kalerkantho


জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন

মঠবাড়িয়ার লতীফ ইনস্টিটিউশন জাতীয়করণ দাবি

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর    

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৮:১০



মঠবাড়িয়ার লতীফ ইনস্টিটিউশন জাতীয়করণ দাবি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশনকে (মডেল প্রকল্পভুক্ত) অবিলম্বে জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আজ শনিবার সকালে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক শিক্ষার্থীসহ ঢাকায় বসবাসকারী মঠবাড়িয়ার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধন শেষে প্রেস ক্লাবের সামনের সড়কে সাবেক শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধা এমাদুল হক খানের সভাপতিত্বে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন সাবেক শিক্ষার্থী অভিনেতা শঙ্কর সাওজাল, রঞ্জন কর্মকার, ডা. এম নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মজিবুল হক খান মজনু, আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর, সাংবাদিক আজমল হক হেলাল, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা তাজ উদ্দিন আহম্মেদ, কলেজ শিক্ষক জুলহাস শাহিন, চিত্রশিল্পী চঞ্চল কর্মকার, যুবলীগ নেতা বরকত হোসেন হাওলাদার, শাহরিয়ার সিদ্দিক, সরওয়ার হোসেন,  ছাত্রলীগ নেতা আরিফুর রহমান সিফাত প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ১৯২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মঠবাড়িয়া সদরের প্রাণকেন্দ্রে ১৫ দশমিক ৮৪ একর জমিজুড়ে ঐতিহ্যবাহী মডেল কে এম লতীফ ইনস্টিটিউশনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৪৬ সালে এটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৮৫ সালে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হয়। বিদ্যালয়টি দক্ষিণ উপকূলে মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারে অনন্য অবদান রেখে চলেছে। মেধা তালিকায় চারবার প্রথম স্থানসহ (১৯৬৬, ১৯৬৭, ১৯৮২, ১৯৮৪) একাধিকবার মেধা তালিকায় সম্মানজনক স্থান লাভ করে। বর্তমানে বিদ্যালয়টি কো-এডুকেশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী নিয়মিত লেখাপড়া করছে। দুইটি আবাসিক ছাত্রাবাসে দূরদূরান্তের শিক্ষার্থী অবস্থান করে পড়াশুনা করছে।

৩৭ জন শিক্ষক ও ৯ জন কর্মচারী এখানে কর্মরত।

এসএসসি ও জেএসসির ফল অনুযায়ী প্রতিবছর উপজেলা ও জেলায় এখনো সগৌরবে শীর্ষ স্থান অর্জন করে আসছে। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৭-এ জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃতিত্ব অর্জন করে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আজও প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণের আওতাবঞ্চিত। মডেল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্কুলটি জাতীয়করণ না হওয়ায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা  বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ।


মন্তব্য