kalerkantho


নারী সিইওদের আয় ৯% বাড়লেও সংখ্যা বাড়েনি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ আগস্ট, ২০১৭ ০৯:৫৯



নারী সিইওদের আয় ৯% বাড়লেও সংখ্যা বাড়েনি

কম্পানির শীর্ষ পদে নারীদের আয় বাড়লেও বাড়েনি সিইও হিসেবে নারীর সংখ্যা। সম্প্রতি ডাটা ফার্ম ইক্যুয়লার এবং অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক বিশ্লেষণ প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর নারী প্রধান নির্বাহীরা (সিইও) বড় অঙ্কের অর্থ আয় করলেও তাদের অল্প সংখ্যকই মূলত শীর্ষ পদে ছিলেন।

২০১৬ সালে গড়ে একজন নারী সিইওর আয় ছিল ১৩.১ মিলিয়ন ডলার, যা ২০১৫ সালের চেয়ে ৯ শতাংশ বেশি। এর বিপরীতে পুরুষ সিইওর আয় ছিল ১১.৪ মিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৯ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী সিইওর মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ ছিলেন নারী। ২০১৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৫ শতাংশ। গত বছর সবচেয়ে বেশি উপার্জনকারী নারী সিইও ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস করপোরেশনের ভার্জিনিয়া রোমেটি। তিনি ইয়াহুর সিইও ম্যারিসা মেয়ারকে সরিয়ে এ স্থানে এসেছেন। গত বছর রোমেটি আয় করেছেন ৩২.৩ মিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৬৩ শতাংশ বেশি। আর গত বছর মেয়ার আয় করেছেন ২৭.৪ মিলিয়ন ডলার। গত বছর সবচেয়ে বেশি আয়কারী তৃতীয় নারী ছিলেন পেপসিকোর ইন্দ্রা নুয়ি।

২০১৬ সালে তিনি আয় করেছেন ২৫.২ মিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি। তার পরের অবস্থানে ছিলেন জেনারেল মোটরস কম্পানির সিইও ম্যারি বারা। তিনি আয় করেছেন ২২.৪ মিলিয়ন ডলার।
শীর্ষ পদে থাকাদের মধ্যে সবচেয়ে কম আয় করেছেন আমেরিকান ওয়াটার ওয়ার্কস করপোরেশনের সুসান স্টোরি। তিনি আয় করেন ৪.১ মিলিয়ন ডলার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিইও হিসেবে নারীদের সংখ্যা বাড়াতে কম্পানিগুলোকে আরো কাজ করতে হবে। সার্চ ফার্ম চ্যাডিক এলিগের সহকারী সিইও জ্যানিস এলিগ বলেন, 'কম্পানিগুলো নারীদের ব্যাপারে অসচেতনভাবে পক্ষপাত করছে। ফলে নারীরা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা পেলে তাঁরা সিইও হওয়ার পথে সঠিক ট্র্যাকে থাকতে পারতেন। ' তিনি বলেন, 'কম্পানিগুলোকে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে লিঙ্গবৈষম্য অবশ্যই রয়েছে। যদি আপনি একটি সমস্যাকে স্বীকার না করেন তবে এর সমাধানও করা সম্ভব হবে না। '
সূত্র : এপি।

 


মন্তব্য