kalerkantho


বরিশাল সিলেট রাজশাহী সিটি নির্বাচন

প্রার্থী বাছাইয়ে কেন্দ্রে নাম পাঠাচ্ছে আওয়ামী লীগ

বিএনপি এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ জুন, ২০১৮ ০০:০০



প্রার্থী বাছাইয়ে কেন্দ্রে নাম পাঠাচ্ছে আওয়ামী লীগ

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ‘একক প্রার্থী’ হিসেবে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নামের প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠাচ্ছে জেলা-মহানগর আওয়ামী লীগ। তবে এ পদে আরো দুজন নেতা ঢাকা থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে সিলেট সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী পাঁচ নেতার নাম কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। আর রাজশাহী সিটি নির্বাচনে ১৪ দলের একক প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে জোটের বৈঠকে।

আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠেয় এই তিন সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের নামও চূড়ান্ত করে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে। এই তিন মহানগরে প্রার্থিতার বিষয়ে আওয়ামী লীগ এগিয়ে গেলেও বিএনপি এখন পর্যন্ত তাদের প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। আমাদের বিভাগীয় অফিসের পাঠানো বিস্তারিত প্রতিবেদন—

বরিশালে একক প্রার্থী সাদিক, আরো দুই নেতারও ইচ্ছা

সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই বরিশালে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর মনোনয়ন নিশ্চিত করার জন্য অন্তত পাঁচটি বর্ধিত সভা করেছে জেলা-মহানগর আওয়ামী লীগ। গতকাল এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরো একটি বিশেষ বর্ধিত সভা। ওই সভায় অন্য কোনো নেতার মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশা না করার কারণ দেখিয়ে ফের সাদিককে একক প্রার্থী হিসেবে একটি রেজুলেশন করা হয়, যা কেন্দ্রে প্রস্তাব আকারে পাঠানো হবে।

তবে ওই বর্ধিত সভা যখন চলছিল, সেই সময়ে মেয়র পদে মনোনয়ন পেতে বরিশাল আওয়ামী লীগের দুই নেতা ঢাকা থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তাঁরা হলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও নগর আওয়ামী লীগ সদস্য মাহামুদুল হক খান মামুন।

জাহিদ ফারুক শামীম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এর আগে একাধিকবার আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভা করেছে। তবে তা হয়েছে নামে মাত্র। কোনো নেতাকর্মীর মতামত নেওয়া হয়নি। উপস্থিতির খাতায় স্বাক্ষর নিয়ে তাঁরা সাদিক আবদুল্লাহকে একক প্রার্থী উল্লেখ করে রেজুলেশন করেছেন। এবারও তার বাইরে কিছু হয়নি। আমাকে সভায় নিমন্ত্রণ জানানো হলেও আমি যাইনি, কারণ আগেই জেনেছি সাদিককে একক প্রার্থী হিসেবে নাম প্রস্তাব করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি প্রার্থিতার জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছি। এখন দলীয় সভানেত্রীর সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি।’

মাহামুদুল হক খান মামুন বলেন, ‘দলীয় মনোনয়ন কে পাবেন তা একমাত্র সভানেত্রীই সিদ্ধান্ত দেবেন। সাদিক আবদুল্লাহকে একক প্রার্থী হিসেবে প্রস্তাব দিতে রেজুলেশন দলীয় নেতাকর্মীদের কাছ থেকে কিভাবে স্বাক্ষর নিয়ে করা হচ্ছে তা তাঁরাই জানেন। আমি এর আগেও প্রার্থী ছিলাম, এবারও দলীয় মনোনয়ন পেতে ফরম সংগ্রহ করেছি। এখন সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছি।’

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী নঈমুল ইসলাম লিটু বলেন, নগরের সার্কিট হাউসে সোমবার সকাল ১১টায় শুরু হয় নগর আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। এর বাইরেও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীরসহ ওয়ার্ড ও নগর আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সবার ইচ্ছা অনুসারে সভায় নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্রে প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর বাইরে নগরের ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১০ প্রার্থী নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে ক্ষেত্রে মনোনয়নপ্রত্যাশী সব কাউন্সিলর প্রার্থীকে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার মধ্যে নগর আওয়ামী লীগ বরাবর দলীয় সমর্থন পেতে আবেদন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা যাচাই-বাছাই করে আগামী ২৪ জুন প্রার্থিতা নিশ্চিত করে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। এর বাইরে কোনো দলীয় নেতাকর্মী কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হলে তাকে শাস্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, ‘বর্ধিত সভায় আমরা সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রে প্রস্তাব পাঠিয়েছি, সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে বরিশাল সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হোক।’ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, ‘যেহেতু মেয়র প্রার্থী হিসেবে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ একাই মনোনয়ন চাচ্ছেন এবং তিনি মাঠে কাজ করছেন, সেহেতু আমরা তাঁর নাম একক প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে প্রস্তাব করেছি।’ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাহিদ ফারুক শামীমের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের সাথে আলোচনা করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখানে একক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’

এই সিটি নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ বা প্রার্থিতার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, ‘আমাদের এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে এর আগে কেন্দ্রীয় বিএনপির সিদ্ধান্ত ছিল, গাজীপুর সিটি নির্বাচন দেখে অন্য সিটিগুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সিলেটের মেয়র পদে পাঁচজনের নাম কেন্দ্রে যাচ্ছে

কালের কণ্ঠ’র সিলেট অফিস জানায়, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী পাঁচ নেতার নাম কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। গতকাল সোমবার মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় কাউন্সিলর পদেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নগরের তালতলায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় শুরু হয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এই সভা। সভায় মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থিতার ঘোষণা দেন দলের পাঁচ নেতা। তাঁরা হলেন বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদউদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার আলাওর ও অধ্যাপক জাকির হোসেন এবং শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ।

প্রার্থিতা ঘোষণা করার পর প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহউদ্দিন সিরাজ বলেন, ‘যেহেতু মেয়র পদে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দল থেকে মনোনয়ন চাইছেন, আমার অনুরোধ থাকবে অন্যরা তাঁদের সমর্থন দিয়ে দলের মনোনয়ন চাওয়া থেকে সরে দাঁড়াবেন।’ মিসবাহ সিরাজের এই আহ্বানের সঙ্গে জাকির হোসেন সহমত প্রকাশ করলেও অন্যরা সেটি না মানায় পাঁচ নেতার নামই কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলীয় সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক চিঠিতে মেয়র পদে তিনজনের নাম পাঠানোর জন্য বলা হয়। তবে এর অধিক প্রার্থী থাকলে তাঁদের নামও পাঠানোর সুযোগ রয়েছে।

এবার সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদেও দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। যেসব ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নির্বাচনে ইচ্ছুক তাঁদেরকে নিয়ে আলোচনার পর প্রার্থিতা চূড়ান্ত করা হবে বলে সভায় জানানো হয়। যেসব ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী নেই সেখানেও প্রার্থী দেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। প্রার্থী মনোনয়নের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তরে প্রত্যাশীদের তালিকা পাঠানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়। কেউ ব্যক্তিগতভাবেও মনোনয়ন চাইতে পারবেন বলে সভায় জানানো হয়।

সিলেট সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন পেতে চার নেতা মাঠে থাকলেও এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি দলটি। এ অবস্থায় কেন্দ্র থেকে আজ ঢাকায় ডাকা হয়েছে মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে। বিএনপি নেতা ও বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী গতকাল থেকেই ঢাকায় রয়েছেন। সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে কালের কণ্ঠকে বলেন, অন্তত স্থানীয় নেতারা এ ব্যাপারে অবগত নন। সিটি নির্বাচন নিয়ে আজকে ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতারা আলাপ করতে পারেন বলে তিনি ধারণা করছেন।

নির্বাচনে আবারও বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে লড়তে চান বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। প্রার্থিতায় আগ্রহী তিন নেতা হলেন মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম ও সহসভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

উল্লেখ্য, এই সিটিতে মেয়র পদের পাশাপাশি ২৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এবং ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

রাজশাহী : ১৪ দলের একক প্রার্থী লিটন

এই সিটির নির্বাচনে ১৪ দলের একক প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে রাজশাহী চেম্বার ভবনে ১৪ দলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া নেওয়া হয়। পাশাপাশি আজ মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভা থেকেও একক প্রার্থী হিসেবে লিটনের নাম কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হবে বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত সংগ্রহ করে কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনজন করে প্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত কেন্দ্রে পাঠানো হবে। তবে এরই মধ্যে ১২টি ওয়ার্ডে এবং পাঁচটি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী ঠিক করা হয়েছে। অন্য ওয়ার্ডগুলোতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় তাঁদের ওপরই বিষয়টি ছেড়ে দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের উপপ্রচার সম্পাদক মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমন জানান, সোমবার সকালে রাজশাহী চেম্বার ভবনে ১৪ দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি লিয়াকত আলী লিকু, জাসদ মহাগর সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ শিবলীসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিল। সভা থেকে রাজশাহী সিটি নির্বাচনে খায়রুজ্জামান লিটনকে একেক প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়।

লিমন আরো বলেন, ‘দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগেই রাসিক নির্বাচনে খায়রুজ্জামান লিটনকে গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছেন। সেই হিসেবে লিটন মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর বাইরে অন্য কোনো প্রার্থীর কথা আমরা চিন্তাই করিনি। এর পরও আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রে প্রস্তাব পাঠাব। আগামীকাল (আজ) মহানগর আওয়ামী লীগের সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত নিয়ে কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে লিটনের নাম পাঠানো হবে।’



মন্তব্য