kalerkantho


কাকরাইলে মা-ছেলে হত্যা : মুক্তার স্বীকারোক্তি, স্বামী কারাগারে

আদালত প্রতিবেদক   

১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ২২:২৩



কাকরাইলে মা-ছেলে হত্যা : মুক্তার স্বীকারোক্তি, স্বামী কারাগারে

রাজধানীর কাকরাইলে মা ও ছেলেকে হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বামীর তৃতীয় স্ত্রী শারমিন আক্তার মুক্তা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্যদিকে নিহতের স্বামী আবদুল করিমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দ্বিতীয় দফায় মঞ্জুর হওয়া তিনদিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে আজ মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর হাকিম আহসান হাবিব তার খাসকামরায় আসামির দেওয়া জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

একই সঙ্গে রিমান্ড ফেরত নিহতের স্বামী আবদুল করিমকে কারগারে পাঠানোর আদেশ দেন পৃথক হাকিম মজহারুল ইসলাম।  

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক আলী হোসেন আসামিদের আদালতে হজির করেন। এক প্রতিবেদন দাখিল করে আসামি মুক্তা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে চায় মর্মে আবেদন করেন। পৃথক প্রতিবেদনে নিহতের স্বামী আবদুল করিমকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।

গত ১০ নভেম্বর দুই আসামির দ্বিতীয় দফায় তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। গত ৩ নভেম্বর প্রথম দফায় তাদের ছয়দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল।
 
এছাড়া, এ মামলার ঘটনার মুল পরিকল্পনকারী শারমিন আক্তার মুক্তার ভাই আল আমিন ওরফে জনি গত ৮ নভেম্বর আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়।

গত ৫ নভেম্বর জনির ছয়দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। গত ৪ নভেম্বর দিবাগত রাত ৩টায় গোপালগঞ্জ থেকে জনিকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৩।

পহেলা নভেম্বর কাকরাইলের পাইওনিয়র গলির ৭৯/১ নম্বর বাসার গৃহকর্তা আবদুল করিমের প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহার করিম (৪৬) ও তার ছেলে শাওনকে (১৯) গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

ঘটনার পরদিন রাতে নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী বাদী হয়ে রমনা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করে। মামলায় আবদুল করিম, তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তা ও মুক্তার ভাই জনিসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনার পরের দিনই শামসুন্নাহার করিমের স্বামী আবদুল করিম ও করিমের দ্বিতীয় স্ত্রী মডেল শারমিন মুক্তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


মন্তব্য