kalerkantho


নিয়াজুলকেই হত্যা চেষ্টা চালানো হয়! (ভিডিও)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ১১:২৯



নিয়াজুলকেই হত্যা চেষ্টা চালানো হয়! (ভিডিও)

নিয়াজুলকে একের পর এক ফেলে পেটানো হয়।

নারায়ণগঞ্জে হকার উচ্ছেদ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বহুল আলোচিত অস্ত্রধারী নিয়াজুল ইসলাম অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার আগে প্রতিপক্ষের হাতে তিন দফা মারধরের শিকার হয়েছেন। এমন একটি ভিডিও গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বলা হচ্ছে, নিয়াজুলের বিরুদ্ধে পিস্তল নিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ স্রেফ মিথ্যাচার। আইভীকে নয়, বরং নিয়াজুল ইসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যেই আইভী সমর্থকরা ওই দিন তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছিল বলে দেখা যায় ওই ভিডিও চিত্রে। অনেকেই বলছে, ঘটনার শুরুর বিষয়টি ঊহ্য রেখে শুধু অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টিই গণমাধ্যমে উঠে আসাটা দুখঃজনক।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গত মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ৩৯ মিনিটে মেয়র আইভীর নেতৃত্বে লোকজন নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় বঙ্গবন্ধু সড়কের জীবনবীমা ভবনের মুক্তি জেনারেল হাসপাতালের সামনে এলে একজন হকারের সঙ্গে তাদের বাগিবতণ্ডা হয়। ওই হকারকে মারধর করা হলে পাশের মাসুদা প্লাজার নিচে থাকা নিয়াজুল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে মারধর না করার অনুরোধ করেন। তখন আইভীর বহরের সামনে থাকা লোকজন নিয়াজুলকে ধাক্কা দিতে থাকে এবং বাগিবতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরে সেখানে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মেয়র আইভীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আবু সুফিয়ান এসে নিয়াজুলকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কয়েক সেকেন্ড পরেই আইভীর ভগ্নিপতি ও জেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল কাদিরও সেখানে এসে নিয়াজুলকে সরিয়ে দেন।

 কিন্তু তখন ওই বহরে থাকা বিএনপি-জামায়াতের অতি উৎসাহী লোকজন নিয়াজুলকে ধাক্কা দিতে দিতে সামনের দিকে ঠেলে নিতে থাকে। সায়াম প্লাজার সামনে আনার পর সেখানে ফুটপাতে পড়ে যান নিয়াজুল। তখন ৩০ থেকে ৪০ জন লোক নিয়াজুলকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি চাষাঢ়ার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে আবারও লোকজন গিয়ে নিয়াজুলকে দ্বিতীয় দফায় ফুটপাতে ফেলে মারধর করতে থাকে। ফুটপাত থেকে রাস্তায় পড়ে গেলে মারধরের মাত্রা আরো বেড়ে যায়। আশপাশের লোকজন নিয়াজুলকে উদ্ধার করলে তিনি দ্রুত চাষাঢ়ার দিকে যেতে থাকলে তৃতীয় দফায় পেছন থেকে তাঁকে লাথি মারতে দেখা যায় কয়েকজনকে। এ অবস্থায় পেছন থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে লোকজন এগিয়ে এলে নিয়াজুল কোমর থেকে পিস্তল বের করেন। তখন আবার চার-পাঁচজন যুবক গিয়ে মারধর করে নিয়াজুলের পিস্তল ছিনিয়ে নেয়। ভিডিও চিত্রেও এ রকমটা দেখা যায়।

কিন্তু গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুধু পিস্তল হাতে নিয়াজুলের ছবি ও ভিডিও প্রকাশিত হয়। নিয়াজুল একসময় এমপি শামীম ওসমানের কর্মী ছিলেন বলে বিষয়টি তাঁর ওপর বর্তানোর চেষ্টা করা হয়।


মন্তব্য