kalerkantho


গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতি

লক্ষ্মীপুরে প্রশিক্ষণের নামে প্রতারণার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

২০ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৪:১৩



লক্ষ্মীপুরে প্রশিক্ষণের নামে প্রতারণার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরে গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি এ কে এম মাহমুদ রিয়াজের বিরুদ্ধে সদস্যদের প্রশিক্ষণের নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। সদস্যদের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা উত্তোলন করে তা পকেট ভারি করার অভিযোগে করেছেন অনেকেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে সমিতির সদস্যদের পেশাগত দক্ষাতা বৃদ্ধির জন্য ২১ দিনের রিফ্রেসার প্রশিক্ষণ শেষে ঢাকা থেকে সনদপত্র সরবরাহ করার কথা। কিন্তু লক্ষ্মীপুরে সনদ তৈরী করে দেওয়া হচ্ছে। নিয়ম বহিঃভূতভাবে এ প্রতারণা করায় অসন্তোষ বিরাজ করছে সমিতির সদস্যদের মাঝে।


আরো পড়ুন: সুন্দরবনে ৪ জেলে অপহরণ, মুক্তিপণের দাবি!


সংশিস্নষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির (রেজিঃ এস-১৩৬১) লক্ষ্মীপুর শাখার কার্যক্রম শুরু হয় ২০১০ সালে। সবশেষ ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই এ কে এম রিয়াজ মাহমুদকে সভাপতি ও বিধান কৃঞ্চ দাসকে সাধারণ সম্পাদক করে  ৩১ সদস্য কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কমিটি। সমিতির সভাপতি মাহমুদ রিয়াজ সহযোগী উত্তম কুমার সরকারের মাধ্যমে নতুনদের কাছ থেকে ৮ হাজার ২শ টাকা নিয়ে গ্রাম ডাক্তার প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। তাঁদের অনেকেই গ্রাম্য ডাক্তার নন বলে জানা গেছে। সমিতির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সম্বয়ন না করেই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে পকেট ভারি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই।


আরো পড়ুন: ছাত্রলীগ আর যুবলীগ নেতার ড্রেজারে আতংকে গ্রামবাসী


অভিযোগে রয়েছে, কেন্দ্রীয় কমিটিকে দেওয়ার নামে রিয়াজ উদ্দিন মাহমুদ সদস্যদের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু কেন্দ্রীয় কমিটি টাকার বিষয়টি অবগত নয় বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে সমিতির জেলা সভাপতি এ কে এম রিয়াজ উদ্দিন মাহমুদ জানান, উত্তোলন করা টাকা প্রশিক্ষণে ডাক্তারদের সম্মানিসহ অন্যন্য খাতে ব্যয় করেছি। কেন্দ্রের অনুমতি নিয়েই প্রশিক্ষণ করছি, কেউ অস্বীকার করলে কী করবো?

বাংলাদেশ গ্রাম-ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুস সাত্তার জানান, প্রশিক্ষণের সনদপত্র কেন্দ্র থেকে দেওয়ার কথা থাকলেও লক্ষ্মীপুর কমিটি তা নেয়নি। নিয়ম না মেনে লক্ষ্মীপুরে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় লক্ষ্মীপুর কমিটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। টাকার বিষয়ে আমরা অবগত নয়। সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আবু ইউসুফ খাঁন বাদল জানান, প্রশিক্ষণ গ্রহন করতে হলে আগে কেন্দ্র থেকে সদস্যপদ গ্রহন করতে হয়। কিন্তু লক্ষ্মীপুরে সদস্যপদ ছাড়াই কিভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে - তা খোঁজ নেওয়া হবে।


মন্তব্য