kalerkantho


মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার

ধরা পড়ছে চুনোপুঁটি বড়রা আড়ালেই

এস এম আজাদ   

২১ মে, ২০১৮ ০০:০০



ধরা পড়ছে চুনোপুঁটি বড়রা আড়ালেই

মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের একসময়ের বাসিন্দা ইশতিয়াক মাদক কারবারি হিসেবে চিহ্নিত। রাজধানীতে ইয়াবার পাইকারি কারবার শুরু করার ১০ বছর পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) গোয়েন্দারা তাকে শনাক্ত করে, তবে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বহু কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া ইশতিয়াকের নাম আছে ডিএনসিসহ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তালিকায়।

বিভিন্ন সংস্থার একের পর এক তৈরি করা তালিকায় নাম উঠলেও শীর্ষ মাদক কারবারিরা থেকে গেছে আড়ালেই। ধরা পড়ছে শুধু মাদকসেবী ও খুচরা বিক্রেতারা। এখন দেশে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চলছে। গত ১৭ দিনের অভিযানে সহস্রাধিক গ্রেপ্তার ও ১৮ জন নিহত হয়েছে। এই তালিকায় নেই শীর্ষ কোনো ইয়াবা বা ফেনসিডিল কারবারির নাম।

কালের কণ্ঠ’র অনুসন্ধানে দেখা যায়, ডিএনসি ছাড়াও র‌্যাব, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্ট গার্ড ও দুটি গোয়েন্দা সংস্থা মাদক কারবারিদের আলাদা তালিকা করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও এলাকাভিত্তিক কারবারিদের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এসব তালিকায় সহস্রাধিক মাদক কারবারির নাম আছে। তবে গত ডিসেম্বরে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দেওয়া ডিএনসির তালিকায় সংক্ষিপ্ত পরিসরে ১৪১ জনের তথ্য দেওয়া হয়। সব সংস্থার তথ্য নিয়ে সারা দেশের মাদক কারবারিদের সমন্বিত তালিকা তৈরিরও কাজ চলছে। বিদ্যমান সব তালিকায় দুই শতাধিক শীর্ষ কারবারির তথ্য পাওয়া গেছে, অভিযানে যাদের নাগাল পাচ্ছে না পুলিশ, র‌্যাব ও ডিএনসি। মাদকের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

ডিএনসির মহাপরিচালক (ডিজি) মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন আহমেদ গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিদ্যমান আইনে মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে কিছুটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কারণ কারো কাছে মাদক না পাওয়া গেলে সে যত বড় কারবারিই হোক, তাকে ধরা যায় না। তবে আমরা বড় কারবারিদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছি। পুলিশ ও র‌্যাব বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘মাদক কারবারিদের তালিকা নিয়ে দুদক কোনো কার্যক্রম চালিয়েছে কি না তা আমাদের জানা নেই। সব সংস্থার তালিকা নিয়ে সমন্বিত তালিকা করে শীর্ষ কারবারিদের শনাক্ত করার কাজ এখনো চলছে। এটি চলমান প্রক্রিয়া।’

গত ৩ মে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা র‌্যাবকে জঙ্গিবিরোধী অভিযানের মতোই মাদক নির্মূলে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এরপর ৪ মে থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে র‌্যাব। ওই দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত ১৭ দিনে সারা দেশে র‌্যাবের ৪৯৬টি মাদকবিরোধী অভিযানে ‘গুলিবিনিময়ে’ ১৪ মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছে ৫২৩ জন। ২০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই হাজার ২৮৭ জন মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এদিকে গত বৃহস্পতিবার থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশও। তাদের অভিযানে দুই দিনে ৫৫৩ জন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হয়েছে। নিহত হয়েছে চারজন।

সূত্র জানায়, গত বছর মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে ডিএনসির কাছ থেকে ১৫০ জনের একটি তালিকা নেয় দুদক। গত বছরেরই ৮ মে এক অনুষ্ঠানে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, এ তালিকার কারো নাম-ঠিকানা সঠিক নয়। তিনি দ্রুত মাদক কারবারিদের সঠিক তালিকা দিতে বলেন। তালিকা নিয়ে কারবারিদের সম্পদের হিসাবসহ আইনগত প্রক্রিয়া চালাবেন বলে ঘোষণা দেন দুদক চেয়ারম্যান। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুদকের কাছে একটি তালিকা পাঠায় ডিএনসি। যে তালিকায় দেশের ১৪১ জন শীর্ষ মাদক কারবারির নাম রয়েছে। ওই তালিকার শীর্ষে কক্সবাজারের টেকনাফের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে ‘ইয়াবা জগতের অন্যতম নিয়ন্ত্রণকারী’ উল্লেখ করে কারবারি হিসেবে তাঁর পাঁচ ভাইয়ের নাম দেওয়া হয়। তারা হলেন মৌলভী মুজিবুর রহমান, আবদুস শুক্কুর, সফিক, আবদুল আমিন ও ফয়সাল। সব গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় এ পাঁচজনের নাম আছে। ইয়াবার শীর্ষ ডিলার হিসেবে বদির পিএস মং মং সেন ও ভাগ্নে সাহেদুর রহমান নিপুর নামও আছে তালিকায়। মং মং ঢাকায় একাধিকবার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে ছাড়া পায়।  র‌্যাব, পুলিশ, ডিএনসি, বিজিবি ও দুই গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে ইয়াবা ‘গডফাদারদের’ একটি তালিকা তৈরি করা হয়, সেখানে ৬০ জনের নাম আছে। সে তালিকার শীর্ষেও রয়েছে বদির সিন্ডিকেটের নাম।

গোয়েন্দা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বদির ঘনিষ্ঠদের মতোই ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে ইয়াবার গডফাদাররা। তালিকায় থাকা কারবারিদের মধ্যে সবচেয়ে ধনাঢ্য কক্সবাজারের শিলবানিয়াপাড়ার সাইফুল করিম। রস আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার আড়ালে ইয়াবার আন্তর্জাতিক চোরাকারবারি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। মাত্র ৩২ বছর বয়সে শত কোটি টাকার মালিক এবং সিআইপি (বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) মর্যাদাও অর্জন করেছে। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এই প্রভাবশালীর সঙ্গে এমপি বদির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলেও জানা যায়। ঢাকা ও চট্টগ্রামে অবস্থান করে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে সে। এসকে ইন্টারন্যাশনাল নামে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে তার। কাজীর দেউড়ি ভিআইপি টাওয়ারে একাধিক অভিজাত অ্যাপার্টমেন্ট, কক্সবাজার-কলাতলী পয়েন্টে হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের নির্মাণকাজ চলছে।

গোয়েন্দা সূত্র বলছে, টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আলম ওরফে জাফর চেয়ারম্যান তার ছেলে মোস্তাককে সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছে শক্তিশালী ইয়াবা সিন্ডিকেট। বর্তমানে আওয়ামী লীগ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেও জাফর পাঁচ-ছয় বছর আগেও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল। তার ছেলে মোস্তাক দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় আছে হুন্ডি কারবারি জাফর ওরফে টিটি জাফর, কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলীর ছেলে রাশেদ ও মাহবুব মোরশেদ, মীর কাশেম ওরফে কাশেম মেম্বার, সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর হোসেনের ভাই সৈয়দ হোসেন, এমপি বদির আত্মীয় আক্তার কামাল ও তার ভাই শহীদ কামাল, দানশীল মৌলভী আজিজ, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেহানা আক্তারের ভাতিজা ইসমাইল হোসেন, জিয়াউর রহমান, রাশেদুল করিম মার্কিন, শামসুল আলম মার্কিন, মোজাম্মেল হক, নির্মল ধর, শাহ আলম, নূরুল হুদা প্রমুখ। এরা সবাই আছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তবে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ‘কাউকে বাদ দিয়ে বা কাউকে ধরে নয়, সব কারবারির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে। মাদক ব্যবসায় জড়িতরা যত ক্ষমতাধর হোক না কেন তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। কোনো ছাড় নয়। প্রথমে নিচের দিক থেকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। পরে প্রমাণের ভিত্তিতে ওপরের দিকে গ্রেপ্তার করা হবে।’

ডিএনসিসহ গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় দেখা গেছে, ঢাকায় মাদক ব্যবসায় শীর্ষ পর্যায়ে শতাধিক কারবারি আছে। এদের মধ্যে ইয়াবার সবচেয়ে বড় ডিলার মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্পের ইশতিয়াক। ইসরাফিল ড্রাইভারের ছেলে ইশতিয়াক গত ১০ বছরে ট্রাকচালক থেকে শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। মোহাম্মদপুর, আশুলিয়া, আমিনবাজারে তার ছয়টি বাড়ি ও ফ্ল্যাট আছে। সম্প্রতি শনাক্ত হওয়ার পর অভিযান চালানো হলেও ধরা যায়নি তাকে। তার অন্যতম সহযোগী নাজিম ওরফে পচিশকে গ্রেপ্তার করা হলেও ১১ দির পরই জামিনে ছাড়া পেয়ে গাঢাকা দিয়েছে। মাদকের গডফাদার হিসেবে রামপুরা থানা যুবলীগ নেতা তানিম (অরুণের ভাগ্নে) ও মেরুল বাড্ডার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জয়নালের নামও আছে। তেজগাঁও ও মোহাম্মদপুরে সেলিম, পারুলি, পারভিন, নয়াবাজারের কাশেম, পূর্ব জুরাইন নতুন ওয়াসা রোডের বাপ্পা, খিলগাঁও মধ্য নন্দীপাড়া স্কুল রোডের শামুন্নাহার ওরফে শামসুন্নী, পশ্চিম রামপুরার শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশ, বাড্ডা সাঁতারকুলের মো. আরিফ, মেরুল বাড্ডার জয়নাল, মামুন ও খোরশেদ—এরাও ইয়াবার বড় ডিলার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত বছরের ১২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ফরিদ আহাম্মদ স্বাক্ষরিত একটি প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিবের দপ্তরে দেওয়া হয়। একটি বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থার করা সেই প্রতিবেদনে উত্তরাঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ চিত্র দেখানো হয়েছে। পাঁচ জেলা—রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে আছে দেড় শতাধিক মাদকের হাট। এসব হাটের নিয়ন্ত্রণে আছে চার শতাধিক ব্যক্তি। এদের মধ্যে শীর্ষ মাদক কারবারি যেমন আছে, তেমনি আছে সন্ত্রাসী, মসজিদের ইমাম, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যও।

রংপুর জেলায় শীর্ষ ৯৯ মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে আছে পীরগাছা বড়বাড়ীর আখের মিয়ার ছেলে মাহফুজুর রহমান রুয়েল, বদরগঞ্জ বালুয়াভাটার কালা মিয়ার ছেলে আবু সুফিয়ান, বদনগঞ্জ নাবিল কাউন্টারের ম্যানেজার আকতারুজ্জামান বাবু ওরফে ঘাটুয়া বাবুও। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আছে—পীরগাছা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মাহমুদ মিলন, বদরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক টুটুল, বদরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বি সুইট, বদরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র উত্তম কুমার সাহা, রংপুর সিটি করপোরেশন ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোকলেছুর রহমান, ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্রী হারাধন চন্দ্র, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহাবুবুর রহমান মঞ্জু এবং ২৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এম এ রাজ্জাক মণ্ডলের নাম।

লালমনিরহাটের ৩৯ কারবারির মধ্যে শীর্ষ ছয়জন হলো—হাতীবান্ধার বারইপাড়ার রফিক উদ্দিনের ছেলে সিরাজুল ইসলাম, হাতীবান্ধা দক্ষিণ বারইপাড়ার কালু শেখের ছেলে আতিকুল ইসলাম, গেন্দুকুড়ির গ্রামের আবদুলের ছেলে বুলু মিয়া, বড়খাতার কমর উদ্দিনের ছেলে জহুরুল হক মণ্ডল, ভবানীপুর পশ্চিম বেজগ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে হাফিজুল ইসলাম এবং সিংগীমারীর ইছামুদ্দিনের ছেলে সাদেকুল ইসলাম। তাদের পেছনে আছে হাতীবান্ধা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় এমপি মোতাহার হোসেনের ছেলে মাহমুদুল হাসান সোহাগ, এমপির ভাতিজা সাব্বির আহমেদ, এমপির পিএ আবু বকর সিদ্দিক শ্যামল, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আতিয়ার রহমান, সিংগীমারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন, গোতামারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সাবু মিয়া, পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন প্রমুখ।

এদিকে রাজশাহীতে শীর্ষ ১৫ মাদক কারবারির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে নাম রয়েছে রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আরেকটি গোপন তালিকায় থাকা রাজশাহীর ১৫ জনের মধ্যে ১০ জনের বাড়ি সীমান্ত এলাকা গোদাগাড়ী উপজেলায়। তারা হলো রবিউল ইসলাম ওরফে রবি, নওশাদ আলী, সেলিম, হযরত আলী, নাজিবুর, তোফাজ্জল, হায়দার আলী, সোহেল, সেতাবুর রহমান ওরফে বাবু ও টিপু। বাকিরা হলো চারঘাট উপজেলার আশরাফ আলী, দুর্গাপুর উপজেলার সেলিম, খুকু রানি ও সিদ্দিক এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের কোদালকাটি গ্রামের জব্বার আলী। গোদাগাড়ী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জামায়াত নেতা আমিনুল ইসলামের নামও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।


মন্তব্য