kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পুলিশকে গুলির ঘটনায় আসামির স্বীকারোক্তি

আকস্মিক গ্রেপ্তার এড়াতেই গুলি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০১:২৫



আকস্মিক গ্রেপ্তার এড়াতেই গুলি

চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানার দুই নম্বর গেট এলাকায় তল্লাশি চৌকিতে পুলিশ সদস্যকে গুলির ঘটনায় জড়িত আরো তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর মধ্যে খোকন নামের একজন এএসআই আব্দুল মালেককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল রবিবার ভোরে গ্রেপ্তার হওয়া ওই তিন আসামি হলো মো. খোকন চৌধুরী, আয়মান জিহাদ ও মাহি। এর মধ্যে খোকন ও আয়মানকে আনোয়ারা উপজেলা ও মাহিকে নগরীর রহমাননগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিকেলে ওই তিনজনকে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মেহনাজ রহমানের আদালতে সোপর্দ করা হয়। সেখানে আসামিরা রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দি শেষে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্র ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খোকন আদালতে জবানবন্দিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার কথা স্বীকার করেছে। এ ছাড়া অস্ত্রটি ফারুক নামের এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে সংগ্রহ এবং ঘটনার পর তা আবার তাকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথাও জানায় সে। বাকি দুই আসামিও ঘটনার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

আসামিদের দেওয়া তথ্য বিশে্লষণ করে পাঁচলাইশ থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েনি। পুলিশের হাতে আকস্মিক তল্লাশিকালে গ্রেপ্তার এড়াতে গুলি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তারা।

এ বিষয়ে নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আব্দুল ওয়ারিশ বলেন, ঘটনার সময় ব্যবহৃত অস্ত্রটি এখনো উদ্ধার করা যায়নি। তবে চেষ্টা চলছে।

পুলিশ জানায়, আসামি খোকন ও আয়মানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মাহিকে গ্রেপ্তার করা হয়। খোকন চৌধুরী একটি রিকশার গ্যারেজে কাজ করে। আর নগরীর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে ২০১৫ সালে এসএসসি পাস করা মাহির চলতি বছর 'ও লেভেল' পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে আয়মান ও খোকনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা আছে বলে তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

এর আগে গত শুক্রবার বিকেলে নগরীর পাঁচলাইশে তল্লাশি চৌকিতে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।


মন্তব্য