kalerkantho


র‌্যাবের ওপর হামলা, ভাঙচুর

লক্ষ্মীপুরে ইউপি সদস্যসহ ৫০৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ২২:০০



লক্ষ্মীপুরে ইউপি সদস্যসহ ৫০৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে তথ্য সংগ্রহে গিয়ে হামলার শিকার ও মোটরসাইকেল ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে র‌্যাব ১১ এর ডিএডি মনির হোসেন চৌধুরী বাদী হয়ে রামগতি থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও রামগতির চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য শেখ ফরিদ ওরফে ফরিদ কমান্ডারসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরো ৫০০ জনকে আসামি করা হয়।

এদিকে, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে হামলার পর থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছে। অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। আজ শুক্রবার কার্যত চরগাজীর হাট-বাজারগুলো পুরুষশূন্য হয়ে পড়ে।

র‌্যাব সূত্র ও থানা পুলিশ জানায়, র‌্যাবের একটি দল তথ্য সংগ্রহ করতে ঘটনার সময় মোটরসাইকেলযোগে চরগাজী ইউনিয়নে যায়। এ সময় সন্ত্রাসী শেখ ফরিদ ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে র‌্যাবের  এসআই মফিজুল ইসলাম, কনস্টেবল শাখাওয়াত, সৈনিক শাহীন ও ইসহাক আহত হন। তাদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় তাদের (র‌্যাব) ব্যবহৃত দুইটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান র‌্যাব ১১ লক্ষ্মীপুর ক্যাম্পের কম্পানী অধিনায়ক নরেশ চাকমা ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আ স ম মাহাতাব উদ্দিন ও রামগতি থানার ওসি ইকবাল হোসেন। এ সময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ-র‌্যাব আশপাশের এলাকায় অভিযান চালায়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শেখ ফরিদের বিরুদ্ধে নোয়াখালীর হাতিয়া, সুবর্নচর ও লক্ষ্মীপুরের রামগতি থানায় বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তিনি উপকূলীয় মেঘনা নদী, চরগাজী ও আশপাশ এলাকায় আতংক হিসেবে পরিচিত।

এ ব্যাপারে রামগতি থানার ওসি ইকবাল হোসেন বলেন, 'এ ঘটনায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চলছে। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।' 


মন্তব্য