kalerkantho


ফেনীতে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় মিলেছে

ফেনী প্রতিনিধি   

৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ২২:৫৯



ফেনীতে দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় মিলেছে

নজরুল ইসলাম

ফেনী-মাইজদী সড়কের আমিরগাঁও এলাকায় শনিবার রাতে বাস উল্টে নিহত ৭ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন- বাসচালক আবু হানিফ, চট্টগ্রাম কর কমিশনের কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, ভোলার চরফ্যাশনের মো. ইউসুফ, ভোলার আবুল কালাম, আবুল খায়ের গ্রুপের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের কর্মচারী কামাল হোসেন পাবেল ও নোয়াখালীর সেনবাগের তেল ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন রতন। দাগনভূঞা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ভূঞা বিষয়টি রবিবার নিশ্চিত করেন।

চট্টগ্রামের আবুল খায়ের স্টিলের তরুণ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ফেনীর দাগনভূঞায় আসেন বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। শনিবার তিনি তার সহকর্মী মোহন মিয়ার মেয়ের বিয়েতে যোগ দেন। সঙ্গে ছিলেন বন্ধু মানিক। অনুষ্ঠানশেষে সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে আসা শাহী পরিবহনের গাড়িতে দাগনভূঞা থেকে রওনা দেন। কিন্তু কর্মস্থলে ফিরে যাওয়া হয়নি তার। বন্ধু মানিক আহত অবস্থায় ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হলেও নিহত হন নজরুল। তার বাড়ি লাঙ্গলকোটে বলে জানান বন্ধু মানিক।

আহতদের মধ্যে লক্ষ্মীপুরের নাসিরের ছেলে বেলাল হোসেন, ভোলার চরফ্যাশনের আব্দুল খালেকের ছেলে আব্দুল হান্নান, আব্দুর রশিদের ছেলে আলমগীর, মো. সুমন, ওমর, চরফ্যাশনের শাহজাহানের ছেলে মো. শহীদ, শাওনের ছেলে মিরাজ, আলীর মেয়ে রোকসানা, চাঁদপুরের মতলব উপজেলার নাইমুর হোসেনের ছেলে আবু নাসের মিজি, ফেনীর সোনাগাজীর আব্দুলের ছেলে জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রামের আনোয়ারার ইউসুফের ছেলে মো. হান্নান, ফাতেমা জান্নাত, হান্নান, ভোলার চরকালামিয়া এলাকার আব্দুর রবের ছেলে মহিন উদ্দিন, ফেনীর ফুলগাজীর মামুনকে ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরো কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ও ৫/৬ জনকে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপস্নেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান দাগনভূঞা থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ।

ফেনী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আর এমও) ডা. অসীম কুমার সাহা জানান, নিহতদের দেহ ময়না তদন্তশেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে ফেনী-মাইজদী সড়কের দাগনভূঞার আমিরগাঁও এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে শাহী পরিবহনের একটি বাস উল্টে যায়। এতে ৭ জন আহত ও কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়। এ ব্যাপারে দাগনভূঞা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় বাসচালক আবু হানিফও মারা যান।


মন্তব্য