kalerkantho


১১ দফা দাবি

ঈশ্বরদীতে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের মানববন্ধন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৪:৩২



ঈশ্বরদীতে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের মানববন্ধন

সরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের ন্যয় বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধার পেতে ১১ দফা দাবিতে পাবনার ঈশ্বরদীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদ। আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ঈশ্বরদী শহরের প্রাণকেন্দ্র রেলগেইট কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন ট্রাফিক মোড়ে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ফজলুল হকের সভাপতিত্বে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য দেন ঈশ্বরদী মহিলা অনার্স কলেজের অধ্যাপক স্বপন কুমার কুণ্ডু, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি ইসমাইল হোসেন, কলেজ টিচার্স ফোরাম, ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি আতাউল হক নান্নু, মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি, ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সভাপতি কামরুজ্জামান মূসা, কারিগরি শিক্ষক সমিতি, ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আরজাহান আলী, শিক্ষক সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন প্রমুখ।

আরো পড়ুন প্রেসক্লাবে মাদরাসা শিক্ষকদের আমরণ অনশন চলছে

বক্তারা বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা বিভিন্ন মহলে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েই ৯টি শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম কমিটির পক্ষ থেকে ১১ দফার দাবি  জানাচ্ছি। শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও আর্থিক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানানো হয়।

এ ছাড়া সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের শতকরা ৫ ভাগ প্রবৃদ্ধি বৈশাখীভাতা পূর্ণাঙ্গ উৎসবভাতা, চিকিৎসাভাতা পূর্ণাঙ্গ বাড়িভাড়া, পূর্ণাঙ্গ পেনশন প্রদান, অনুপাত প্রথা বাতিল, শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্বের ন্যায় টাইমস্কেল, সহযোগী অধ্যাপক ও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ, ননএমপিও প্রতিষ্ঠান অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সে পাঠদান ও বিধিমোতাবেক  শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তকরণ, ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী ৬ শতাংশ জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ  বরাদ্দকরণ, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের চাকরি  বাস্তবায়ন, শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে বেসরকারি শিক্ষকদের ৩৫ শতাংশ প্রেষণে নিয়োগ, কারিগরি শিক্ষা উন্নয়নে ভোকেশনাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়। 

আরো পড়ুন অন্য পাঁচ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পরীক্ষা যথাসময়ে 

সমাবেশে বিক্ষুব্ধ শিক্ষকরা বলেন, ১১ দাবি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলন দরকার হলে সরকার পতনের আন্দোলনের ঘোষণা  দেওয়া হবে। এ ছাড়া ১৪ জানুয়ারী জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে।

পরে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তারের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দ।


মন্তব্য