kalerkantho


শরীর ও মন

শেয়ারে সমাধান

২১ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



শেয়ারে সমাধান

** কৈশোরটা একেবারে আলাদা। না থাকে বড়দের গাম্ভীর্য, না থাকে শৈশবের চাঞ্চল্য। আসে শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তন। তবে ভোজবাজির মতো সমস্যার সমাধান দিতে পারে দুটি শব্দ—শেয়ার করো!

** মানতেই হবে মা-বাবাদের মন খারাপ, হতাশা, অস্থিরতার কথা বলাটা সহজ নয়। তবে একটা ব্যাপার নিশ্চিত থাকো, তুমি তোমার মা-বাবাকে যতটা যত্নশীল ভাবো, তাঁরা তোমার ভাবনার চেয়েও বিশাল।

** সমস্যাটা হড়বড় করে বলতে যেয়ো না। ধীরেসুস্থে বলো। ট্রায়াল দেওয়ার দরকার নেই। তাঁরাই বাকিটা বুঝে ফেলবেন। কিভাবে? কারণ তাঁরাও যে একসময় তোমার মতো টিনএজার ছিলেন।

** সমস্যার কথা বলা অন্যায় নয়। ভয় কিসের! গণিত খটমটে মনে হয়? সূত্র মনে থাকে না? মা-বাবাকে সোজাসাপটা বলে দাও, ‘আমি এটা নিয়ে সিরিয়াস সমস্যায় ভুগছি।’ মনে রাখবে, তারাই সফল, যারা দ্রুত অন্যের সহায়তায় সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারে।

** হুম্ম্.. মেজাজমর্জি বুঝে চলাও দরকার। মা-বাবার ব্যস্ত মুহূর্তে বা যখন তাঁরা কোনো কিছু নিয়ে মানসিক চাপে থাকেন, ওই সময়টা সম্ভব হলে এড়িয়ে চলো। জিজ্ঞেস করতে পারো, ‘একটা জরুরি বিষয়ে আলাপ করতে চাই। ফ্রি হবে কখন।’

** পড়া বুঝতে সমস্যা? ঘন ঘন হতাশা চেপে ধরে? এসব মা-বাবাকে বললে একটা সমাধান আসবেই। তাঁরা নিজেরা কখনো হয়তো মনোবিদের চেম্বারে যাননি, তবে তোমাকে ঠিকই নিয়ে যাবেন।

 

 

** যত তাড়াতাড়ি সমস্যার কথা বলতে পারবে, তত দ্রুত সমাধান পাবে। তাই সমস্যা চেপে রাখার প্রশ্নই আসে না।

টিনসওয়েবএমডি ওয়েবসাইট থেকে লিখেছেন তাহমিদ-উল-ইসলাম

ছবি : কাকলী প্রধান
 


মন্তব্য