kalerkantho


ডিমলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৯:৫৭



ডিমলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

ছবি : কালের কণ্ঠ

নীলফামারীর ডিমলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের একটি গাছ কাটার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। গাছটি কর্তন করে বিক্রয়ের উদ্যেশ্যে বিদ্যালয় ভবনের পেছনে মজুদ করেছেন বলে উল্লেখ করা হয় ওই অভিযোগে। তবে প্রধান শিক্ষক অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করেছেন।

অভিযোগে বলা হয় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাহফুজুর রহমান বিদ্যালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণের পর বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্থিত দীর্ঘদিনের পুরোনো একটি মেহগিনি গাছ গোপনে কর্তণ করে বিদ্যালয় ভবনের পেছনে লুকিয়ে রেখে অবৈধভাবে বিক্রির পায়তারা করছেন। 

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, প্রায় পাঁচ ছয়মাস আগে ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে। তখন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন মো. নিয়াজুল হক। আমি সহকারী শিক্ষক ছিলাম। তখন আমরা গাছটি সেখান থেকে সড়িয়ে বিদ্যালয় ভবনের পেছনে রেখেছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। গত বছরের এক আগস্ট আমি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহণ করি। 

এলাকাবাসীর স্বাক্ষরিত ওই অভিযোগটি করা হয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালক বরাবরে। সেটির অনুলিপি প্রদাণ করা হয়েছে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, ডিমলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং নীলফামারী প্রেসক্লাবের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, গাছটি প্রায় দেড় মাস আগে গোপনে কর্তন করা হয়। যার বর্তমান বাজার মুল্য প্রায় ৩০ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ এখনও পাইনি। তবে সরকারি গাছ কাটার প্রয়োজন হলে এ সংক্রান্ত জেলা ও উপজেলায় কমিটি রয়েছে। ওই কমিটির কাছে আবেদন করার পর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর বাহিরে বিদ্যালয়ের কাজেও ওই গাছ কাটা যাবে না। কমিটির কাছে এ ধরনের আবেদন এখনও আসেনি, আসলে আমার জানা থাকতো। 

 


মন্তব্য