kalerkantho


কুড়িগ্রামে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কম্বল বিতরণ

‘যে কয় দিন বাঁচি আছি কম্বলটা গায়োত দিম’

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

২১ জানুয়ারি, ২০১৮ ২০:১৭



‘যে কয় দিন বাঁচি আছি কম্বলটা গায়োত দিম’

ছবি : কালের কণ্ঠ

‘যে জার পড়ছে। জীবনটা কোনবালা বা যায়। তোমার কম্বলটা পায়া মোর খুব উপকার হইল বাহে। যে কয় দিন বাঁচি আছি, কম্বলটা গায়োত দিম।’-ব্রহ্মপুত্র পারের হাতিয়া মেলা গ্রামের ৮০ বছরের বৃদ্ধা সুরুতজন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের দেওয়া কম্বল হাতে পেয়ে এমনই অনুভূতি ব্যক্ত করেন। সুরতজানের স্বামী ৭১-এ হাতিয়া গণহত্যায় শহীদ হন। সেই থেকে বাঁধের ধারে অতি কষ্টে তার দিন কাটছিল। 

তার মতো একই গ্রামের খুকি বেগম, অনন্তপুর গ্রামের হাছেন আলী ও জয়নালসহ অনেক বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা তীব্র শীতে কম্বল পেয়ে প্রায় অভিন্ন অনুভূতি ব্যক্ত করে। তীব্র শীতে শীত নিবারণের জন্য একটি করে কম্বল পেয়ে খুশি সবাই। ৮৫ বছরের হাছেন আলী বলেন, ‘এবার যে ঠাণ্ডা পড়ছে, জীবনে কোনদিন এদোন ঠাণ্ডা দেখি নাই। আল্লা যে বাঁচে রাখছে সেটা বিরাট ব্যাপার। তোমার কম্বল পায়া হামার খুব উপকার হইল। হামরা মন ভরে তোমার জন্য দোয়া করমো।’

রবিবার কুড়িগ্রামে জেলার ব্রহ্মপুত্র পারের চিলমারীর রাণীগঞ্জ ও উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের ৬০০ জন শীতার্ত মানুষের মধ্যে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়ার পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে অনন্তপুর আরডিআরএস ফেডারেশনে ৩০০ ও রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ৩০০ কম্বল বিতরণ করা হয়।

কম্বল বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান বাবু, প্রবীণ শিক্ষক ও কালের কণ্ঠ শুভসংঘের সভাপতি খন্দকার খায়রুল আনম, হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মাস্টার, রাণীগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল ইসলাম, রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আয়নাল হক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম জাহাঙ্গীর, উলিপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান ভুট্টু, মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান, কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি আব্দুল খালেক ফারুক, নিউজ টুয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি হুমায়ুন কবীর সূর্য্য, বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি তুহিন আখতার, উলিপুরের উলিপুরের সাংবাদিক রোকনুজ্জামান মানু, শুভসংঘের সদস্য রিপন সরকার, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। 


 


মন্তব্য