kalerkantho


সন্তানকে ইসলামী শিক্ষাবঞ্চিত রাখলে অভিভাবক দায়ী

সাজিদুর রহমান সাজিদ   

২৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৬:২৯



সন্তানকে ইসলামী শিক্ষাবঞ্চিত রাখলে অভিভাবক দায়ী

সন্তানাদি মহান স্রষ্টা আল্লাহপাকের পক্ষ থেকে আমানত। এ আমানতকে রক্ষা করতে হবে। সন্তানদের সঙ্গে এমন আচরণই করতে হবে, যা তার শারীরিক প্রবৃদ্ধির জন্য সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সহায়ক। তাদের এমন শিক্ষাই দিতে হবে, যা তাদের মনন ও মানস গঠনে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখে।
 
মানবজন্মের উদ্দেশ্যই হলো মহান স্রষ্টা আল্লাহকে পরিচয় করা। আজকে যারা শিশু, তারা একদিন বড় হবে, তাদের ওপর আল্লাহর বিধান মানার দায়িত্ব অর্পিত হবে। কোনো নিয়ম বা বিধান না জানলে মানা যায় না। তাই সন্তানদের এমন শিক্ষা দিয়ে গড়ে তুলতে হবে, যাতে সে আল্লাহর বিধান মেনে সিরাতে মুস্তাকিমের ওপর সহজে চলতে পারে। জেনে-বুঝে চলতে পারে, সহি-শুদ্ধভাবে আমল করতে পারে। তার না জানার দায় যেন তার পিতামাতা বা অন্য কারো ওপর চাপিয়ে দিতে না পারে। পিতামাতাকে দায়িত্বসচেতন থাকতে হবে। কারণ, সন্তানদের উপযুক্ত শিক্ষা দিয়ে গড়ে তোলার দায়িত্ব পিতামাতার বা অভিভাবকের। এজন্যে সন্তানকে ইসলামী-শিক্ষা অবশ্যই দিতে হবে। সেই সঙ্গে সন্তানাদির উন্নত চরিত্রগঠন, ভদ্রতা, শিষ্টাচার এবং ব্যবহারিক জীবনে আমলের অভ্যাস তৈরি করতে দীক্ষাও দিতে হবে। মহানবী সা. ইরশাদ করেন- "কারো তার সন্তানকে আদব তথা শিষ্টাচার শিক্ষা দান করা একসা' (একটি পরিমাপ) শস্য আল্লাহর রাস্তায় সদকা করা থেকেও উত্তম।" (তিরমিযি শরীফ) নবীজি সা. আরো ইরশাদ করেন- "কোনো পিতা তার সন্তানকে ভালো আদব তথা শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়া থেকে উত্তম কোনো পুরস্কার দিতে পারে না।" (তিরমিযি শরীফ) নবীজি সা. আরো ইরশাদ করেন- "তোমরা নিজ সন্তানদের বয়স সাত বছর হলে নামাযের নির্দেশ দান করো, দশ বছর বয়সে নামায না পড়লে শাস্তি দান করো এবং ঘুমানোর সময় তাদের বিছানা পৃথক করে দাও।" (আবু দাউদ শরীফ) 
 
মানবতার মহান শিক্ষক নবী কারীম সা. সন্তান জন্মের বহু আগ থেকেই ভালো ও নেক সন্তান কিভাবে জন্ম নেবে, কিভাবে তাদের প্রতিপালন করতে হবে, কিভাবে শিক্ষার পাশাপাশি দীক্ষাও দিতে হবে- এ ব্যাপারে মূল্যবান নির্দেশনা দান করেছেন।
 
প্রথম নির্দেশনা : সন্তান লাভ করার নিমিত্তে মানুষ যে বিয়ে করে, সে যেন দ্বীনদার ভালো মেয়েকে বিয়ে করে, কোনো বদদ্বীন, দুশ্চরিত্র মেয়েকে যেন বিয়ে না করে। ভদ্র, চরিত্রবান ও দ্বীনদার মেয়েকে যেন পাত্রী হিসেবে নির্বাচন করে। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে- "হযরত আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সা. ইরশাদ করেন- চারটি বৈশিষ্ট্যের মধ্য থেকে কোনো একটি বৈশিষ্ট্য দেখে মহিলাকে বিয়ে করা হয়। মহিলার ধন-সম্পদ দেখে, তার বংশমর্যাদা দেখে, তার রূপ দেখে কিংবা তার দ্বীনদারি দেখে। তুমি মহিলাকে তার দ্বীনদারি দেখে বিয়ে করো, জীবনে সুখী হতে পারবে।" (মিশকাত শরীফ) 
 
এভাবে মেয়ের পিতামাতা তথা অভিভাবককে বলা হয়েছে, কোনো ফাসিক ফাজির ও দুশ্চরিত্র লোকের কাছে তোমার মেয়েকে বিবাহ দেবে না। বরং দ্বীনদার ও মোত্তাকি পরহেজগার লোকের নিকট বিয়ে দেবে। এমন লোকের কাছ থেকে প্রস্তাব এলে কোনো দ্বিধা না করে সাদরে সে প্রস্তাব গ্রহণ করবে। নবী কারীম সা. ইরশাদ করেন- "এমন লোকের পক্ষ থেকে যদি তোমার মেয়ে বিয়ের প্রস্তাব আসে, যার দ্বীনদারি ও চরিত্রকে তুমি পছন্দ করো, তাহলে তার কাছে বিয়ে দিয়ে দাও। এটা যদি না করো, তাহলে জমিনে ফেতনা ও নানা বিপর্যয় দেখা দেবে।" (মিশকাত শরীফ) 
 
নবীজির এসব নির্দেশনা ওপর আমল করে পিতামাতা দ্বীনদারি অবলম্বন করলে তাদের ঔরসে নেককার সন্তানাদি জন্ম নেবে।
 
দ্বিতীয় নির্দেশনা : মিলিত হওয়ার সময় ইসলামী বিধি মানতে হবে। একেবারে বিবস্ত্র হওয়া যাবে না। লজ্জাস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করা যাবে না। মিলিত হওয়ার পূর্বে নির্ধারিত দোয়া পড়তে হবে। দোয়াটি না জানলে কোনো আলিমের নিকট থেকে শিখে নিতে হবে।
 
তৃতীয় নির্দেশনা : সন্তান জন্মলাভ করার পর শরীর পরিচ্ছন্ন করে তার ডান কানে আযান ও বাম কানে ইকামাত দিতে হবে। আযানে প্রথমে চারবার "আল্লাহু আকবার" বলে বাচ্চার মন-মস্তিষ্কে এ কথা বসিয়ে দিতে হবে, দুনিয়াতে কারো শক্তি আল্লাহর শক্তি থেকে বেশি নয়। আল্লাহই সবচে' বড় শক্তিশালী, মহাপরাক্রান্ত এবং মাপ্রতাপান্বিত। তিনি বিদ্যমান। সদা সর্বদা ছিলেন, আছেন ও থাকবেন। তারপর দু'বার "আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলে আল্লাহর একত্ববাদের বাণী কানে পৌঁছিয়ে তার অবচেতন মনের কাছে এ দাবি রাখা হবে, আল্লাহর একত্ববাদের প্রচার-প্রসারে কারো ভয়ে ভীত হওয়া যাবে না। অতঃপর দু'বার "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" বলার মাধ্যমে এমন পবিত্র ব্যক্তিত্বের রিসালাতের ঘোষণা দান করতে হবে, যার মাধ্যমে আমরা কুফুর ও শিরকের অন্ধকার থেকে বের হয়ে তাওহীদ ও ঈমানের আলোর ময়দানে পদার্পণ করেছি। আল্লাহর অস্তিত্ব, তার একত্ববাদ এবং নবীজির রিসালাত ঘোষণার পর দু'বার "হাইয়্যা আলাস সালাহ" বলে ইসলামের সবচে' বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত নামাযের দাওয়াত দেয়া হবে। দু'বার "হাইয়্যা আলাল ফালাহ" বলে চিরস্থায়ী সফলতা যে নামাযের মধ্যেই নিহিত আছে, সেই নামাযের প্রতি পুনর্বার আহ্বান ব্যক্ত করা হবে। সবশেষে দু'বার"আল্লাহু আকবার" এবং একবার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এর মাধ্যমে এ কথা বলা হবে, মুসলমানের জীবনে সফলতা আর কামিয়াবি তখনই আসবে, যদি জীবনের সূচনায় তাওহীদ অন্তরে বদ্ধমূল হয় এবং তাওহীদি বিশ্বাস নিয়ে নেক আমলের ওপর জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে।
 
চতুর্থ নির্দেশনা : কোনো বুযুর্গ আলেমকে দিয়ে তাহনিক করাবে। তাহনিক হলো- বাচ্চাকে কোনো বুযুর্গ আলেমের নিকট নিয়ে যাবে। তিনি বরকতের জন্য দোয়া করবেন এবং খেজুর চিবিয়ে নরম করে বাচ্চার মুখের তালুতে লাগিয়ে দেবেন, যাতে বাচ্চা চেটে চেটে নিঃশেষে খেয়ে নেয়। এভাবে সাহাবায়ে কেরামও নবীজিকে দিয়ে তাদের নবজাতকদের তাহনিক করাতেন এবং বরকতের জন্য দোয়া করাতেন। হযরত আয়েশা রাযি. বলেন- "নবীজির কাছে বাচ্চাদের নিয়ে আসা হতো। তিনি তাদের বরকতের জন্য দোয়া করতেন এবং তাদেরকে তাহনীক করতেন। অর্থাৎ- খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখের তালুতে লাগিয়ে দিতেন।" (মিশকাত শরীফ)
 
পঞ্চম নির্দেশনা : নবীজি সা. ইরশাদ করেন- "যার ঘরে বাচ্চা জন্মলাভ করবে, সে যেন বাচ্চার সুন্দর নাম রাখে এবং তাকে আদব তথা শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়।" (মিশকাত শরীফ) বাচ্চার জন্য অর্থপূর্ণ ভালো নাম রাখতে হবে। যাতে এ নামে বাচ্চার বরকত হয় এবং তার কামিয়াবির কারণ হয়। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে- "আল্লাহ নিকট সবচে' পছন্দনীয় নাম হলো আব্দুল্লাহ ও আব্দুর রহমান।" অন্য হাদীসে বর্ণিত হয়েছে- "তোমরা আম্বিয়ায়ে কেরামের নামে তোমাদের বাচ্চাদের নাম রাখো।" 
 
ষষ্ঠ নির্দেশনা : বাচ্চার যখন মুখ ফুটবে, কথা বলতে শিখবে, তখন তাকে কালেমার তালিম দিবে। ইসলামী জ্ঞানে সমৃদ্ধ ভালো সচ্চরিত্রবান শিক্ষকের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষা দান করবে। সময় মত ধর্মীয় বিদ্যালয়ে ভর্তি করাবে। যত্নসহকারে প্রয়োজনীয় ইসলামিশিক্ষা দান করবে। সে মোতাবেক আমল করে কি-না, খেয়াল রাখবে। আমল সুন্দর করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করবে, প্রয়োজনে চাপ সৃষ্টি করবে। 
 
প্রয়োজনীয় ইসলামী শিক্ষা দান করার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষাও দান করবে। দুনিয়ার লাইনে যত বড় শিক্ষিতই হোক, কোনো অসুবিধে নেই। বরং এটাও কাম্য। তবে ধর্মীয় শিক্ষা আরো বেশি কাঙ্ক্ষিত, এটাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষা- এটা কল্যাণকর। আর ধর্মীয়শিক্ষা বিবর্জিত জাগতিক শিক্ষা- সকল অকল্যাণ ও পাপাচারের প্রতিভূ। সন্তানকে জাগতিক শিক্ষা দেবার জন্য অর্থ-বিত্ত খরচ করলেন, ইসলামি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখলেন- এটা সন্তানের জন্য কল্যাণকামিতা নয়। এটা বাচ্চার সঙ্গে দুশমনি, নিজের সঙ্গেও দুশমনি। এর জন্য আল্লাহর দরবারে জবাবদেহি করতে হবে। দোষী সাব্যস্ত হতে হবে। মহনবী সা. ইরশাদ করেন- "যে ব্যক্তি দুনিয়াকে ভালোবেসে অগ্রাধিকার দেয়, সে আখেরাতের ক্ষতি করে। আর যে ব্যক্তি আখেরাতকে ভালোবেসে অগ্রাধিকার দেয়, সে তার দুনিয়ার ক্ষতি করে। সুতরাং ক্ষণস্থায়ী জিনিসের ওপর চিরস্থায়ী জিনিসকে অগ্রাধিকার দাও।" (রাওয়াহু আহমদ) কোনো তত্ত্বজ্ঞানী বলেছেন- "মানুষের বন্ধু এবং কল্যাণকামী হলো সেই ব্যক্তি, যে তার আখেরাতকে সুন্দর ও শান্তিময় করার চেষ্টা করে; যদিও এতে তার দুনিয়ার কিছু ক্ষতি হয়ে যায়। আর মানুষের শত্রু হলো সেই ব্যক্তি, যে তার আখেরাতের ক্ষতি করার চেষ্টা করে; যদিও এতে তার দুনিয়ার কিছু ফায়েদা হয়ে যায়।" (মাজালিসুল আবরার)
 
পিতামাতা যদি সত্যিই সন্তানের কল্যাণকামী হয়ে থাকেন, অবশ্যই সন্তানের ইসলামি শিক্ষাদানকে অগ্রাধিকার দান করবেন। কারণ, এতে আখেরাতে নিজেরাও বাঁচবেন, সন্তানাদিও বাঁচবে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন- "দোজখের আগুন থেকে তোমরা নিজেরাও বাঁচো এবং তোমাদের পরিবারবর্গকেও বাঁচাও।" (সূরা তাহরীম, আয়াত-৭)
 
স্মরণ রাখতে হবে, সন্তান বিগড়ে গিয়ে বদদ্বীন হওয়ার সমস্ত জিম্মাদারি পিতামাতা এবং অভিভাবকের ওপর বর্তাবে। সন্তানকে যে রকম শিক্ষা-দীক্ষা দেয়া হবে, সে সেভাবেই গড়ে ওঠবে। নবী কারীম সা. ইরশাদ করেন- "প্রতিটি সন্তানই ফিতরাত তথা ইসলাম গ্রহণ করার পূর্ণ যোগ্যতা নিয়ে জন্মলাভ করে। কিন্তু তার পিতামাতা শিক্ষা-দীক্ষার মাধ্যমে তাকে ইহুদি, খ্রিস্টান বা অগ্নিপূজক বানায়।" (মিশকাত শরীফ) বর্ণিত হাদীস দ্বারা বুঝা যায়- সন্তানের মন-মানস, চরিত্র-অভ্যাস, লাইফস্টাইল ও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি পিতামাতা প্রদত্ত শিক্ষা-দীক্ষা দ্বারা প্রভাবিত হয়। পিতামাতা যেভাবে প্রতিপালন করবেন- যে ধরনের শিক্ষা-দীক্ষা দান করবেন, সন্তান সেভাবেই বেড়ে ওঠবে। কিয়ামত দিবসে পিতাকে তার সন্তানাদি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে- "তুমি সন্তানকে কী শিক্ষা দিয়েছিলে এবং কী ধরনের ভদ্রতা ও শিষ্টাচার শিখিয়েছিলে?"
 
সন্তানের শারীরিক প্রতিপালনের পর সবচে' বড় কর্তব্য হলো, সন্তানকে এমন যোগ্য করে গড়ে তোলা- যাতে সে আল্লাহর কাছে সম্মানিত হয় এবং জাহান্নাম থেকে বাঁচতে পারে। তাকে এমন শিক্ষা-দীক্ষা দান করা- যাতে সে নবীজির আদর্শ অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। নামায-রোযা ইত্যাদির পাবন্দি করে।  যাতে তার মনে আখেরাতের ফিকির পয়দা হয়। কোনো অবস্থায়ই ইসলামিশিক্ষাকে অবজ্ঞা করা চলবে না। যথাযত গুরুত্বসহকারে ইসলামিশিক্ষা দিতে হবে। সহি-শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে হবে। কারণ, হাদীসে বর্ণিত হয়েছে- "প্রয়োজন পরিমাণ দ্বীনী ইলিম শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর ওপর ফরয।" (ইবনে মাজাহ) কোনোরকমে নাজেরা কোরআন পড়িয়ে দিলেই কিংবা "তালিমুল ইসলাম" জাতীয় ছোট কোনো কিতাব পড়িয়ে দিলেই দ্বীনীশিক্ষা অর্জন করার ফারযিয়্যাত আদায় হবে না। বরং বালেগ হওয়া থেকে নিয়ে মৃত্যু পর্যন্ত তাকে যা যা আমল করতে হবে, যে যে বিশ্বাস পোষণ করতে হবে এবং যা যা পরিহার করে চলতে হবে- এসব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করতে যে পরিমাণ ইলমের প্রয়োজন, তা অর্জন করা ফরয।
 
পিতামাতা, অভিভাবক বা রাষ্ট্র যদি নব প্রজন্মকে ইসলামিশিক্ষা থেকে মূর্খ রাখেন, নামায-রোযা ইত্যাদি আমল-বন্দেগিতে অভ্যস্ত করে গড়ে না তোলেন, ইসলামী আদর্শ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করার অভ্যাসি না বানান এবং জাহান্নাম থেকে বেঁচে জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা দেখিয়ে না দেন- তাহলে কিয়ামত দিবসে এ নব প্রজন্মই তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে বিচার দায়ের করবে। তখন কী হবে? জীবন ও জগতের স্বার্থে, আমাদের স্বার্থে এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা উচিৎ। আল্লাহ সকলকে বুঝবার তাওফিক দান করুন।
 
লেখক : মুহাদ্দিস, জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা  মুহাম্মদপুর, বিয়ানীবাজার, সিলেট


মন্তব্য