kalerkantho


কালের কণ্ঠের সাথে আলাপকালে কোরিওগ্রাফার আজিজ রেজা

'শাকিবের মতো সুদর্শন নায়ক মুম্বাইয়েও নেই'

মাহতাব হোসেন   

৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৭:৩৫



'শাকিবের মতো সুদর্শন নায়ক মুম্বাইয়েও নেই'

শাকিব খান। ঢাকাই ছবির সুপারস্টার। আজ তিনি সীমানা ছাড়িয়ে ভারতের বাঙালিদের কাছেও ব্যাপক জনপ্রিয়। কিন্তু এই জনপ্রিয়তা রাতারাতি আসেনি। এর পেছনে রয়েছে অনেক গল্প।

বলা হয়ে থাকে শাকিব খানকে ঢাকাই ছবিতে এন্ট্রি করিয়েছেন নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার আজিজ রেজা। যিনি শাকিবকে নিজের ছোট ভাই মনে করে তাঁকে ফিল্মে নিয়ে এসেছেন, ঘুরে বেড়িয়েছেন পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে।

অনেকের মতে শাকিব খান, তাঁর নায়ক হয়ে ওঠার পেছনের মানুষটিকে ভুলে গেছেন। আদতে কী তা? এ কথা মনে করেননা আজিজ রেজা। আজিজ রেজা কালের কণ্ঠকে বলেন, 'শাকিব আমার ছোট ভাই, আপন ছোট ভাই। হয়তো ব্যস্ততার কারণে তার সাথে আমার যোগাযোগ কমে গেছে। বাবা-মা, ভাইবোনের মধ্যেও দূরত্ব কমে যায়। আর এখন শাকিব ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ দৌঁড়াদৌঁড়ির মধ্যে আছে। সে এখন সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত। স্বাভাবিক ভাবে যোগাযোগ কম থাকবে।'

শাকিব খান সম্পর্কে ইন্ডাস্ট্রিতে নানা নেতিবাচক কথা চালু রয়েছে এমন কথা মানতে নারাজ আজিজ রেজা। তিনি বলেন, 'শাকিব খান সম্পর্কে যে কথাই চালু থাকুক সে এখন বাংলাদেশ-কলকাতার এক নম্বর নায়ক। শাকিব খান শুধু ভালো অভিনেতাই নন, সে একজন সুদর্শন নায়ক। শুধু বাংলাদেশ-কলকাতাই নয় শাকিবের মতো সুদর্শন নায়ক মুম্বাইয়েও নেই।'

ছবিতে আজিজ রেজা, চিত্রনায়িকা শাবনূর ও শাকিব খান (বাম থেকে)

আজিজ রেজার হাত ধরেই ঢাকাই সিনেমায় আসেন শাকিব খান। শাকিবের প্রকৃত নাম মাসুদ রানা। চলচ্চিত্রের কারণে নিজের নাম পরিবর্তন করে রাখেন শাকিব খান।

এমন কথা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতেই রাজি নন আজিজ রেজা। তিনি বলেন, 'শাকিব আমার ছোটভাই। ভাই কাছে থাকলেও ভাই, দূরে থাকলেও ভাই। সে কীভাবে নায়ক হলো না হলো সেটা মুখ্য বিষয় নয়। তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সে শীর্ষ নায়ক এটাই মুখ্য বিষয়।'

নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৯ সালের ২৮ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন শাকিব খান। তাঁর বাবা আব্দুর রব ছিলেন একজন সরকারি দপ্তরের কর্মচারী ও মাতা নূরজাহান একজন গৃহিণী।

সিনেমা পাড়ার সবাই আজিজ রেজার ছোট ভাই হিসেবেই রানাকে চিনতো। এরপর মাসুদ রানা থেকে ঢাকাই চলচ্চিত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন শাকিব খান। হয়ে উঠেন সুপারস্টার।


মন্তব্য