kalerkantho


কেশবপুরে শৈত্য প্রবাহে জবুথবু নিম্ন আয়ের মানুষ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি    

১১ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৯:১৩



কেশবপুরে শৈত্য প্রবাহে জবুথবু নিম্ন আয়ের মানুষ

ফাইল ছবি

যশোরের কেশবপুরে শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। শৈত্য প্রবাহের কারণে উপজেলার খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন যাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রচণ্ড শীতে ঠান্ডা জনিত রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

কেশবপুর পৌর শহরসহ উপজেলার সাগরদাঁড়ি, ত্রিমোহিনী, সাতবাড়িয়া, হাসানপুর, বিদ্যানন্দকাটি, মজিদপুর, মঙ্গলকোট, পাঁজিয়া, সুফলাকাটি, কেশবপুর সদর ও গৌরীঘোনা ইউনিয়নসহ পৌর এলাকার নিম্নবিত্ত আয়ের লোকজন চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। শীতার্থ মানুষরা একটু উষ্ণতার আশায় বিভিন্ন জায়গায় খড়কুটো পুড়িয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পৌরসভার মেয়র, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা কর্মী, বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তির উদ্যোগে উপজেলা বিভিন্ন এলাকায় শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণের খবর পাওয়া গেছে। 

এদিকে অতিরিক্ত ঠান্ডায় ডায়রিয়া, সর্দি, কাশি, জ্বর, আমাশয়সহ বিভিন্ন ঠান্ডা জনিত রোগে শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভরা বোরো আবাদ মৌসুমেও মাঠে মানুষের কাজের সংখ্যা খুবই কম। গ্রামের গেরেস্তরা তাদের পশুপাখির গায়ে ছালার চটসহ বিভিন্ন কাপড় জড়িয়ে রেখেছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান নিজ উদ্যোগে কেশবপুরের শীতার্থ মানুষের মাঝে ২ হাজার ৫০০ কম্বল বিতরণ করেছেন। এছাড়াও সরকারি ভাবে কেশবপুরের ১১টি ইউনিয়নসহ পৌর এলাকায় ৮ হাজার ৮৯৩টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে।

উপজলো স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার শেখ আবু শাহীন বলেন, হাসপাতালে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত বৃদ্ধ ও শিশু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, শীতার্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।


মন্তব্য