের ছেঁটে ফেলেছে, দলের বেশির ভাগই অনূর্ধ্ব-১৮ ও অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় দলের পারফরমার। স্টুয়ার্ট মুখিয়ে আছেন এই তরুণদের নিয়েই তাঁর ক্যারিশমা দেখাতে।

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com