kalerkantho


অন্যদের বাঁচিয়ে চলে গেলেন পৃথুলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



অন্যদের বাঁচিয়ে চলে গেলেন পৃথুলা

নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারওয়েজের ফ্লাইটটির কো-পাইলট ছিলেন পৃথুলা রশীদ। গত সোমবার উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হলে তিনিও মারাত্মক আহত হন। কিন্তু এ অবস্থাতেও বেশ কিছুু যাত্রীকে উদ্ধার পেতে সহায়তা করেন তিনি। একপর্যায়ে নিথর হয়ে যান তিনি।

পৃথুলা যাদের তাঁর আশপাশে পেয়ে প্রাণ বাঁচাতে সহায়তা করেন, তাদের বেশির ভাগই ছিল নেপালের যাত্রী। ‘সিকিম মেসেঞ্জার’ নামের একটি ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, ‘নেপালি নাগরিকদের বাঁচাতে গিয়ে বাংলাদেশি কন্যা তাঁর নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। অন্যের জীবন বাঁচাতে গিয়ে কাঠমাণ্ডুতে এই বাংলাদেশি তরুণী পাইলট মারা গেছেন।’

ইউএস-বাংলার প্রথম নারী বৈমানিক ছিলেন পৃথুলা। তিনি ঢাকার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার পর উড়োজাহাজ চালানোর প্রশিক্ষণ নেন আরিরাং এভিয়েশন থেকে। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে ইউএস-বাংলায় যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

পৃথুলার মৃত্যু সংবাদের পর বেসরকারি রিজেন্ট এয়ারওয়েজের কো-পাইলট তাসনুভা ওয়াদুদ নীলর্মী গত সোমবার ফেসবুকে লেখেন : পৃথুলা রশিদ, তুমি চিরদিন আমার হৃদয়ে থাকবে। তুমি ছিলে তরুণ, উজ্জ্বল এবং দুর্দান্ত এক বৈমানিক। সদা হাসিতে সর্বত্র আনন্দ ছড়িয়ে দিতে। তুমি ছিলে বড় হৃদয়ের অধিকারী। জীবন খুবই অনিশ্চয়তার, কে জানত যে এটা শুরুর আগেই শেষ হয়ে যাবে। সৃষ্টিকর্তা তোমায় খুবই ভালোবাসে তাই তোমাকে এই অবেলায় নিয়ে গেল। তুমি কখনো ভুলে যাওয়ার নও, ছোটবোন।’

 



মন্তব্য