kalerkantho


নড়াইলে পদক প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো 'সুলতান মেলা'

নড়াইল প্রতিনিধি   

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ২৩:২০



নড়াইলে পদক প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো 'সুলতান মেলা'

ছবি: কালের কণ্ঠ

নড়াইলে শেষ হলো ১০ দিনব্যাপী সুলতান মেলা। সুলতান পদক প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা নামলো জেলার সর্ববৃহৎ এই মেলার। বিশাল এই আজ বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নড়াইলের সুলতান মঞ্চে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার 'সুলতান পদক' প্রদান করেন। এ বছর 'সুলতান স্বর্ণ পদক' পেয়েছেন ভাস্কর শিল্পী ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী। তবে শিল্পী প্রিয়ভাষিণী অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে পদক গ্রহণ করেন শিল্পীর ভাই সৈয়দ হাসান শিবলী।

জেলা প্রশাসক এমদাদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বিশ্বাস, পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম (অতিরিক্ত ডিআইজি), সুলতান ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব আশিকুর রহমান মিকু, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবাস চন্দ্র বোস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক ড. সুশানত্ম অধিকারী প্রমুখ।

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর বিকেলে নড়াইলের সুলতান মঞ্চ চত্বরে বেলুন উড়িয়ে মেলার উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া। বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও এস এম সুলতান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলায়  নানা ধরনের শতাধিক স্টল ছাড়াও প্রতিদিনের গ্রামীণ খেলাধুলা দেখতে দর্শকের ভীড় ছিলো চোখে পড়ার মতো।

এদিকে সুলতান মেলার সমাপনী অনুষ্ঠান বিকেল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত অতিথিরা মেলা প্রাঙ্গণে আসেননি। সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. বীরেন শিকদার দুপুর থেকেই নড়াইলে অবস্থান কললে ও সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মেলা চত্বরে আসেন। প্রায় ৭টা পর্যন্ত চলে অতিথি বরণপর্ব। এতে মেলায় আগত সুলতান ভক্ত ও দর্শকেরা অতীষ্ঠ হয়ে ওঠেন।

এ ব্যাপারে সুলতান ভক্তসহ মেলায় আগত দর্শকরা ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। সমাপনী অনুষ্ঠান কাভার করতে ৫০ জনের বেশি পেশাদার সাংবাদিক থাকলেও মেলা প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের কাজের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা অনেকেই ফিরে যান।


মন্তব্য