kalerkantho


টেকনাফের ‘শীর্ষ ইয়াবা ডন’কে আইনের আওতায় আনার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

২৫ মে, ২০১৮ ০০:১৩



টেকনাফের ‘শীর্ষ ইয়াবা ডন’কে আইনের আওতায় আনার দাবি

ছবি: কালের কণ্ঠ

কক্সবাজারের টেকনাফে এই প্রথমবারের মতো ইয়াবার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে ক্ষমতাসীন দল উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। দলীয় নেতৃবৃন্দ মানববন্ধন ও সমাবেশ করে সীমান্তের একজন ‘শীর্ষ ইয়াবা ডন’ সহ চিহ্নিত ইয়াবা কারবারিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। 

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ১১৫১ জন ইয়াবা কারবারির তালিকা মোটেই স্বচ্ছ নয় বলে দাবি করেছেন। সেই সঙ্গে নেতৃবৃন্দ এরকম অস্বচ্ছ তালিকা নিয়ে নীরিহ ব্যক্তিদের যাতে হয়রানি করা না হয় সেজন্য সরকারের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে রোদ-বৃষ্টি উপক্ষো করে টেকনাফ শাপলা চত্বর প্রাঙ্গণে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে সরকার দলীয় বিভিন্ন সংগঠন এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে বিপুলসংখ্যক ছাত্র, শিক্ষক, সাধারণ জনগণ মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন। এ মানববন্ধন শেষে বক্তব্য রাখেন টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পদক নুরুল বশর, আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলম চেয়ারম্যান, সাধারন সম্পাদক সাবরাং ইউপি চেয়ারম্যান নূর হোসেন, উপজেলা যুবলীগ নেতা ফজলুল কবির, পৌর যুবলীগ আহবায়ক তোয়াক্কল হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সুলতান মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মুন্না, জেলা ছাত্রলীগ নেতা মো. শাহীন, আলী আকবর, আব্দুল বাসেদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ইয়াবা কারবারিদের দেখেই শনাক্ত করা যায়। একজন সাধারণ মানুষের রাতারাতি ধনাঢ্য ব্যক্তি হওয়ার নেপথ্যে তার আয়ের উৎস খোঁজলেই সঠিক তথ্য বের করা সম্ভব। অথচ টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবার চিহ্নিত গডফাদারকে এড়িয়ে সাধারণ কিছু মানুষকে পর্যন্ত এ তালিকায় লিপিবদ্ধ করায় মানুষের কাছে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সাবেক সাংসদ ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর বলেন, ‘গোটা দেশে শেখ হাসিনার নির্দেশিত মাদক বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানাচ্ছে। তবে ইয়াবা কারবার বন্ধ করতে হলে আগে টেকনাফের এক ‘শীর্ষ ব্যক্তি’কে আইনের আওতায় আনতে হবে। এই শীর্ষ ব্যক্তিই প্রথম ইয়াবা কারবার উদ্বোধন করেছিলেন টেকনাফ সীমান্ত থেকে।’ এ বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী জানান, শীর্ষ ইয়াবা ডনের নাম না বললেও সবাই জানেন এই ডন কে। প্রশাসনের তদন্ত সংস্থাকে আরো বেশি তদন্ত করে স্বচ্ছ তালিকা তৈরিরও দাবি জানানো হয়।


মন্তব্য