kalerkantho


আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দেলোয়ার হোসেনের গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর    

১৬ মে, ২০১৮ ১৩:০৩



আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দেলোয়ার হোসেনের গণসংযোগ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফরিদপুর ২ (নগরকান্দা, সালথা ও কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন)-এর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী এয়ার কমডোর (অব.) মুক্তিযোদ্ধা কাজী দেলোয়ার হোসেন এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন।

নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন স্থানে উঠোন বৈঠক, পথসভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন দেলোয়ার হোসেন।

জেলার চারটি আসনের মধ্যে জাতীয় সংসদে ফরিদপুর ২ আসনটি অন্যতম গুরুত্ব বহন করে। এ আসনটির বর্তমান সংসদ সদস্য হলেন সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীসহ আরো  কয়েকজন এ আসনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। এর মধ্যে অন্যতম হলেন নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল হোসেন মিয়া। এ ছাড়া রয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা মেজর আতমা হালিম, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ জুয়েল সাবেক ছাত্র নেতা লায়েকুজ্জামান। তারা পৃথক সভা, সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা করছেন।

সর্বশেষ এ আসনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় মাঠে নেমেছেন এয়ার কমডোর (অব.) মুক্তিযোদ্ধা কাজী দেলোয়ার হোসেন। তিনি সময় সুযোগমতো মানুষের কাছে যাচ্ছেন।

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শশা গ্রামের কাজী পরিবারের সন্তান দেলোয়ার হোসেন পড়ালেখার  পাশাপাশি ছাত্রলীগের কর্মী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। পরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগ দেন তিনি। এয়ার কমডোর হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেন। বর্তমানে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় নাম লিখিয়ে এলাকায় গণসংযোগ করছেন।

এ ব্যাপারে কাজী দেলোয়ার হোসেন বলেন, 'আমি স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ নেই। মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান আলীল নেতৃত্বে নগরকান্দা থানা দখল করে বাংলাদেশের পতাকা উড়াই। উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে যাওয়ার  প্রস্তুতির সময় পাকিস্তানি বাহিনীর সদস্যদের হাতে গ্রেপ্তার হই। পরে মুক্তি পেয়ে মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমানের নেতৃত্বে বিভিন্ন যুদ্ধে অংশ নিই।' 

দেলোয়ার হোসেন আরো বলেন, 'দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে আমি সরাসরি রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নেই। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমার নৈতিক দায়িত্ব দেশের অগ্রযাত্রায় অংশ নেওয়া। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশনায় আমি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছি। দেশের রাজনৈতিক,সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। আমি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সুখী, সমৃদ্ধশালী উন্নত সোনার বাংলাদেশ গড়তে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাই জনগণের পাশে থেকে সেবা করার সুযোগ চাই। আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।'

ফরিদপুর জেলা কৃষক লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও নগরকান্দার কাইচাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপট্টি গ্রামের বাসিন্দা আবুল বাশার ওরফে তারা মিয়া বলেন, 'আওয়ামী লীগ একটি বড় গণতান্ত্রিক দল। এ দল থেকে মুজিবাদী আদর্শের সৈনিকরা মনোনয়ন প্রত্যাশী হবেন। এটাই স্বাভাবিক। মুক্তিযোদ্ধা কাজী দেলোয়ার হোসেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সন্তান। তিনি এলাকায় গণসংযোগ করছেন। মানুষের কাছে যাচ্ছেন।' তিনি বলেন, 'শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন যিনি পাবেন। কর্মীরা তাকে নিয়েই নির্বাচন করবেন।'  


মন্তব্য