kalerkantho


সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ দস্যু নিহত

বাগেরহাট প্রতিনিধি   

১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১০:৪৯



সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ দস্যু নিহত

সুন্দরবনে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে দুই জলদস্যু নিহত হয়েছে। আজ বুধবার সকালে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার বলেশ্বর নদীর কাতলার খালে জলদস্যু আব্বাস বাহিনীর সাথে আধাঘণ্টা ধরে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

একপর্যায়ে দস্যুরা পিছু হটলে বন তল্লাশি করে দুই দস্যুর মৃতদেহ উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা। এ সময় দস্যুদের আস্তানা থেকে তাদের ব্যবহৃত ৭টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, ১২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

নিহত দুই সদস্যু হচ্ছেন আব্বাস বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড ইউসুফ ফকির এবং ওই বাহিনীর অন্যতম কিলার রুহুল আমিন।

এ ব্যাপারে র‌্যাব বরিশাল ৮-এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার হাসান ইমন আল রাজীব জানান, সুন্দরবনের কাতলার খাল এলাকায় একদল জলদস্যু ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবর পেয়ে র‌্যাব সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে সুন্দরবনে অভিযান শুরু করে। বুধবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে র‌্যাব সদস্যরা সেখানে পৌঁছালে বনের মধ্যে থেকে দস্যুরা র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। এ সময় র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। আধাঘণ্টা ধরে গোলাগুলির একপর্যায়ে দস্যুরা পিছু হটলে বন তল্লাশি করে আব্বাস বাহিনীর দুই দস্যুর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় দস্যুদের ৭টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব জানায়, জলদস্যু আব্বাস বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় জেলেদের নৌকা ও ট্রলারে ডাকতি করে জাল ও মাছ লুট এবং জেলেদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছে।

ওই দস্যু বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ আছে।

ব্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিহত দস্যুর মৃতদেহ এবং অস্ত্র ও গুলি শরণখোলা থানা পুলিশে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

জানা গেছে, র‌্যাবের কঠোর তৎপরতার কারণে ২০১৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত সুন্দরবনের প্রায় অর্ধশত জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছে। এ সময় দস্যুরা বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র এবং গুলি জমা দিয়েছে।


মন্তব্য