kalerkantho


একই দিনে তিন হলিউডি ছবি স্টার সিনেপ্লেক্সে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ এপ্রিল, ২০১৮ ২১:২৭



একই দিনে তিন হলিউডি ছবি স্টার সিনেপ্লেক্সে

২০ এপ্রিল একসঙ্গে তিনটি হলিউডি ছবি মুক্তি পেতে যাচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্সে। ছবিগুলো হলো, স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত ‘দ্য পোস্ট’, জোহানেস রবার্টস পরিচালিত ‘দ্য স্ট্রেঞ্জার্স: প্রে  অ্যাট নাইট’ এবং জেফ ওয়াডলো পরিচালিত ‘ট্রুথ অর ডেয়ার’। তিনটি ছবিই ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে এবং দর্শকমহলে ভালো সাড়া জাগিয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের শেষদিকে মুক্তিপ্রাপ্ত স্টিভেন স্পিলবার্গের ‘দ্য পোস্ট’ দর্শক-সমালোচকদের দৃষ্টি কেড়েছে। অস্কারে দু’টি বিভাগে এবং গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস-এ ছয়টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ছবিটি।  অন্যদিকে, গত মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত ভৌতিক ছবি ‘দ্য স্ট্রেঞ্জার্স: প্রে অ্যাট নাইট’ এবং ‘ট্রুথ অর ডেয়ার’ ছবি দু’টিও বক্স অফিস নাড়া দিয়েছে।

‘দ্য স্ট্রেঞ্জার্স: প্রে  অ্যাট নাইট’
২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য স্ট্রেঞ্জার্স’ ছবির সিক্যুয়াল এটি। ছবির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ক্রিস্টিনা হেন্ড্রিক্স, মার্টিন হেন্ডারসন, বেইলি ম্যাডিসন, লুইস পুলম্যানসহ আরও অনেকে। এ ছবির গল্পে দেখা যাবে, একটি পরিবার তাদের আতœীয়দের পরিদর্শন করতে গিয়ে একটি বিপজ্জনক মোড়ে গিয়ে রাস্তা হারিয়ে ফেলে। কিন্তু বিপদটা ঘটে তখনই যখন তারা নির্জন পার্কে গিয়ে হঠাৎ করে নিজেদের একটি মরুভূমিতে আবিষ্কার করে এবং তিনজন মুখোশধারী অজ্ঞাতব্যাক্তির আগমন ঘটে। ট্রেইলার পার্কে অবকাশ কাটানো এবং পারিবারিক বন্ধন মজবুত করার জন্য চার সদস্যের পরিবারটি মোবাইল হোমে করে রওয়ানা দেয়। পরিবারের কিশোরী মেয়েটি বেয়াড়া হয়ে পড়েছে বলে তাকে বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি করা হয়েছে, তার সঙ্গেও বাবা-মা কিছুটা সময় কাটাতে চায়। তারা ঠিকানা মত ট্রেইলার পার্কে এসে দেখে জায়গাটা একবারে ফাঁকা। তারা প্রথমে বিস্মিত হলেও গুছিয়ে অবস্থান নেয়। কিন্তু তাদের অবকাশ বরবাদ করতে সেখানে হাজির হয় মুখোশ পরা তিন সাইকোপ্যাথ। তাদের মোবাইল ফোন নষ্ট করে দেয় তারা। ল্যান্ডফোনের লাইনও কেটে দেয় তারা। আশপাশেও কেউ নেই। প্রাণ নিয়ে সেই জায়গা থেকে পালাতে হলে একে অন্যের ওপর নির্ভর করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এখান থেকেই কাহিনী মোড় নেয় নতুন দিকে। শুরু হয় অস্বাভাবিক ও ভয়ঙ্কর নানা ঘটনা। একের পর এক ঘটনায় পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে পরিবারটি। উদ্ধার পেতে চায় শ্বাসরুদ্ধকর এই অবস্থা থেকে। কিন্তু বিষয়টা মোটেও সহজ নয় তাদের জন্য। কি করবে তারা? কার সাহায্য নেবে? কোনো পথ খুঁজে পায় না। তাহলে কি হবে শেষ পর্যন্ত? সেটা প্রেক্ষাগৃহেই দেখা যাক।

দ্য পোস্ট
এই ছবির মূল দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন টম হ্যাঙ্কস আর মেরিল স্ট্রিপ। মেরিল স্ট্রিপের চরিত্রটির নাম ক্যাথরিন গ্র্যাহাম। ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার প্রকাশক। ২০ বছরের বেশি সময় তিনি এই পদে কাজ করেছেন। তিনিই ভিয়েতনাম যুদ্ধবিষয়ক পেন্টাগনের নথিপত্র প্রকাশ করেছিলেন তাঁর পত্রিকায়। গ্র্যাহাম খুব সাহসী ছিলেন। তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তিনি পত্রিকা বন্ধ হওয়া ও জেল খাটার ঝুঁকিও নিয়েছিলেন। টম হ্যাঙ্কস অভিনয় করেছেন ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার তৎকালীন সম্পাদক বেন ব্র্যাডলির ভূমিকায়। বেন এই নথিপত্র ছাপার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেন গ্র্যাহামকে। এই নথিপত্র প্রথমে ছাপা শুরু করেছিল নিউইয়র্ক টাইমস। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে পত্রিকাটি নথি ছাপা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। তখন ওয়াশিংটন পোস্ট তা ছাপা শুরু করে।


ট্রুথ অর ডেয়ার
আদিভৌতিক এ ছবির কাহিনী আবর্তিত হয় একটি ভয়ঙ্কর খেলাকে কেন্দ্র করে। সত্য কিংবা সাহসী একটি মজার খেলা। আপাতদৃষ্টিতে মজার মনে হলেও কতিপয় বন্ধু মিলে এই মজার খেলা সত্য কিংবা সাহসী খেলতে খেলতে এমন একটি পর্যায়ে চলে যায় যখন কেউ মিথ্যা বলে বা সাহস দেখাতে অস্বীকার করে তখন তার করুন ও বেদনাদায়ক অপমৃত্যু ঘটে। ইউনিভার্সাল পিকচার্স নিবেদিত ও ব্লামহাউস প্রোডাকশনের মুভিটি পরিচালনা করেছেন জেফ ওয়াডলো। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন লুসি হেইল, ভায়োলেট বিন, ল্যান্ডন লিবায়রনসহ আরো অনেকে।

 


মন্তব্য