kalerkantho


জামালপুরে টিকিট কালোবাজারিদের ধরতে অভিযান, একজনের জেল

জামালপুর প্রতিনিধি   

১৯ মে, ২০১৮ ২২:৫৪



জামালপুরে টিকিট কালোবাজারিদের ধরতে অভিযান, একজনের জেল

জামালপুর রেলস্টেশনে টিকিট কালোবাজারি চক্রের দৌরাত্ম্য সংক্রান্ত প্রতিবেদন দৈনিক কালের কণ্ঠে প্রকাশিত হওয়ায় জামালপুর জেলা প্রশাসনের টনক নড়েছে। জামালপুর জেলা প্রশাসনের একজন উর্ধতন কর্মকর্তা তাদের নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি এবার প্রকাশিত প্রতিবেদনটিকে গুরুত্ব দিয়ে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও জানিয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে আজ শনিবার বিকেলে জামালপুর রেলস্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে টিকিট কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসন। অভিযানের সময় মো. আনজু (৪০) নামের চিহ্নিত এক টিকিট কালোবাজারিকে আটক করে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জামালপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে র‌্যাব ও পুলিশ আজ শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জামালপুর রেলস্টেশন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালায়। অভিযানে রেলস্টেশন সংলগ্ন শাহপুর গ্রামের মৃত আফসার আলীর ছেলে ও চিহ্নিত টিকিট কালোবাজারি মো. আনজুকে আটক করা হয়। এ সময় এই অভিযানের কথা জানতে পেরে রেলস্টেশন এলাকার অন্যান্য টিকিট কালোবাজারিরা গা ঢাকা দেয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী হাকিম মো. আসাদুজ্জামান ভোক্তা অধিকার আইনের ৪০ ধারায় আটক টিকিট কালোবাজারি মো. আনজুকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। পরে র‌্যাব ও পুলিশ তাকে জেলা কারাগারে পৌঁছে দেয়। 

গত বৃহস্পতিবার দৈনিক কালের কণ্ঠের ১৯ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত ‘জামালপুর রেলস্টেশন ‘টিকিট প্রাপ্তিস্থান : কালোবাজার’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি জেলা প্রশাসনের নজরে এসেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। তিনি আজ শনিবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ওই প্রতিবেদনটি পড়েছি। বেশ ভালো হয়েছে। টিকিট কালোবাজারি চক্রের একটা সার্বিক চিত্র ওঠে এসেছে প্রতিবেদনটিতে। যাত্রীদের কাছ থেকেও এ নিয়ে আমরা অনেক অভিযোগ পাই। জনগণ উদ্যোগী না হলে এদেরকে ধরা খুব মুশকিল। এরপরও এখন থেকে টিকিট কালোবাজারি রোধে রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।’ 

 


মন্তব্য