আলীকদম উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান
শেয়ার
আলীকদম উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল কালামকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দায়ের করা অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্যে বান্দরবানের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালক ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব দীপক কুমার চক্রবর্তী স্বাক্ষরিত ডাকযোগে পাঠানো পত্রটি (স্মারক নম্বর ২১১ তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭) সংশ্লিষ্টদের হাতে পৌঁছেছে। 

সুত্র জানায়, উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা থাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্যে স্থানীয় পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তি আবুল কালামকে তার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানান। ২০১০ সালে আলীকদম উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিনা আকতার তাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আলীকদম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবুল কালামের বিরুদ্ধে ওই মামলা দায়ের করেন।

 

সূত্র জানায়, আলীকদম উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অং শৈ থোয়াই মারমা, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এম কফিল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি উইলিয়াম মারমা, আলীকদম প্রেসক্লাব সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমদ ও ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল হামিদ বিচারাধীন মামলার আসামী হিসেবে ‘চেয়ারম্যান’ পদে বহাল থাকার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে গত ৭ ফেব্রুয়ারি এই আবেদন জানান। 

বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করে আবুল কালাম পরপর দু’বার আলীকদম উপজেলা পরিষদেও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

মন্তব্য

সম্পর্কিত খবর

'গোসলে নামা নিষেধ' সতর্কীকরণ বার্তাও মানছে না পর্যটকরা

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
শেয়ার
'গোসলে নামা নিষেধ' সতর্কীকরণ বার্তাও মানছে না পর্যটকরা
ছবি: কালের কণ্ঠ

‘বিপদজনক পুকুর, গোসলে নামা নিষেধ’ কর্তৃপক্ষের লেখাটি রয়েছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পট সাদা মাটির পাহাড়ের এক পাশে একটি সাইনবোর্ডে। কিন্তু সেখানে ঘুরতে আসা পর্যটকেরা মানছে না এমন সতর্কীকরণ। এতে ঘটতে পারে প্রাণহানির ঘটনা।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে গেলে সাদা মাটির পাহাড়ের লেকের পানিতে নেমে অনেক পর্যটকদের গোসল করার এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

আরো পড়ুন
দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা : ফজলুর রহমান

দেশে ইলেকশন আনার চেষ্টা করতেছি আমি একা : ফজলুর রহমান

 

ঈদের ছুটি কাটাতে সীমান্তবর্তী নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার পর্যটন স্পটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বেড়াতে আসছেন পর্যটকেরা। কেউ আসছেন পরিবার নিয়ে, কেউ আসছেন দম্পতি, আবার কেউ আসছেন বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করছেন তারা। ঈদের প্রথম দিন থেকেই যেন ঢল নেমেছে বিজয়পুরের সাদা মাটির পাহাড়ে।

তাদের মধ্যে অনেকেই পানিতে গাঁ ভাসাতে নেমে যাচ্ছেন লেকের পানিতে গোসলে। তবে এমন আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হতে পারে কারণ এ লেকের পানিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। 

এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন বলছে, একটি মাত্র সাইনবোর্ড চোখে পড়ছে না পর্যটকদের তবে প্রবেশ পথে বড় সাইনবোর্ড কিংবা ব্যানার টানানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তথ্য বলছে, গত বছরের ২ জুন গাজীপুর থেকে পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে এসে এই সাদা মাটির পাহাড়ের পানির লেকে গোসলে নেমে সুমন মিয়া (২১) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়।

এর আগেও ঘটেছে এমন মৃত্যুর ঘটনা।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক আলী হোসেন। পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। তার সঙ্গে আসা সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন গোসলে নেমেছেন এই সাদা মাটির লেকের পানিতে। নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির কথা বললে উত্তরে তিনি বলেন, সাইনবোর্ডটি আমাদের চোখে পড়েনি।

আরো পড়ুন
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড

 

আল আমিন নামের একজন বলেন, আমরা মুন্সিগঞ্জ থেকে ঘুরতে এসেছি কোন স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ আমাদের জানা নাই। এখানে গোসল করতে নেমে গেছি, সাইনবোর্ড টাও আমার চোখে পড়েনি যদি পড়তো তাহলে নামতাম না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর কালের কণ্ঠকে বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। যে সাইনবোর্ডটি রয়েছে অনেক পুরানো তাই মানুষের চোখে পড়ছে না। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সেখানে বড় সাইনবোর্ড বা বড় আকারে ব্যানার লাগানো হবে। তাছাড়াও গ্রাম পুলিশের মাধ্যমেও সচেতনতা করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য
সাদা মাটির পাহাড়

সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড না মেনে গোসলে নামছেন পর্যটকেরা

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
শেয়ার
সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড না মেনে গোসলে নামছেন পর্যটকেরা
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিপদজনক পুকুর, গোসলে নামা নিষেধ- কথাটি লেখা রয়েছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পট সাদা মাটির পাহাড়ের এক পাশে। এর পাশেই রয়েছে একটি পুকুর। কিন্তু সেখানে ঘুরতে আসা পর্যটকরা মানছেন না এমন সতর্কীকরণ। এতে ঘটতে পারে প্রাণহানির ঘটনা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে গেলে সাদা মাটির পাহাড়ের লেকের পানিতে নেমে অনেক পর্যটকদের গোসল করার এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

আরো পড়ুন
১৮ বছর কাটিয়েছেন বিমানবন্দরে, মেহরান কারিমি নাসেরির অদ্ভুত জীবন

১৮ বছর কাটিয়েছেন বিমানবন্দরে, মেহরান কারিমি নাসেরির অদ্ভুত জীবন

 

ঈদের ছুটি কাটাতে সীমান্তবর্তী নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার পর্যটন স্পটগুলোতে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বেড়াতে আসছেন পর্যটকেরা। কেউ আসছেন পরিবার নিয়ে, কেউ আসছেন দম্পতি আবার কেউ আসছেন বন্ধুদের সঙ্গে দল বেঁধে। প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করছেন তারা।

ঈদের প্রথম দিন থেকেই যেন ঢল নেমেছে বিজয়পুরের সাদা মাটির পাহাড়ে। তাদের মধ্যে অনেকেই পানিতে গাঁ ভাসাতে নেমে যাচ্ছেন লেকের পানিতে গোসলে। তবে এমন আনন্দ মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হতে পারে কারণ এ লেকের পানিতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

উপজেলা প্রশাসন বলছে, একটি মাত্র সাইনবোর্ড চোখে পড়ছে না পর্যটকদের তবে প্রবেশ পথে বড় সাইনবোর্ড কিংবা ব্যানার টানানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো পড়ুন
কেরানীগঞ্জে ফোম কারখানায় আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

কেরানীগঞ্জে ফোম কারখানায় আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

 

তথ্য বলছে, গত বছরের ২ জুন গাজীপুর থেকে পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে এসে এই সাদা মাটির পাহাড়ের পানির লেকে গোসলে নেমে সুমন মিয়া (২১) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়। এর আগেও ঘটেছে এমন মৃত্যুর ঘটনা।

ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে পর্যটক আলী হোসেন ঘুরতে এসেছেন। তার সঙ্গে আসা সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন গোসলে নেমেছেন এই সাদা মাটির লেকের পানিতে। নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির কথা বললে উত্তরে তিনি বলেন, ‘সাইনবোর্ডটি আমাদের চোখে পড়েনি।

আল আমিন নামের একজন বলেন, ‘আমরা মুন্সিগঞ্জ থেকে ঘুরতে এসেছি। কোন স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ আমাদের জানা নাই। এখানে গোসল করতে নেমে গেছি, সাইনবোর্ড টাও আমার চোখে পড়েনি যদি পড়ত তাহলে নামতাম না।’

আরো পড়ুন
রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে ফেসবুক-বন্ধু গ্রেপ্তার

রাজবাড়ীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে ফেসবুক-বন্ধু গ্রেপ্তার

 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিষয়টি আমারও নজরে এসেছে। যে সাইনবোর্ডটি রয়েছে অনেক পুরনো তাই মানুষের চোখে পড়ছে না। তবে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সেখানে বড় সাইনবোর্ড বা বড় আকারে ব্যানার লাগানো হবে। তাছাড়াও গ্রাম পুলিশের মাধ্যমেও সচেতনতা করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য

চরের জমিতে তরমুজ চাষে বিপ্লব

এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
এম আনোয়ার হোসেন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
শেয়ার
চরের জমিতে তরমুজ চাষে বিপ্লব

যতদূর দৃষ্টি যায় শুধু সবুজ লতার ফাঁকে ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে সবুজ তরমুজ। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে তরমুজের আবাদ, বাতাসে দোল খাচ্ছে গাছের লতা। দেখে মনে হবে মাটির মধ্যে তরমুজ ফেলে রাখা হয়েছে। শ্রমিকরা জমি থেকে তরমুজ তলে টুকরি ভর্তি করে কাভার্ড ভ্যান ও ট্রাকে তুলছে।

পাইকাররা এসব তরমুজ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। এমনই চিত্রের দেখা মিলে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের চরাঞ্চলের পতিত জমিগুলোতে। এখানে বাণিজ্যিকভাবে তরমুজ চাষে বিপ্লব ঘটেছে, এবার প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে শত কোটি টাকার তরমুজ বাজারজাত করার আশাবাদী কৃষকরা।
তিন বছরের ব্যবধানে চাষের পরিধি বেড়েছে কয়েকগুন। 

আরো পড়ুন
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড

এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ড

 

স্থানীয়রা জানায়, মিরসরাইয়ের চরাঞ্চলে যারা তরমুজ চাষ করছেন তারা নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচার উপজেলার বাসিন্দা। আগে সেখানকার মাঠে মাঠে তরমুজ চাষ হলেও একই জমিতে বারবার তরমুজ চাষ করায় সেসব জমি চাষের উপযোগীতা হারিয়েছে। মিরসরাই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় চাষিরা খোঁজ নিয়ে এখানে তরমুজ আবাদ করছেন।

মিরসরাইয়ের চরাঞ্চলে প্রত্যেক বছর রবি মৌসুমে ইছাখালী, মঘাদিয়া, মায়ানী ও সাহেরখালী ইউনিয়নের চরের অধিকাংশ জায়গা পতিত হয়ে পড়ে থাকতো। সেসব পতিত জমির মাটিগুলো ল্যাবে পরীক্ষা করেন নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার তরমুজ চাষিরা। এরপর দোঁআশ মাটি (বালিযুক্ত) ও উপযুক্ত পরিবেশ হওয়ায় ২০২২ সালে প্রথম মিরসরাইয়ে বাণিজ্যিকভাবে ১৪৫ একর জমিতে তরমুজ শুরু করেন নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম। ফলন ভালো হওয়ায় পরের বছর তাকে অনুসরণ করে আরো বেশ কয়েকজন তরমুজ চাষ করেন। 

স্থানীয় কৃষকদের থেকে ৩ মাসের জন্য প্রতি একর জমি ১৫ হাজার টাকা খাজনায় বর্গা নেন চাষিরা।

এরপর ৪ ইউনিয়নে তরমুজ চাষ ছড়িয়ে পড়ে। এখানে এবার চাষকৃত তরমুজের জাতের মধ্যে অন্যতম বাংলালিংক, শ্যুট ফ্যামিলি, ড্রাগন কিং, গ্রীন ড্রাগন, ব্লাক বেবী, গ্লোরি জাম্বু, পাকিজা, বিগ ফ্যামিলি, ড্রাগন বিউটি, আস্থা, সুগার, ভিক্টর সুগার, ড্রাগন কিং। চলতি বছর প্রায় ১ শ কৃষক তরমুজ আবাদ করেছেন। এসব তরমুজ ক্ষেতে কাজ করছেন প্রায় ২ হাজার শ্রমিক। এবার উপজেলার ইছাখালী, মঘাদিয়া, মায়ানী ও সাহেরখালী ইউনিয়নে প্রায় ১২’শ একর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। ২০২৪ সালে আবাদ হয়েছিল ৪৭৫ একর জমিতে। ২০২৩ সালে চাষ হয় ১৭৫ একর জমিতে। ২০২২ সালে আবাদ হয় ১৪৫ একর জমিতে।

তরমুজ চাষি আবু জাফর বলেন, ‘এবার আমি প্রায় ৬০ একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। আশা করছি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো বিক্রি করতে পারবো।’
 
চাষি সানা উল্ল্যাহ বলেন, ‘এবার আমি ১২ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। প্রতি একরে দেড় লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আশা করছি একর প্রতি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবো। ইতিমধ্যে ৮ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করেছি।’

আরো পড়ুন
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

 

ইসমাইল হোসেন সুমন বলেন, ‘আমরা ৫ জন মিলে ৩৫ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ফলনও ভালো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এক কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি সম্ভব হবে।’

তরমুজ চাষি ইকবাল হোসেন বলেন, ‘চাষাবাদ ও বাজারজাত সুবিধা থাকায় এবং দোঁআশ মাটি হওয়ায় তরমুজ চাষ করেছি। আকারে অনেক বড় এবং সুস্বাদু হওয়ায় বাজারেও রয়েছে এসব তরমুজের বেশ চাহিদা। ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররা এসে সরাসরি ক্ষেত থেকে এসব তরমুজ কিনে নিয়ে যান।’

মঘাদিয়া ইউনিয়নের কাজীরতালুক গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের এখানকার স্থানীয় জমির মালিক থেকে সুবর্ণচরের তরমুজ চাষিরা প্রতি একর ১৫ হাজার টাকা করে তিন মাসের জন্য বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ করছেন। আমরা তাদের সব সময় বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছি।’

মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ চন্দ্র রায় বলেন, ‘এখানকার মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় ক্রমান্বয়ে চাষের পরিধি বাড়ছে। এবার ১২শ একর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। তরমুজ চাষে পরিশ্রম বেশি হলেও অন্যান্য রবি শস্য থেকে এটাতে ৩ গুণ বেশি লাভ হয়। সুবর্ণচর উপজেলার চাষিরা এখানে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া এবং বাজারে দাম ভালো থাকলে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন তরমুজ উৎপাদন হবে। যার বাজার মূল্য প্রায় শত কোটি টাকা।’

প্রাসঙ্গিক
মন্তব্য

ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
শেয়ার
ঠাকুরগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান
ছবি: কালের কণ্ঠ

ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণসহ জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিযান ও জনসচেতনতা  প্রচারণা পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁও পৌরশহরের পুরাতন বাস স্ট্যান্ড গোরচত্বর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় দুর্ঘটনা এড়াতে মোটরসাইকেলের বৈধ কাগজপত্র, বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কারসহ বিভিন্ন যানবাহন তল্লাশি চালায় সেনাবাহিনী।

আরো পড়ুন
কেরানীগঞ্জে ফোম কারখানায় আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

কেরানীগঞ্জে ফোম কারখানায় আগুন, কোটি টাকার ক্ষতি

 

সেনাবাহিনীর দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার কুতুবউদ্দীন বলেন, ‘এই অভিযান আগামীকাল শুক্রবার (৪ এপ্রিল) পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

মন্তব্য

সর্বশেষ সংবাদ