kalerkantho


বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে শুরু মুজিবনগর দিবস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০৮:২২



বিভিন্ন কর্মসূচি দিয়ে শুরু মুজিবনগর দিবস

মুজিবনগর দিবস বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য এক দিন। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এরপর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের স্মরণ করা হবে। তাদের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর গার্ড অব অনার দেবেন পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, বিএনসিসি এবং গার্লস গাইড সদস্যরা। সকাল ১০টায় রয়েছে গীতিনাট্য জল, মাটি ও মানুষ। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে শেখ হাসিনা মঞ্চে হবে আলোচন সভা। বিকেল ৫টায় হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৬টার দিকে মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্সের স্মৃতিসৌধে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন মেহেরপুর জেলা প্রশাসক পরিমল সিংহ। কাল ৯টায় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের স্মরণ করবেন প্রধান অতিথি শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এসময় পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান, ডিডি এলজি খাইরুল হাসান, মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা আক্তারসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদারসহ বেশ কয়জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নেন। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তার নির্দেশিত পথ অনুযায়ী এই মুজিবনগর সরকার সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করে। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ চলতে থাকে। মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জিত হয়। বাংলাদেশ দখলদার মুক্ত হয় এবং বিশ্বের বুকে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

 


মন্তব্য