kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

শিবির ছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিতে মাইকিং

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম ও চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি    

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০৫:০৬



শিবির ছাড়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় না দিতে মাইকিং

টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের পর যেসব রোহিঙ্গা নির্দিষ্ট শিবিরে না থেকে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ছে, তাদের বাসাবাড়িতে আশ্রয় না দিতে মাইকিং করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল দুপুর পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ার বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে তল্লাশি ও পেকুয়ায় অভিযান চালিয়ে ৩০ জন রোহিঙ্গাকে আটকের পর উখিয়ার কুতুপালং শিবিরে পাঠানো হয়েছে।

অন্যকে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আটক ২৪ জন রোহিঙ্গাকে কুতুপালং ক্যাম্কে পাঠিয়েছে পুলিশ।  

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাহেদুল ইসলাম বলেন, অনুপ্রবেশের পর শিবির ছেড়ে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়া কোনো রোহিঙ্গা যাতে কারো বাড়িতে আশ্রয় না পায় এবং কেউ তাদের বাসা ভাড়া না দেয় সে জন্য সতর্ক থাকতে ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশও এই বিষয়টি দেখভাল করছে। গ্রামে গ্রামে মাইকিং করতেও বলা হয়েছে।

মহাসড়কের মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ ও সার্জেন্ট মো. রুহুল আমিন কালের কণ্ঠকে জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে গতকাল দুপুর পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি এবং ডুলাহাজারা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়া ২৭ জন রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করা হয়। এর মধ্যে শিশু ও নারীও রয়েছে। তাদের কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে পাঠানো হয়েছে।  

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের খুইন্যাভিটা এলাকা থেকে গতকাল দুপুরে এক যুবতীসহ তিন রোহিঙ্গাকে আটক করেন ওই ইউপির চেয়ারম্যান। এরপর তাদের থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই যুবতীকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানা গেছে।  

চট্টগ্রাম পুলিশ জানায়, ক্যাম্পে পাঠানো ২৪ জনের মধ্যে আটজন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থা থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছে। এ ছাড়া গতকাল দুপুরে নগরের কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকা থেকে ১১ জন ও শাহ আমানত সেতু এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে পাঁচজনসহ ১৬ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছিল।  

এর আগে মঙ্গলবার হাটহাজারীর ফটিকা ইউনিয়ন থেকে ১৯ জন এবং রবিবার সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়ন থেকে ১৮ জনকে আটক করে টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্কে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।


মন্তব্য