kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

দুই ইউপি সদস্যের বিরোধ

রাউজানে কোপানো গুলিতে জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি

রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০২:২৯



রাউজানে কোপানো গুলিতে জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি

রাউজানের পাহাড়তলী এলাকায় দুই ইউপি সদস্যের বিবাদ ঘিরে একপক্ষের গুলি ও কোপানোর ঘটনার পর হামলাকারী কয়েকজন গা ঢাকা দিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তার করে অস্ত্র উদ্ধার ও শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে আহতরা। ওই ঘটনায় গতকাল শনিবার রাতে থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছিল।

গুলিবিদ্ধ হাজি আবদুল কুদ্দুস তালুকদার-সবুরা বেগম দম্পতির ছেলে এরশাদ গত রাতে বলেন, 'মা-বাবাকে গুলি করার ঘটনায় মামলা করার জন্য বাবাকে নিয়ে আমি পুলিশের কাছে এসেছি। মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাতের মধ্যে মামলা হবে।'

পাহাড়তলী ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন বলেন, 'হামলা ও গুলির ঘটনায় আহত বৃদ্ধ আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে মামলা করবেন।' তিনি আরো বলেন, 'যারা শান্ত পাহাড়তলীতে অস্ত্রবাজি করে অশান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে এলাকার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ করা হবে। সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃতীয় পক্ষের কোনো শক্তি কাজ করছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা অস্ত্রধারীদের ধরে পুলিশে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছি।'

ওই ঘটনায় আহত পাহাড়তলী ঊনসত্তপাড়া এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামরুল ইসলাম ও তার চাচাতো ভাই জামাল উদ্দিন হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানান।

পাহাড়তলী ইউনিয়নের ঊনসত্তপাড়া গ্রামের গৌরশংকর হাটে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামরুল ইসলাম ৩ নম্বর ওয়ার্ডের একটি নির্মাণাধীন পাকা ভবনসহ বিভিন্ন নির্মাণাধীন ঘরে ইট-বালু সরবরাহ করে আসছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আমীর হোসেন ও তাঁর সঙ্গী সালাউদ্দিন, বাচাসহ অন্যরা। এ নিয়ে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় আমীর ও কামরুলের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।

এরপর আমীর হোসেনের সমর্থকরা গৌরশংকর হাটে গিয়ে কামরুল ইসলাম ও জামাল উদ্দিনকে মারধর করে। সাদ্দাম হোসেন নামের এক যুবককে কুপিয়ে জখম করা হয়। পার্শ্ববর্তী এরশাদের ঘরে গুলি চালানো হলে তাঁর বাবা বৃদ্ধ হাজি আবদুল কুদ্দুস তালুকদার ও তাঁর স্ত্রী বৃদ্ধা সবুরা বেগম গুলিবিদ্ধ হন।


মন্তব্য