kalerkantho


বনানীতে দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলা

আসামি পক্ষে বাদীকে জেরা পরবর্তী দিন ২৬ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০৫:৪৯



আসামি পক্ষে বাদীকে জেরা পরবর্তী দিন ২৬ নভেম্বর

বনানীর রেইনট্রি হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় সাফাত আহমেদ ও তার দুই বন্ধুসহ পাঁচজনের পক্ষে বাদীকে জেরা অব্যাহত রয়েছে।  

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ তৃতীয় দিনের মতো জেরা করা হয়।

জেরা শেষ না হওয়ায় আবার ২৬ নভেম্বর নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে।

গত ১৭ অক্টোবর ধর্ষণের শিকার এক শিক্ষার্থী বাদীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শফিউল আজম। ওইদিনই সাক্ষীকে আসামি নাঈম আশরাফের পক্ষে আইনজীবী জেরা করেন। আংশিক জেরা করার পর শুনানি মুলতবি করা হয়। গতকাল পর্যন্ত নাঈম আশরাফের পক্ষে জেরা করেন তাঁর আইনজীবী এ বি এম খায়ুরুল ইসলাম লিটন। নাঈম আশরাফের পক্ষে জেরা শেষ হয়েছে। আগামী ধার্য তারিখে বাকী আসামিদের পক্ষে জেরা করা হবে।

গতকাল সকালেই ধর্ষেণের শিকার দুই শিক্ষার্থী সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনালে হাজির হন। ট্রাইব্যুনাল দুপুরে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে বলে সময় নির্ধারণ করে দেন।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ‘ক্যামেরা ট্রায়াল’-এর মাধ্যমে বাদীর জেরা করা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের সময় শুধু বাদী, আসামি এবং উভয় পক্ষের আইনজীবী এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। অন্য কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

গত ১৩ জুলাই আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদেও ছেলে সাফাত আহমেদ, তার বন্ধু ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ‘ই-মেকার্স’-এর কর্মকর্তা নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিম, ঢাকার পিকাসো রেস্তোরাঁর মালিক রেগনাম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে সাদমান সাফিক এবং সাফাতের গাড়িচালক বিলস্নাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

গত ১৯ জুন সাফাত আহমেদ ও তার বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সাফাতের বন্ধু সাদমান সাফিক, গাড়িচালক বিলস্নাল হোসেন ও সাফাতের দেহরক্ষী রহমত আলীর বিরম্নদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগ আমলে নেন একই ট্রাইব্যুনাল। গত ৮ জুন আদালতে পাঁচ আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত্ম কর্মকর্তা ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পুলিশ পরিদর্শক ইসমত আরা এমি।


মন্তব্য