kalerkantho


প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন

মোসাদ্দেক আলী ফালুর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ আগস্ট, ২০১৭ ০০:৩৬



মোসাদ্দেক আলী ফালুর স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক

প্রায় চার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সম্পদ বিবরণী কমিশনে জমা দেয়ার অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলাটি করেন। অভিযোগটি দীর্ঘ অনুসন্ধান শেষে অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য প্রমানদীসহ মামলার করার অনুমতি চেয়ে কমিশনের কাছে অনুসন্ধান প্রতিব্দেন জমা দেন উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম। পরে অনুসন্ধান প্রতিবেদনটি যাচাই বাছাই শেষে কমিশন মামলার জন্য অনুমোদন দেন।

দুদকের উপ-পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য কালের কণ্ঠকে বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মোসাদ্দেক আলী ফালুর স্ত্রী মাহাবুবা সুলতানার বিরুদ্ধে দুদক মামলা করেছে। উপপরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি করেন।

দুদক সুত্রে জানা গেছে, দুদকে আসা অভিযোগের প্রেক্ষিতে মোসাদ্দেক আলী ফালুর স্ত্রী মাহাবুবা সুলতানার নামে সম্পদ বিবরণী জমা দিতে বলা হয়। দুদকের নির্দেশনার পর স্ত্রীর মাহাবুবা সুলতানা পক্ষে সম্পদ বিররনী দাখিল করেন স্বামী মোসাদ্দেক আলী ফালু। ওই সম্পদ বিবরণীতে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ৮১ হাজার ৮০৬ টাকার সম্পদ বিবরণী জমা দেন। মাহাবুবা সুলতানার সম্পদ বিবরণী পেয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক। দুদকের অনুসন্ধানী কর্মকর্তার দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেড়িয়ে আসে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪৭২ টাকার অবৈধ সম্পদ ভোগ দখলের চিত্র।


 
দুদক সূত্রে আরো জানা গেছে, সম্পদের আয়ের উত্স হিসেবে দেখানো হয়েছে মাছের চাষ ও গরুর খামার থেকে ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৬ হাজার ৮৬৩ টাকা। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে মাছের কিংবা গরুর খামারের কোন অসি্তত্ব পায়নি দুদক। অন্যান্য উত্স থেকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ২৮২ টাকার সমর্থনে কোন দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আর ব্যবসায় বিনিয়োগকৃত ২ কোটি টাকা আয়ের স্বপক্ষেও কোন প্রমাণাদী দেখাতে পারেনি ফালুর পরিবার।

এমনকি বনানীর বাড়িতে বিনিয়োগকৃত ৬৬ লাখ ৭৭হাজার ৩২৭ টাকার কোন প্রমাণ পায়নি দুদক। অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য প্রমাণাদী ও রেকর্ডপত্রের ভিত্তিতে ৯ কোটি ৫৭ লাখ ৮১ হাজার ৮০৬ টাকার সম্পদের মধ্যে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ৮৮ হাজার ৪৭২ টাকাই জ্ঞাত আয়বহিভূর্ত সম্পদ।


মন্তব্য