kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

‘দেড় কিলোমিটার সড়কে পাল্টে যাবে বাকলিয়াবাসীর জীবনযাত্রার মান’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১২ নভেম্বর, ২০১৭ ০১:৩৯



‘দেড় কিলোমিটার সড়কে পাল্টে যাবে বাকলিয়াবাসীর জীবনযাত্রার মান’

চট্টগ্রাম নগরের সিরাজউদ্দৌলা রোড থেকে শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়ক পর্যন্ত বাকলিয়া এক্সেস রোড নির্মাণের ফলে বাকলিয়াবাসীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামগামী মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোটাই পাল্টে যাবে। যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজতর হওয়ার কারণে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানও বৃদ্ধি পাবে।

 

গতকাল শনিবার দুপুরে বাকলিয়া এক্সেস রোড নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম এসব কথা বলেন। নগরের যানজট নিরসন ও যোগাযোগব্যবস্থা সহজীকরণে সিরাজউদ্দৌলা রোড থেকে শাহ আমানত ব্রিজ পর্যন্ত ২২১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৬০ ফুট প্রশস্ত দেড় কিলোমিটারের সংযোগ সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে সিডিএ সূত্রে জানা গেছে।

আবদুচ ছালাম বলেন, বাকলিয়াবাসীকে নিয়ে অনেক রাজনীতি হয়েছে। অনেকে ওয়াদা করেছে। ভোট শেষ হওয়ার পরে বাকলিয়াবাসীর পাশে ছিলেন না। পদে পদে প্রতারিত হয়েছে বাকলিয়াবাসী। অবহেলিত বাকলিয়াতে আমি পা দেওয়ার দিন থেকেই মানুষের মনের কথা বোঝার চেষ্টা করেছি। কথার ফুলঝুড়ি না শুনিয়ে বাস্তব কাজে হাত দিয়েছি।  

তিনি বলেন, বাকলিয়াকে নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

জলাবদ্ধতা নিরসনেও সর্ববৃহত্ একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ অঞ্চলের মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে। কর্ণফুলী তীর ঘেঁষে করা হবে একটি দৃষ্টিনন্দন সড়ক। সব কিছু মিলে বাকলিয়া হবে একটি আধুনিক উপশহর। পিছিয়ে থাকা বাকলিয়াতে আধুনিক সুবিধার সমন্বয় ঘটাতে সব সময় তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছি।

এক্সেস রোডের কারণে বাকলিয়াবাসী মাত্র পাঁচ মিনিটে মূল শহরে আসতে পারবে জানিয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, বাকলিয়া থেকে মূল শহরে যাওয়ার জন্য আগে সাত-আট কিলোমিটার ঘুরতে হতো। এখন মাত্র দেড় কিলোমিটার পথেই যাওয়া যাবে। এতে মাত্র পাঁচ মিনিট সময়ে মূল শহরে প্রবেশ করতে পারবে এখানকার মানুষ। বাকলিয়াবাসী আগে কখনো সেটা হয়তো কল্পনাও করতে পারেনি। মাত্র দেড় কিলোমিটার সড়কের জন্য ২২১ কোটি টাকা অনুমোদন দেবে সেটাও কল্পনার বাইরে ছিল।  

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন সিডিএ বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন শাহ, কে বি এম শাহজাহান, হাজি শফিকুল ইসলাম, কাউন্সিলর এ কে এম জাফরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ ছগির, আবদুল করিম সওদাগর প্রমুখ।

সিডিএর প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসের সভাপতিত্বে ও সহকারী অথরাইজড অফিসার মোহাম্মদ ওসমানের পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম খান, সিডিএ উপসচিব অমল গুহ প্রমুখ।


মন্তব্য