kalerkantho


বাগেরহাটে গ্রাম আদালত বিষয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকা' শীর্ষক মতবিনিময়

বাগেরহাট প্রতিনিধি    

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ১৬:১১



বাগেরহাটে গ্রাম আদালত বিষয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকা' শীর্ষক মতবিনিময়

বাগেরহাটে গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে 'গণমাধ্যমের ভূমিকা' র্শীষক  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (দ্বিতীয় পর্যায়)  প্রকল্পের অধীনে দেশের আটটি বিভাগের ২৭টি জেলার ১২৮টি উপজেলার এক হাজার ৮০টি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের কার্যাক্রম চলছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট, চিতলমারী, কচুয়া, রামপাল, শরণখোলা এবং মোংলা উপজেলার ৪২টি ইউনিয়নে ওই প্রকল্পের অধীনে গ্রাম আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

বাগেরহাটের ওই ছয় উপজেলার ৪২টি ইউনিয়নে ২০১৭ সালের জুলাই মাস থেকে চলতি ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ৮১৩ জন পুরুষ এবং ২৩৮ জন নারী গ্রাম আদালতে মামলার জন্য আবেদন করেছেন। এই সময় মোট এক হাজার ৫১টি মামলার মধ্যে গ্রাম আদালতে ৯১৩টি মামলা নিস্পত্তি হয়েছে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে মোট ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে  ৪৭ লাখ ৩৭ হাজার ১৪৭ টাকা।

ওই মতবিনিয়ম সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাস।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন  বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মামুন উল-হাসান, বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের ইউএনডিপির কমিউনিকেশন বিশেষজ্ঞ অর্পণা ঘোষ, ডিস্ট্রিক্ট ফ্যাসিলিটেটর মহিতোষ কুমার রায় প্রমুখ।

বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসন এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।  স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশ সরকার ওই প্রকল্পে সহযোগিতা করছে।

সভায় গ্রাম আদালতের বিভিন্ন সুফল তুলে ধরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনগণকে ধারণা দিতে গণমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণার আহ্বান জানানো হয়। এতে বাগেরহাটে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত প্রায় অর্ধশত সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। 



মন্তব্য