kalerkantho


রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৬ শতাংশ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ এপ্রিল, ২০১৮ ১৩:১১



রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৬ শতাংশ

ছবি অনলাইন

চামড়া ও প্লাস্টিক রপ্তানিতে সুখবর না থাকলেও চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৬.৩৩ শতাংশ। যদিও এ আয় গত আট মাসের তুলনায় কিছুটা কম। চলতি অর্থবছরের গত আট মাসে এ আয় ছিল ৭.৩৬ শতাংশ। গতকাল মঙ্গলবার রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবির দেওয়া পরিসংখ্যানেও এমন তথ্যই উঠে এসেছে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চে) রপ্তানি আয় হয়েছে দুই হাজার ৭৪৫ কোটি ইউএস ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৫৮১ কোটি ডলার। সেই হিসাবে গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে আয় বেশি হয়েছে ৬.৩৩ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ মেয়াদে রপ্তানিতে লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই হাজার ৭৫৫ কোটি ডলার। আর একক মাস হিসেবে মার্চে এর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩১৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আলোচ্য মাসে রপ্তানি হয়েছে ৩০৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের পণ্য। এ আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩.১৯ শতাংশ কম। গত অর্থবছরের একই সময় থেকে ১.৩৮ শতাংশ কম।

অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে নিট পোশাক রপ্তানি করে আয় হয়েছে এক হাজার ১৩২ কোটি ১১ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ২.৩ শতাংশ বেশি। এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ১০৯ কোটি ৬২ লাখ ডলার। এ সময়ে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১.৬১ শতাংশ বেশি আয় হয়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে আয় হয়েছিল এক হাজার ১৪ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। গত জুলাই থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি করে এক হাজার ১৫১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার আয় হয়েছে, যা আগের অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় ৬.৭৫ শতাংশ বেশি। আর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৪.৩ শতাংশ বেশি। এ সময়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ১০৬ কোটি ৬৮ লাখ ডলার। আর গত অর্থবছরে একই সময়ে এ খাতে আয় হয়েছিল এক হাজার ৭৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার। স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাত ও হোম টেক্সটাইল খাতের প্রবৃদ্ধি ও লক্ষ্যমাত্রাও ইতিবাচক। এ ছাড়া হিমায়িত জীবন্ত মাছ, চামড়াজাত পণ্যসহ বেশির ভাগ পণ্যেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হওয়ার পাশাপাশি ভালো প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

জানতে চাইলে রপ্তানিকারকদের সমিতি এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি) সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী কালের কণ্ঠকে বলেন, দেশের রপ্তানি আয়ে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল ওই অবস্থা থেকে বের হয়ে এসেছি। আমাদের প্রত্যাশা, বছর শেষে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হব।’



মন্তব্য