kalerkantho


ভেজাল সন্দেহে ১১ ধরনের খাদ্য পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ মার্চ, ২০১৮ ২০:১৫



ভেজাল সন্দেহে ১১ ধরনের খাদ্য পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

ফেনী শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ক্ষতিকর রাসায়নিক বা অন্য কোনো ভেজাল মিশ্রিত সন্দেহে ১১ ধরনের খাদ্যপণ্য পরীক্ষাগারে পাঠিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার ফেনী শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ফেনী জেলা প্রশাসন।

ভেজাল বিরোধী অভিযানের নেতৃত্ব দেন ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা। তিনি স্বাস্থ্য বিভাগের জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টরসহ মোট ছয়জন স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে বিভিন্ন প্রকার খাদ্যদ্রব্যে রাসায়নিক ও ভেজাল পরীক্ষার উদ্দেশ্যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুসরণ করে খাদ্য নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জানা গেছে,  শুটকি, সয়াবিন, সরিষা, গুড়, লবণ, সুপারি, ঘি, কলা, হলুদের গুঁড়া, পানি ও মরিচের গুড়া পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ সময় তাকিয়া রোডের সকাল-সন্ধ্যা শুটকি আড়ৎ, আব্দুল মতিন সওদাগরের শুটকি আড়ৎ, মায়ের আশীর্বাদ শুটকি আড়ৎ, হরন্দর শুটকি আড়ৎ থেকে চারশ গ্রাম শুটকির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

শুটকিতে ডিডিটিসহ অন্যান্য কীটনাশক আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হবে। তাকিয়া রোডের আলভী ট্রেডার্স থেকে  সয়াবিন তেল , জসিম উদ্দিন থেকে সরিষার তেল,  চৌধুরী ট্রেডার্স থেকে সয়াবিন প্রভৃতি থেকে পাঁচশ মি. লি. করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

সয়াবিন তেল, সয়াবিন নাকি পাম এবং সরিষা তেল বিশুদ্ধ কিনা সেটি পরীক্ষা করা হবে। তাকিয়া রোডের জনার্দন সাহার দোকান থেকে গুড়ের নমুনা নেওয়া হয়, সোডা মেশানো হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য।

তাকিয়া রোডের নাগ স্টোর থেকে আয়োডিন আছে কি না পরীক্ষার জন্য লবণ সংগ্রহ করা হয়। ভিতরের বাজারের আনোয়ার ট্রেডার্স থেকে ঘি নেওয়া হয় বিশুদ্ধতা পরীক্ষার জন্য। এছাড়াও নুর উদ্দিনের দোকান থেকে হলুদ ও মরিচের গুঁড়া সংগ্রহ করা হয় ভেজাল মেশানো হয়েছে কিনা সেটা পরীক্ষার জন্য।

শহরের পাঠানবাড়ি এলাকা থেকে বাংলা ড্রিংকিং ওয়াটার, ওয়াটার ফ্রেশ ড্রিংকিং ওয়াটার ও ভাইটাল ফ্রেশ থেকে পানির নমুনা ই. কোলাই ব্যাকটেরিয়া পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়। মিজান রোডের জনতা কমিশন এজেন্ট, মেসার্স সাদেক মিয়া সওদাগর প্রভৃতি থেকে সুপারি ক্ষতিকর কেমিক্যাল রং মেশানো হয় কিনা তা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। স্টেশন রোডের সাতটি কলার আড়ৎ থেকে কার্বাইড পরীক্ষার জন্য কলার নমুনা নেওয়া হয়।

এসব পরীক্ষার পর ভেজাল প্রমাণ হেল দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এতে করে জনগণের মাঝেও খাদ্যের মান নিয়ে যেসব প্রশ্ন রয়েছে তার কিছু উত্তর পাওয়া যাবে।


মন্তব্য