kalerkantho


ব্লগার অভিজিৎ হত্যায় আড়াই বছর ধরে চলছে তদন্ত

আদালত প্রতিবেদক   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০০:৫১



ব্লগার অভিজিৎ হত্যায় আড়াই বছর ধরে চলছে তদন্ত

ফাইল ছবি

একুশের বইমেলা থেকে ফেরার পথে সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের গেটের সামনে উপস্থিত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও হাজারো জনতার সামনে লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়কে সস্ত্রীক কুপিয়ে দুর্বত্তরা বীরদর্পে চলে যায়। অথচ হত্যার পর আড়াই বছরে সন্দেহভাজন হিসাবে আটজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও তদন্তে কোন সুরাহা হয়নি।

 

প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় তদন্তকারী গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিলে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন। এর প্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন মাজিস্ট্রেট গোলাম নবী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ফের আগামী ১৬ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।

এ মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান প্রতিবেদন দিতে আরও সময় প্রয়োজন মর্মে আদালতে আবেদন করেন।  আদালতে শাহবাগ থানার প্রসিকিউশন কর্মকর্তা তোজাম্মেল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৮টি তারিখ ধার্য হয়েছে।  

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশের বইমেলা থেকে ফেরার পথে রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিএসসির সামনে হাজার হাজার মানুষের সামনে দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যাকে। মারাত্মক আহত অবস্থায় তাদেরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টা ২০ মিনিটে অভিজিৎ মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তার স্ত্রী বন্যাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।

ঘটনাস্থলের পাশ থেকে পুলিশ রক্তমাখা দুটি চাপাতি ও একটি স্কুলব্যাগ উদ্ধার করে।

এ ঘটনার পরের দিন অভিজিতের বাবা শিক্ষাবিদ ড. অজয় রায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে রাজধানীর শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।  

এ মামলার নথিদৃষ্টে দেখা যায়, হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসাবে এখনও পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার হয়েছে। সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য বলে গ্রেপ্তার করা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড শেষে তারা বর্তমানে কারাগারে। এরা হলেন, জাফরান হাসান, শফিউর রহমান ফারাবী, তৌহিদুর রহমান, সাদেক আলী, আবুল বাশার, জুলহাস বিশ্বাস, আমিনুল ইসলাম ও মান্না ইয়াসির ওরফে রাহীর।


মন্তব্য