kalerkantho


পঞ্চগড়ে বিয়ের উদ্দেশে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

২০ জুন, ২০১৮ ১৬:৫১



পঞ্চগড়ে বিয়ের উদ্দেশে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

পঞ্চগড়ে বিয়ের উদ্দেশে নিয়ে গিয়ে এক কিশোরীকে (১৪) ধর্ষণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজ বুধবার বিকেলে ওই কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকসহ দুইজনকে আসামি করে পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। আসামিরা হলেন- জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের অমরখানা এলাকার হবিবর রহমানের ছেলে আনারুল ইসলাম (২৮) ও একই এলাকার মাজম আলীর ছেলে সফিকুল ইসলাম (১৯)। এদিকে ঘটনার পর থেকেই ধর্ষক ও তার সহযোগী পলাতক রয়েছেন। 

জানা গেছে,  ধর্ষিতার বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের ডোলোপাড়া এলাকায়। সে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। 

পুলিশ জানায়, ওই কিশোরীর সঙ্গে শালডাঙ্গা এলাকার আনারুল ইসলাম মোবাইলে সম্পর্ক গড়ে তোলে। সম্পর্কের সূত্র ধরে গত সোমবার রাতে মেয়েটিকে তার বাড়ির পাশ থেকে বিয়ের কথা বলে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় আনারুল ও তার সহযোগী সফিকুল। গভীর রাতে আনারুল তাকে শালডাঙ্গা ইউনিয়নের করতোয়া নদীর পাশে তুলসী শাহের মাজার এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে আনারুল বিয়ের জন্য বাড়ি থেকে কাপড় ও টাকা নিয়ে আসার নাম করে পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে ওই স্কুলছাত্রীর কান্নাকাটি শুনে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তার পরিবারের লোকজনকে খবর দেয়। পরে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে ওই কিশোরীকে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আজ বুধবার বিকেলে আনারুল ও তার সহযোগী সফিকুলকে আসামি করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেন ওই স্কুলছাত্রীর বড় ভাই। 

এ ব্যাপারে পঞ্চগড় সদর থানার ওসি (অপারেশন) রঞ্জু আহম্মেদ জানান, ওই স্কুলছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে ধর্ষকসহ দুইজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 



মন্তব্য